ঢাকা শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

জিয়া রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করেছিলেন : গয়েশ্বর


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৯-৫-২০২২ বিকাল ৬:০

জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরেছিলেন বলে উল্লেখ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। রোববার (২৯ মে) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জিয়াউর রহমানের ৪১তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তার উল্লেখযোগ্য বিষয় নিয়ে সাক্ষাৎকারভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ একজন দেশপ্রেমিক। তিনি একজন দূরদর্শিতাসম্পন্ন রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ সংগঠক। রাষ্ট্র পরিচালনার সাংগঠনিক দক্ষতা তিনি অল্প সময়ের মধ্যে আয়ত্ত করতে পেরেছিলেন। পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই স্বল্প সময়ের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধে সবাইকে মাঠে নামাতে পেরেছিলেন। এবং একইসঙ্গে সম্মুখভাগে তিনি নেতৃত্ব দিয়ে যুদ্ধ করেছিলেন। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় তিনি ইচ্ছা করে আসেননি। সিপাহী জনতা তাকে উদ্বুদ্ধ করে রাষ্ট্রক্ষমতায় এনেছিল।

গয়েশ্বর বলেন, একদলীয় বাকশাল থেকে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করায় জিয়াউর রহমানকে সাধারণ মানুষ উপরে স্থান দিয়েছে। তাকে শ্রেষ্ঠ করতে কাউকে ছোট বা বড় করতে হয় না। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তার কর্মকাণ্ডের তুলনা তিনি নিজেই। আমরা যেন ভুল করে তার সঙ্গে অন্য কারও তুলনা করতে না যাই। জিয়াউর রহমান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

দলের প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কে বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশকে একত্রিত করতে জিয়াউর রহমান সার্ক তৈরি করেছিলেন। সার্কের কার্যকারিতা না থাকায় দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি ঘুরপাক খাচ্ছে। বিশ্বের বড় দেশগুলো যখন আমাদের নিয়ে খেলবে তখন আমরা বিপদে পড়ে যাবো। এসব থেকে মুক্তি পেতেই জিয়াউর রহমান সার্ক গঠন করেছিলেন। এটাই তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা।

গয়েশ্বর বলেন, ভৌগলিকভাবে বাংলাদেশ ছোট রাষ্ট্র হওয়ায় এখানকার লাখ লাখ বেকারের কর্মসংস্থান করা কঠিন ছিল। তাই জিয়াউর রহমান বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন। বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শ্রমিক তৈরি করে বিদেশে শ্রমবাজার দখল করেছিলেন। এরই সুফল হিসেবে আমরা এখন বিশাল অঙ্কের রেমিটেন্স পাচ্ছি। রেমিটেন্স দিয়েই বাংলাদেশ টিকে আছে। এটাই হলো জিয়াউর রহমানের দূরদর্শিতা। রেমিটেন্স না এলে দেশ তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত হতো।

তিনি খাল খনন কর্মসূচি দিয়ে সারাদেশে কৃষিক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য এনেছিলেন। ছাত্রদের তিনি শুধু রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি। তাদের দিয়ে উৎপাদনমুখী রাজনীতি করাতে চেয়েছেন। যুবকদের বসিয়ে রাখেননি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে লাইসেন্স দিয়ে কাজে লাগিয়েছেন। জিয়াউর রহমানের স্লোগান ছিলো- বিদেশে আমাদের বন্ধু আছে কোনো প্রভু নাই। তিনিই প্রথম ব্যক্তি সাতটি দেশের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসে আমেরিকা, রাশিয়া, চীনে কূটনৈতিক মিশন চালু করেন। তার মধ্যে কোনো স্বজনপ্রীতি ছিলো না।

এসময়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব উপস্থিত ছিলেন।

এমএসএম / জামান

সংসদে আলোচনা শেষে সংস্কার পরিষদ নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে বিরোধী দল

অপারেশন থিয়েটারে মির্জা আব্বাস, মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার

সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে

রাষ্ট্রপতির ৩ অপরাধে ভাষণ বর্জন করেছি : জামায়াত আমির

বিএনপির থেকে পদত্যাগ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের

রাষ্ট্রপতির সংসদে বক্তব্য দেওয়ার অধিকার নেই : তাহের

এক মাসের কম সময়ে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কাজ শুরু করেছি

নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’, একাধিক প্রার্থীকে হারানো হয়েছে : নাহিদ

গৌরবের মুক্তিযুদ্ধকে ভূলুণ্ঠিত করা আ. লীগকে পুনর্বাসন করা যাবে না

সমর্থকদের যে অনুরোধ জানালেন আমির হামজা

রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের পর গ্রেপ্তারের দাবি নাহিদ ইসলামের

নতুন বাংলাদেশের জন্য কাজ করছে বিএনপি সরকার : মির্জা ফখরুল

প্রথমবার শহীদ মিনারে ফুল দিল জামায়াত, শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে দোয়া