রোমাঞ্চকর ফাইনালে ১ রানে জিতে তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বিপিএলের অষ্টম আসরের হাইভোল্টেজ ফাইনালে বরিশালকে ১ রানে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে তৃতীয়বারের মতো বিপিএলের শিরোপা জিতল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। প্রথমে ব্যাট করে নারাইন ঝড়ের পরও শেষের ব্যাটারদের ব্যর্থতায় কুমিল্লা জড়ো করে ১৫১ রান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মুনিম শাহরিয়ারকে ফেরান শহীদুল। পরে সৈকত আলীর জড়ো ফিফটিতে ৩৪ বলে ৫৮ রান করলে তখন বরিশালের জয় মাত্র সময়ের ব্যাপার। নাটকীয় ম্যাচে শেষ ১২ বলে ১৬ রান নিয়ে শিরোপার খরা ঘোচাতে পারল না বরিশাল।
সৈকতের মতো মারকুটে ব্যাটিং না দেখালেও চওড়া ছিল না ক্রিস গেইলের ব্যাট। সাজঘরে ফেরার আগে ১টি চার ও ২টি ছক্কায় ৩১ বলে ৩৩ রান করেন তিনি। সাকিব আল হাসান (৭ বলে ৭) আউট হলে শেষদিকে দায়িত্ব বর্তায় নুরুল হাসান সোহান (১৩ বলে ১৪) ও নাজমুল হোসেন শান্তর (১৫ বলে ১২) কাঁধে। তবে সোহান-শান্ত দুজনই সাজঘরে ফেরেন দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছে। ১ রান করে আউট হন ডোয়াইন ব্রাভো। এতে ধীরে ধীরে ম্যাচ কঠিন হয়ে যায় বরিশালের জন্য। স্লগ ওভারে সুনীল নারাইনের বোলিং লড়াইয়ে ফেরায় কুমিল্লাকে।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১০ রান। শহিদুল ইসলামের করা উত্তেজনাপূর্ণ সেই ওভারে বরিশাল জড়ো করতে পেরেছে ৮ রান। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান দাঁড়ায় সাকিব আল হাসানের দলের সংগ্রহ। এতে ১ রানের জয়ে শিরোপা জেতে ইমরুল কায়েসের নেতৃত্বাধীন কুমিল্লা।
এর আগে মিরপুরে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কুমিল্লা। এদিনও ওপেনিংয়ে পাঠানো হয় সুনীল নারাইন ও লিটন দাসকে। আগের ম্যাচে বিপিএলের দ্রুততম অর্ধশতক হাঁকানো নারাইন যথারীতি শুরু থেকেই চড়াও হয়ে খেলছিলেন। বিদায়ের আগে ২৩ বলের মোকাবেলায় করেন ৫৭ রান, হাঁকান পাঁচটি করে চার-ছক্কা। নারাইনের আগেই বরিশাল শিকার করে লিটনকে। তবে মূল বিপর্যয় শুরু হয় নারাইনের বিদায়ের পর।
খেই হারিয়ে ফেলা কুমিল্লা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে। ৯৫ রানের মধ্যে হারিয়ে ফেলে ৬ উইকেট। বরিশালের বোলাররা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করায় কুমিল্লা প্রত্যাশা অনুযায়ী রান তুলতে পারেনি। ৬ ওভার শেষে যে কুমিল্লার রান ছিল ৭৩, ১৮ ওভার শেষে তাদের রানই ছিল মাত্র ১৪১।
সপ্তম উইকেটে মঈন আলী ও মেহেদী হাসান রানা গড়েন ৫৪ রানের পার্টনারশিপ, ৫২ বলের মোকাবেলায়। শেষ ওভারে দুজনই ফেরেন সাজঘরে। রানআউট হওয়ার আগে ৩২ বলে ৩৮ রান করেন মঈন, হাঁকান দুটি চার ও একটি ছক্কা। ২৭ বলে ১৯ রান করে শফিকুলের শিকার হন রনি। পরের বলে শফিকুল শিকার করেন শহিদুল ইসলামকেও। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে কুমিল্লার সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৫১ রান।
জামান / জামান
তহুরার হ্যাটট্রিকে গুয়ামের দলকে বধ রাজশাহীর
এবারও হচ্ছে কিউট-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল
‘নতুন রদ্রি’ খুঁজছে সিটি
মালয়েশিয়ায় তহুরার হ্যাটট্রিক
আবাহনীর নতুন ফুটবল কমিটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আশিষ রায় চৌধুরী
পূজারার সেরা টেস্ট একাদশে ভারতের পাঁচ জন, নেই বাংলাদেশের কেউ
রিয়ালে অভিষেকের পর দিওমান্ডের স্বপ্নপূরণ করলেন রোনালদো
ঢাকায় খেলার সম্ভাবনা ব্রাজিলের, প্রতিপক্ষ হতে পারে বাংলাদেশ!
সব ধরনের ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন ভারতের স্পিনার
‘ব্রাজিল বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে চায়’
অস্ট্রেলিয়ার কাছে বাংলাদেশের হারে লাভ ভারতের
দুই দিনে বাংলাদেশের পরাজয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ টেবিলে কী পরিবর্তন হলো?