ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

করোনাকালেও অতিধনীদের সংখ্যা বেড়েছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক  photo আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩-৬-২০২১ দুপুর ১০:৩২

করোনাকালেও বিশ্বে ‘সুপার রিচ’দের সংখ্যা কমা দূরে থাক, বরং বেড়েছে। আরো ৬ হাজার মানুষ অতিধনী হয়েছেন। দুটো ঘটনাই করোনাকালে বাস্তব। একদিকে সাধারণ মানুষের অবস্থা খারাপ হয়েছে। অতিমারীর ফলে প্রায় প্রতিটি দেশে লকডাউন হয়েছে। অর্থনীতিতে তার প্রভাব পড়েছে। প্রচুর মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। বহু মানুষ গরিব হয়েছেন। অন্যদিকে বিশ্বে সুপার রিচদের সংখ্যা বেড়েছে। করোনাকালে ৬ হাজার মানুষ সুপার রিচদের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। নতুন ধনীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি আমেরিকায়। তারপর চীন এবং ৩ নম্বরে জার্মানি।

বস্টন কনসাল্টিং গ্রুপ গত বৃহস্পতিবার একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, করোনাও কিছু মানুষের অতিধনী হওয়াকে থামাতে পারেনি। ২০২০ সালে সারা বিশ্বে অতিধনীর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজারে, যার মধ্যে জার্মানি থেকে আছেন ২ হাজার ৯০০ জন। জার্মান অতিধনীরা বিশ্বের বিনিয়োগযোগ্য সম্পদের ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ান ডলার নিয়ন্ত্রণ করেন। ২০২০ সালে তাদের আর্থিক বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ছয় শতাংশ।

করোনাকালে এই ধনীদের সম্পদের পরিমাণ রেকর্ড ছুঁয়েছে। বিশ্ব জুড়ে অতিধনীদের সম্পদের পরিমাণ ২৫০ ট্রিলিয়ান ডলার ছুঁয়েছে, যা ২০১৯-এর তুলনায় আট শতাংশ বেশি। জার্মানিতে ক্যাশ, সেভিংস, শেয়ার, পেনশন প্ল্যান ও বিমায় নয় ট্রিলিয়ান ডলারের সম্পদ জমা রয়েছে। যদি রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ ধরা হয়, তাহলে সেই সম্পদের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে ২০ ট্রিলিয়ান ডলার। যদিও বেশিরভাগ মানুষ ২০২০ সালের শেষ পর্যন্ত ঘরবন্দি হয়ে থেকেছেন, তাও জার্মানিতে মিলিওনেয়ারের সংখ্যা বেড়েছে ৩৫ হাজারের মতো। সারা বিশ্বে বেড়েছে পাঁচ লাখ ৪২ হাজার জন।

এদিকে করোনার ফলে ধনী ও গরিবের মধ্যে অসাম্য আরো বেড়েছে। বিশ্বের ৬০ হাজার অতি-ধনী মানুষ মোট বিনিয়োগের ১৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছেন। একই সময়ে বিশ্বে গরিব মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন(আইএলও)-র রিপোর্ট বলছে, করোনার ফলে বেকারের সংখ্যা বহুগুণ বেড়ছে। ২০১৯ সালের অবস্থায় ফিরতে বহু বছর সময় লেগে যাবে। কুড়ি বছরের মধ্যে প্রথমবার শিশুশ্রমিকের সংখ্যা বেড়েছে। সূত্র: ডিডাব্লিউ, রয়টার্স, ডিপিএ

জামান / জামান