কেজিতে ৮ টাকা বেশি, তবুও সার পেতে ভোগান্তি
প্রতি কেজি টিএসপি সারের খুচরা মূল্য ২২ টাকা হলেও তা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা করে। আর ১৫ টাকা কেজির পটাশ বিক্রি হচ্ছে ২২ টাকা দরে। অর্থাৎ ১ হাজার ১০০ টাকা বস্তার টিএসপি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ টাকায় আর ৭৫০ টাকা বস্তার পটাশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ১০০ টাকায়।
এদিকে, কেজিপ্রতি ৭-৮ টাকা ও বস্তাপ্রতি ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা বেশিতে সার কিনতে হলেও কৃষককে পড়তে হচ্ছে নানা ভোগান্তিতে। সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কৃষকদের সার দিচ্ছেন না ডিলাররা। ফলে সারের জন্য এক দোকান থেকে আরেক দোকান ও এক বাজার থেকে আরেক বাজারে দৌড়াচ্ছেন কৃষকরা। তবে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি বন্ধে কিংবা কৃষকদের সার প্রাপ্তিতে কোনো ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না কৃষি কর্মকর্তাদের। অভিযোগ রয়েছে, ডিলারদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে চুপ রয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
আজ সোমবার (৮ নভেম্বর) শিবালয় উপজেলার বরংগাইল হাটে গিয়ে দেখা যায়, মেসার্স মিজান এন্টারপ্রাইজ নামক বিএডিসির সারের ডিলার মিজানুর রহমান অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করছেন। তিনি প্রতি কেজি টিএসপি বিক্রি করছেন ৩০ টাকা করে আর প্রতি কেজি পটাশ বিক্রি করছেন ২২ টাকা করে। তবে মিজান অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করলেও কৃষকদের যে রশিদ দিচ্ছেন, সেখানে সরকার নির্ধারিত মূল্য লিখে দিচ্ছেন।
মহাদেবপুর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের কৃষক তাহেজ উদ্দিনও (৭০) ৩০ কেজি টিএসপি ও ১৫ কেজি পটাশ সার কেনেন মিজানের কাছ থেকে। দুই প্রকার সারের মোট মূল্য ধরা হয় ১ হাজার ২২০ টাকা। সার পরে দেয়া হবে জানিয়ে অগ্রিম মূল্য রাখা হয় তাহেজ উদ্দিনের কাছ থেকে। তাহেজ উদ্দিন অতিরিক্ত দামে সার কেনার বিষয়টি জানান এই প্রতিবেদককে। এজন্য তার টাকা ফেরত দিয়ে তাকে সার দেয়া হবে না বলে জানিয়ে দেন ডিলার মিজান।
মেসার্স মিজান এন্টারপ্রাইজের ডিলার মিজানুর রহমানের সঙ্গে যখন এই প্রতিবেদকের কথা হয় তখন কৃষকদের ভিড় লেগে যায় দোকানে। তারা জানান, সার নিতে এলে প্রথমেই সার নেই বলে জানিয়ে দেন ডিলার মিজানুর রহমান। এরপর অতিরিক্ত দামে সার পাওয়া গেলেও আমাদের যে রসিদ দেয়া হয়, সেখানে সঠিক মূল্য লেখা থাকে। অর্থাৎ অতিরিক্ত মূল্য নিলেও তার প্রমাণ রাখেন না তিনি। তবে এ বিষয়ে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কোনো কথা বলতে রাজি হননি ডিলার মিজানুর রহমান।
এদিকে, সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত মহাদেবপুর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিবালয় উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. সাজ্জাত হোসেনের দেখা মেলেনি। পরে এই প্রতিবেদকের ফোন পেয়ে বরংগাইল হাটে আসেন তিনি। এ সময় তাকে ঘিরে ধরেন কৃষকরা। করতে থাকেন নানা অভিযোগ। কৃষি কর্মকর্তা ডিলার মিজানুর রহমানের কাছে সারের তথ্য চাইলে নানা টালবাহানা করতে থাকেন। পরে সার প্রাপ্তির তথ্য দিলেও বিক্রির তথ্য দেননি তিনি।
তবে কৌশলে সার বিক্রির একটা হিসাব বের করেন এই প্রতিবেদক। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, গতকাল রোববার বিএডিসি থেকে ১১৮ বস্তা টিএসপি সার উত্তোলন করেছেন ডিলার মিজানুর রহমান। রোব ও সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বিক্রি করেছেন মাত্র ২৫ বস্তা টিএসপি সার। সে হিসাবে ৯৩ বস্তা টিএসপি স্টকে থাকার কথা। কিন্তু কৃষি কর্মকর্তা মেসার্স মিজান এন্টারপ্রাইজের স্টকে কোনো সার পাননি।
তবে আজ সোমবার মানিকগঞ্জ পৌরসভার ডিলার তুষারের কাছ থেকে ৪০ বস্তা টিএসপি সার আনেন ডিলার মিজান, যেটা দেখে স্টক বুকে স্বাক্ষর করেন কৃষি কর্মকর্তা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন সুলতানা বলেন, আমি প্রশিক্ষণে ঢাকায় আছি। তবুও বিষয়টি দেখছি।
এমএসএম / জামান
নেত্রকোণার দুর্গাপুরে জন্ম থেকেই ১৩ বছর বয়স জুয়েলের হার্টে ছিদ্র-চিকিৎসার অভাবে থমকে আছে জীবন
খালিয়াজুরীর হত্যা মামলায় দুই আসামি ময়মনসিংহে আটক
টঙ্গীতে ১০ কেজি গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করলেন কৃষক হত্যায় অভিযুক্ত যুবক
তিন মাস যাবৎ রাকাব চেয়ারম্যান পদ শূন্য থাকায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আটকে আছে
সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে কাউনিয়ায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
কুমিল্লায় ৪৩ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ
জুড়ীতে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত
পটুয়াখালীতে ইয়াবার টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বে জাকারিয়া হত্যা, গ্রেফতার ৩, চোরাই মালামাল উদ্ধার
সুবর্ণচরে আইন শৃঙ্খলা সভা ও বাজার উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
চুনা ম্যানগ্রোভকে (ওইসিএম) হিসেবে স্বীকৃতির উদ্যোগে স্থানীয় জনগণের সম্মতি
দ্রুত রামেসু বাজারে সংগঠিত হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবী