ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬

ইসরায়েলি আরব দল : বিদেশি ইহুদিদের গর্ব, দেশীদের জন্য হুমকি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক  photo আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৯-১০-২০২৬ বিকাল ৫:৮

ইসরায়েলের সদ্য সমাপ্ত নির্বাচন এক নতুন বাস্তবতা হাজির করেছে ইসরায়েলের রাজনৈতিক দল, ইসরায়েলের নাগরিক এবং প্রবাসী ইসরায়েলিদের সামনে; আর এই বাস্তবতার কেন্দ্রে আছে ইসরায়েলের আরব মুসলিমদের রাজনৈতিক দলগুলো।

নির্বাচনের ৯০ শতাংশেরও বেশি ভোট গণনার পর দেকা গেছে, ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটের ১২০টি আসনের মধ্যে নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টির নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন, তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের দল ইয়াশারের নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন এবং বাদবাকি ১৯টি আসনে জয়ী হয়েছে আরব মুসলিম দলগুলোর প্রার্থীরা।

নির্বাচনের এ ফলাফল আসার আগেই অবম্য বিদেশে ইসরায়েলের সমর্থকরা আরব সংখ্যালঘুদের ব্যাপক অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরে ইসরায়েলি গণতন্ত্রের শক্তির জয়গান গাইতে শুরু করেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের (প্রতিনিধি পরিষদ) সদস্য ও ডেমোক্রেটিক পার্টির আইনপ্রণেতা জোশ গটহাইমার টুইট করেছেন, “ইসরায়েলের আরব নাগরিক—পুরুষ ও নারী—ঐতিহাসিক সংখ্যায় ভোট দিতে আসছেন। তারা ভোট দিতে পারেন, নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন এবং নেসেটে (ইসরায়েলি পার্লামেন্ট) দায়িত্ব পালন করতে পারেন—এমন অধিকার মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশের নারীদের দেওয়া হয় না।”

তিনি আরও যোগ করেন, “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ইসরায়েল এই অঞ্চলের একমাত্র গণতান্ত্রিক দেশ, আর আজকের দিনটিই তার প্রমাণ।”

উল্লেখ্য, গটহাইমার কংগ্রেসের অন্যতম কট্টর ইসরায়েল-পন্থী আইনপ্রণেতা। এই দলে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য টম সুওজিও রয়েছেন। এক্সপোস্টে তিনি বলেছেন, “

টম সুওজি টুইট করেছেন, “আজ ৫৫ লাখ ইহুদি, খ্রিস্টান এবং বিশেষ করে আরব ইসরায়েলি নাগরিক মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র গণতন্ত্রে অংশগ্রহণ করেছেন। যারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বর্ণবাদের অভিযোগ তোলেন, তাদের জন্য এটি চমৎকার জবাব।”

তিনি আরও যোগ করেন, “ইসরায়েলের আজকের নির্বাচন আমাদের দুই (যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল) জাতির অভিন্ন মূল্যবোধের আরও একটি স্মারক। আম ইসরায়েল খাই (ইসরায়েল জাতি বেঁচে থাকুক)।”

ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি লিখেছেন, “আজ ইসরায়েলে নির্বাচনের দিন... এখানে আরবরাও ইসরায়েলিদের মতোই ভোট দেন। এটি একটি বিতর্কিত প্রক্রিয়া হতে পারে, তবে এটি একটি গণতন্ত্র—আর এই অঞ্চলে এমন গণতন্ত্র খুব একটা দেখা যায় না!”

সমীকরণের বাইরে

এখানে লক্ষ্যনীয় যে মার্কিন দূত তাৎপর্যপূর্ণভাবে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে আরবরা ইসরায়েলি নাগরিক নন; পরবর্তীতে অবশ্য তিনি স্বীকার করেছেন যে তার শব্দচয়ন যথাযথ ছিল না।

তবে আরবদের মূল ভূখণ্ড বা রাষ্ট্রকাঠামো থেকে আলাদা করে দেখার এই দৃষ্টিভঙ্গিটি ইসরায়েলের ইহুদি জনগোষ্ঠীর মধ্যে বেশ প্রচলিত এবং প্রায়শই গৃহীত হয়—বিশেষ করে যখন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।

এ কারণেই মঙ্গলবারের নির্বাচনের ফলাফলকে সংবাদমাধ্যমগুলো ‘অমীমাংসিত’ বলে অভিহিত করেছে। অথচ, আরব-সংখ্যাগরিষ্ঠ দুটি দল অভাবনীয়ভাবে ১৯টি আসন অর্জন করায়, অধিকাংশ ভোটার আসলে এমন দলগুলোর পক্ষেই রায় দিয়েছিলেন যারা প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে বদ্ধপরিকর।

ইসরায়েলের আরব মুসলিমদের দু’টি দল এই নির্বাচনে ১৯টি আসনে জয়ী হয়েছে— জয়েন্ট লিস্ট (১২ আসন) এবং রা’আম (৭) আসন।

