ঢাকা শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

কাশ্মিরের পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহালের প্রস্তাব বিধানসভায় পাস


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৮-৯-২০২৬ বিকাল ৫:৫০

ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের বিধানসভায় অঞ্চলটির পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহালের প্রস্তাব পাস হয়েছে। সোমবার কাশ্মিরের বিধানসভায় আনা এই প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়। তবে আইনি বাধ্যবাধকতাহীন এই প্রস্তাবকে ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।

২০১৯ সালের আগস্টে নরেন্দ্র মোদির কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার ভারতের সংবিধানের ৩৭০ নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত জম্মু ও কাশ্মিরের স্বায়ত্তশাসন সংক্রান্ত বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে। এরপর থেকে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষের হিমালয় উপত্যকার শাসনব্যবস্থা নিয়ে যে দীর্ঘ বিতর্ক চলে আসছে, তাতে বিধানসভার এই প্রস্তাব নতুন এক মোড় তৈরি করেছে।

বিধানসভায় প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। এ সময় তিনি বলেন, রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পাওয়া এই অঞ্চলের মানুষের অধিকার।

তবে প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটির আগেই বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করেন বিজেপির বিধায়করা। তাদের অনেকেই প্রস্তাবকে ‘অসাংবিধানিক’ ও ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ বলে মন্তব্য করেন।

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বারবার ‘উপযুক্ত সময়ে’ কাশ্মিরের রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে। সেই কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এই প্রস্তাবে জম্মু ও কাশ্মিরের পূর্ণাঙ্গ ফেডারেল রাজ্যের মর্যাদা ‘অবিলম্বে ও জরুরি ভিত্তিতে’ পুনর্বহালের জন্য নয়াদিল্লির প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

এতে ২০০০ এবং ২০২৪ সালে পাস হওয়া স্বায়ত্তশাসনের দাবি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রস্তাবের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই তিনটি প্রস্তাবের কোনোটিরই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নেই।

নয়াদিল্লির সরাসরি শাসনে আসার পর ২০২৪ সালে কাশ্মিরে প্রথমবারের মতো সরকার নির্বাচিত হয়। বর্তমানে এই সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছে ওমর আবদুল্লাহর দল ন্যাশনাল কনফারেন্স।

নির্বাচিত হলেও স্থানীয় এই সরকারের ক্ষমতা খুবই সীমিত। কার্যত এখনও অঞ্চলটি পরিচালিত হচ্ছে দিল্লির নিয়োগ করা একজন প্রশাসকের (উপরাজ্যপাল) মাধ্যমে।

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হওয়ার পর থেকেই মুসলিম অধ্যুষিত কাশ্মির ভারত ও পাকিস্তানের মাঝে বিভক্ত। পরমাণু শক্তিধর এই দুই প্রতিবেশী দেশ পুরো কাশ্মিরকে নিজেদের বলে দাবি করে। এ নিয়ে দেশ দুটির মধ্যে বেশ কয়েকবার সংঘাতও হয়েছে; যার সর্বশেষ নজির দেখা যায় গত বছর।

কাশ্মিরে ভারতীয় শাসনের অবসান ঘটিয়ে স্বাধীনতা কিংবা পাকিস্তানের সঙ্গে একীভূত হওয়ার দাবিতে ১৯৮৯ সালে সশস্ত্র বিদ্রোহ শুরু করেছিল বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠী। বর্তমানে এই অঞ্চলে ভারতের প্রায় পাঁচ লাখ সেনা মোতায়েন রয়েছে এবং সেই বিদ্রোহের তৎপরতাও অনেকাংশেই দমন করা হয়েছে।

সূত্র: এএফপি।

aliul / aliul

মার্কিন সেনারা ১ হাজার কিমি পিছিয়ে গেছে, দাবি বিপ্লবী গার্ডের

ইরানে ৯ নভেম্বর অমাবস্যার রাতে হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

নিজেদের শর্ত নিয়ে অবস্থান কঠোর করছে ইরান

আলগা ছিল হোটেলের কাঁচের জানালা, পাশে বসতেই পড়ে গেলেন নিচে (ভিডিও)

এক্সের অনুবাদে তারেক রহমানের জায়গায় হাসিনার নাম, বিব্রত জাপানের মন্ত্রী

ইয়েমেনের মার্কেটে সৌদি জোটের বিমান হামলা, বহু মানুষ হতাহত

মক্কায় হুথিদের ছোড়া ড্রোন ভূপাতিত করল সৌদি

খামেনির চিঠি নিয়ে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক ইরানের নিরাপত্তাপ্রধানের

মরিশাসে কন্টেইনার দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত

ইরানকে ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ফ্রান্সে বড় বিক্ষোভ : একদিনে আহত ৫৩ পুলিশ, গ্রেপ্তার ৪৪৮ জন বিক্ষোভকারী

নির্বাচনে ভরাডুবির পর ইরান নিয়ে কঠিন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনকে বিশেষ ছাড় ইরানের