ঢাকা সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬

পি কে হালদারের সব শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০-৫-২০২২ সকাল ৯:৩৫

হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার করে দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার অনেক দিন পর সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ধরা পড়া প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারের নামে থাকা সব কোম্পানির শেয়ার ফ্রিজ করার নির্দেশ দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ মে) শেয়ার সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডকে (সিডিবিএল) এ নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সিডিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শুভ্র কান্তি চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নির্দেশনায় বলা হয়, পি কে হালদারের অস্থাবর সম্পদ কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধ বা ফ্রিজ করার নির্দেশ দেয়া হলো। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার আসামি পি কে হালদারের শেয়ার ফ্রিজ করার বিষয়ে আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন এ নির্দেশ দিয়েছে।

বিএসইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মহানগর দায়রা জজ ও মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এবং দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ করা মামলায় আদালত গত ১৩ এপ্রিল পি কে হালদারের অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ বা ফ্রিজ করার আদেশ দেয়। সে অনুযায়ী পি কে হালদারের অস্থাবর সম্পদ কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধ বা ফ্রিজ করার জন্য সিডিবিএলকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

গত ১৪ মে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোকনগরের একটি বাড়ি থেকে পি কে হালদার ও তার পাঁচ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে আদালতে হাজির করলে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক। মঙ্গলবার (১৭ মে) তার বিরুদ্ধে আরো ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে কলকাতার একটি আদালত।

জানা যায়, বেনামে শেয়ার কিনে দেশের চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান দখলে নেন পি কে হালদার। এগুলো হলো- বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি), ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস (ফাস) ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস।

এসব প্রতিষ্ঠান থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে এবং বিভিন্ন উপায়ে তা পাচার করে দেশত্যাগ করেন পি কে হালদার। একপর্যায়ে নাম পাল্টে তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বসবাস শুরু করেন। গ্রেপ্তার হওয়ার আগ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোকনগরের একটি বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। সেখানে তিনি শিবশঙ্কর হালদার নামে পরিচয় দিতেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ভারতীয় রেশন কার্ড, ভারতীয় ভোটার আইডি কার্ড, প্যান ও আধার কার্ডও সংগ্রহ করেন পি কে হালদার। তার অন্য সহযোগীরাও ভারতীয় এসব কার্ড জালিয়াতির মাধ্যমে সংগ্রহ করেন।

জামান / জামান

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ : অর্থমন্ত্রী

দামি সবজি শিম, সবচেয়ে কমদামি পেঁপে, মাছ ও মাংসের দাম অপরিবর্তিত

সিটি ব্যাংক পারপেচুয়াল বন্ডের অর্ধবার্ষিকের কুপন রেট ঘোষণা

৫০০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক

উৎপাদনে ফিরেছে আরএকে সিরামিকসের লাইন-৩

বাজারে সরবরাহ থাকলেও নাগালের বাইরে ইলিশ

পুঁজিবাজারে আতঙ্ক সৃষ্টি করে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

প্রয়াত উদ্যোক্তা বাবার পৌনে ৩১ লাখ শেয়ার পাচ্ছেন ছেলে-মেয়ে

নতুন আমদানি নীতি চালু করলো সরকার

রিমার্কের পণ্য কিনে লাখ টাকা জয় মুন্সিগঞ্জের রাজনের

১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী টাকা তুলতে পারবেন গ্রাহকরা

সিটি ব্যাংকের পরিচালক বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাহার

সোনার ভরি ছাড়াল দুই লাখ ৪৭ হাজার টাকা