নেতানিয়াহু-বিরোধী জোটের হিসাব করার সময় প্রায়শই আরব দলগুলোকে বাদ দেওয়া হয়, এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আরব দলগুলো নেতানিয়াহু-বিরোধী। ফলে লিকুদ পার্টির জোটে তাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই।  

গাদি আইজেনকোটের দল ইয়াশারের নেতৃত্বাধীন জোটে হয়তো আরব প্রার্থিরা যেতে পারতেন, কিন্তু আইজেনকোট, বি’য়াচাদের চেয়ারম্যান নাফতালি বেনেত এবং ইসরায়েল বেইতেনু দলের প্রধান আভিগদর লিবারম্যান— সবাই আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সঙ্গে জোট করার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন।

দুই মুসলিম দল জয়েন্ট লিস্ট ও রা’আম

ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদী ধারার ‘জয়েন্ট লিস্ট’ এ ধরনের রাজনৈতিক অংশীদারিত্বের প্রতি খুব একটা আগ্রহী নয়। তবে তারা অন্যান্য নেতানিয়াহু-বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক, যাতে দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানো যায়।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ নির্বাচনী প্রচারণায় নেতানিয়াহু আরব ভোটারদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক প্রচারণা চালিয়েছিলেন এবং এমন সব কট্টর ডানপন্থী মন্ত্রীদের নিয়োগ দিয়েছিলেন, যারা আরব সম্প্রদায় ও ‘গ্রিন লাইন’-এর ওপারে থাকা ফিলিস্তিনি ভাইবোনদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

অন্যদিকে, তুলনামূলক বাস্তববাদী ‘রা’আম’ দলটি নেতানিয়াহু-বিরোধী জোটে যোগ দিতে মরিয়া। দলটির নেতা মানসুর আব্বাস ইহুদি জনগণের কাছে নিজের দলকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন; যার মধ্যে রয়েছে পুলিশের সাবেক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ইয়োয়াভ সেগালোভিৎজকে ‘রা’আম’-এর পক্ষ থেকে নেসেট (ইসরায়েলি পার্লামেন্ট) নির্বাচনের প্রার্থী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা।

এছাড়া, আব্বাস বহু বছর ধরেই ইসরায়েলকে একটি ‘ইহুদি রাষ্ট্র’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আসছেন—যা রাজনৈতিক অংশীদারিত্বের জন্য আইজেনকোটের দেওয়া অন্যতম প্রধান শর্ত পূরণ করে।

তবে মঙ্গলবারের নির্বাচনের ঠিক আগে, আইজেনকোট একটি নতুন শর্ত জুড়ে দেন—হামাসকে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া, যাকে ইসরায়েলের ধ্বংস করা আবশ্যক।

আব্বাস ৭ অক্টোবর, ২০২৩-এর হামলার নিন্দা জানিয়েছেন, জিম্মিদের মুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন এবং এমন একটি ‘দ্বি-রাষ্ট্র’ কাঠামোর সমর্থন করেছেন—যা হামাস প্রত্যাখ্যান করেছে। তবে তিনি হামাসকে ধ্বংস করার আহ্বান জানানো থেকে বিরত থেকেছেন; কারণ এ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধে গাজার ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদেরও চরম মূল্য দিতে হয়েছে।

‘রা’আম’ (Ra’am) দলের চেয়ারম্যান আইজেনকোটের সাম্প্রতিক শর্তটি মেনে নেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দেননি; তিনি বলেছেন, এটি জোট গঠনের আলোচনার সময় বিবেচনার বিষয়। তবে উভয় পক্ষ ঐকমত্যে পৌঁছালেও, নেতানিয়াহু-বিরোধী ব্লকের অন্য দুটি দলের কাছে তা যথেষ্ট হবে না।

বেনেত এবং লিবারম্যান—উভয়ই কোনো অ-ইহুদি দলের সঙ্গে জোট গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, ৭ অক্টোবরের ঘটনার পর এমন অংশীদারিত্বের কোনো জনরায় (ম্যান্ডেট) নেই। অথচ ৭ অক্টোবরের ঘটনায় ইহুদিদের পাশাপাশি আরব নাগরিকরাও নিহত হয়েছিলেন এবং তাদের গাজায় জিম্মি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, অথচ নেতানিয়াহু এবং আইজেনকোট-উভয়েই ২০২১-২০২২ সালের আগের সরকারে আব্বাসকে একজন বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে ব্যক্তিগতভাবে প্রশংসা করেছিলেন।

কেবল ‘ডেমোক্র্যাটস’ দলের প্রধান ইয়াইর গোলান ভিন্ন মত পোষণ করেছেন; তবে অন্যান্য ইহুদি দলের নেতারা নেতানিয়াহুর পথই অনুসরণ করছেন।

নতুন যে মানদণ্ড নির্ধারণ করেছেন নেতানিয়াহু

প্রধানমন্ত্রী আরবদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেননি, তবে তিনি তাদের ভোটের অর্থ ও বৈধতাকে নস্যাৎ করার কাজ করেছেন—পুরো আরব সম্প্রদায়ের নির্বাচনে অংশগ্রহণকে তিনি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে তুলে ধরেছেন।

মঙ্গলবার তিনি একটি উদ্বেগপূর্ণ ভিডিও প্রকাশ করেন, যেখানে আরব শহরগুলোতে ভোটারদের উচ্চ উপস্থিতির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং এই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে অভিযুক্ত করেন যে, “তারা আমাদের কাছ থেকে নির্বাচন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।”

২০১৫ সালের নির্বাচনের দিনও নেতানিয়াহু একই ধরনের সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। সে সময় বর্ণবাদের অভিযোগে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি।

তবে এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় এই ধরনের বক্তব্য কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না, বরং এটি ছিল তাঁর কৌশলের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি একাধিকবার সতর্ক করে বলেছেন যে, আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট করে সরকার গঠন করলে তা ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি হুমকি মোকাবিলায় অক্ষম হবে।

ইসরায়েলের কট্টর ইহুদিপন্থি এক রাজনৈতিক ভাষ্যকার আরবদের এই রেকর্ড পরিমাণ অংশগ্রহণকে “রাজনৈতিক ৭ই অক্টোবর” (রাজনৈতিক বিপর্যয়) হিসেবে অভিহিত করেছেন।

বুধবার ভোরে, এক্সিট পোল বা বুথফেরত জরিপের ফলাফলে যখন দেখা গেল যে নেতানিয়াহুর ক্ষমতা ধরে রাখার পথে একমাত্র বড় বাধা হতে পারে আরব দলগুলোর সমর্থনে গঠিত কোনো সংখ্যালঘু সরকার, তখন তিনি বলেন, “ইসরায়েলকে বিপদে ফেলে ইহুদিবাদ-বিরোধী আরব দলগুলোর ওপর নির্ভরশীল সরকার গঠন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

এর আগের সরকারে ‘রা’আম’ দলের অংশগ্রহণ সত্ত্বেও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান থেমে থাকেনি; বরং ২০২২ সালটি ছিল গত প্রায় দুই দশকের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী বছর।

নেতানিয়াহু একদিকে “ইহুদিবাদ-বিরোধী আরব দলগুলোর” সমালোচনা করছেন, অথচ তার নিজের জোটে এমন সব অর্থোডক্স আইনপ্রণেতা রয়েছেন যারা ইহুদিবাদ-বিরোধী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করেন। এছাড়া তার জোটে চরমপন্থী বসতি স্থাপনকারীরাও রয়েছেন, যাদের অনেকেই ইহুদি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করে।

এমনকি আগের নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী নিজে ‘রা’আম’-এর সঙ্গে জোট গড়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সফল হননি। শেষ পর্যন্ত আরব দলটি বেনেটের সঙ্গে জোট গঠন করে।

নেতানিয়াহুর প্রতিদ্বন্দ্বীদের সামনে আবারও একই ধরনের অংশীদারিত্ব গড়ার সুযোগ রয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, আইজেনকোট, বেনেট বা লিবারম্যান—কেউই সম্ভবত তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে ‘রা’আম’ বা ‘জয়েন্ট লিস্ট’-এর সহায়তায় জোট গঠন করবেন না।

এ কারণেই এবারের নির্বাচনে এই আরব ভোটগুলো সম্ভবত নিজ দেশের চেয়ে বিদেশের মাটিতেই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।

সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল

aliul / aliul

নেতানিয়াহুকে সরাতে সহায়তায় প্রস্তুত আরব দলগুলো

ইসরায়েলি আরব দল : বিদেশি ইহুদিদের গর্ব, দেশীদের জন্য হুমকি

যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছে নিজেকে ব্রাজিলের ‘বৈধ নেতা’ দাবি বোলসোনারোর

ইসরায়েলের নির্বাচনে কে জিতল, তা নিয়ে ‘মাথাব্যাথা’ নেই হিজবুল্লাহর

ইসরায়েলে নির্বাচন : গণনা প্রায় শেষ, কে বিজয়ী এখনও অস্পষ্ট

স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় অন্তত ৬৮ জনের মৃত্যু, তিন দিনের শোক ঘোষণা

স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৪৬ জন নিহত

নেতানিয়াহু-আইজেনকোত দুজনের চরিত্র এক, উভয়ই চান ‘গ্রেটার ইসরায়েল’

ইরানে নতুন হামলা হলে বিশ্ববাজারে ‘ধ্বংসাত্মক’ প্রভাবের হুঁশিয়ারি তেহরানের

৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল

নেতানিয়াহু বা বিরোধীরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে কী ঘটবে

নির্বাচনে হেরে ব্রাজিল ছেড়ে আমেরিকায় বলসোনারো

মধ্যরাতে অন্ধ্রপ্রদেশে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর আঘাত