গায়িকা ব্রিটনির মতো হতে শতাধিক প্লাস্টিক সার্জারি যুবকের
দেখে মনে হবে তিনি যেন মার্কিন পপ গায়িকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স। কিন্তু আদতে তা নয়। তিনি কেবল ব্রিটনির অন্ধ ভক্ত। হ্যাঁ, তাকে ব্রিটনির মতোই দেখতে খানিকটা। কিন্তু এটা সহজাত ভাবে নয়। প্রিয় তারকার মতো দেখতে লাগার জন্য তিনি করিয়েছেন শতাধিক প্লাস্টিক সার্জারি। খরচ করেছেন কোটি কোটি টাকা। পরিবারের সায়ও ছিল তাতে।
তবে তিনি কিন্তু মহিলা নন। আদতে তিনি একজন পুরুষ। নাম ব্রায়ান রে। ছোটবেলা থেকেই ব্রিটনির বিরাট ভক্ত তিনি। আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলস নিবাসী ব্রায়ান স্বপ্ন দেখতেন তাকেও যেন ব্রিটনির মতো দেখায়। ব্রিটনির প্রতি তিনি এতটাই মজেছেন যে, শেষমেশ অবিকল তারই মতো সাজতে ১০০টিরও বেশি ‘প্লাস্টিক সার্জারি’ করিয়েছেন ব্রায়ান।
আরও একধাপ এগিয়ে এবার ব্রায়ানের ইচ্ছা, ব্রিটনির মতো চোখের মণির রং পরিবর্তন করা। ব্রিটনির মতো বাদামি চোখের মণি তারও চাই। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি আমার চোখের মণির রং স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করে দিতে চাই। লেজার বিম সার্জারির মাধ্যমে মণির রং বদলানো সম্ভব। এই অস্ত্রোপচারে আমার দৃষ্টিও চলে যেতে পারে।’
ব্রিটনি সেজে থাকার জন্য ব্রায়ানকে কম কসরত করতে হয় না। চামড়া টান টান রাখতে প্রতি ছয় মাস অন্তর বোটক্স করাতে হয়। আট থেকে ১০ সপ্তাহ অন্তর শরীরের অবাঞ্ছিত লোম সরাতে করাতে হয় হেয়ার রিম্যুভাল সার্জারি।
তবে তার ব্রিটনি হয়ে ওঠার পথটা কখনোই মসৃণ ছিল না। শারীরিক ধকল তো আছেই, সেই সঙ্গে পড়শিদের সমালোচনা। তবে এসবকে পাত্তা দেননি তিনি। ব্রায়ান এখন চোখের সার্জারি করাতে অন্য কোনো দেশে যেতে চান। কারণ আমেরিকায় চোখের এই অস্ত্রোপচারটি হয় না। এক বন্ধুর মাধ্যমে ভালো সার্জারিয়ানের খোঁজই ইতোমধ্যে পেয়ে গেছেন ব্রায়ান।
প্রীতি / প্রীতি
যশের ‘টক্সিক’ মুক্তি স্থগিত
ঐশ্বরিয়ার বিয়ের শাড়ির দাম শুনে এখনও চমকে ওঠেন অনেকে
মানুষের জীবনের মূল্য নিয়ে আক্ষেপ শবনম ফারিয়ার
দেড় ঘণ্টার মেগা এপিসোডে শেষ হচ্ছে ‘এটা আমাদেরই গল্প’
কটাক্ষের শিকার সাই পল্লবী
পহেলা মে মুক্তি পাচ্ছে গাজী রাকায়েতের "মানুষটিকে দেখ"
রংতুলির স্বপ্ন থেকে আন্তর্জাতিক মেকআপ আর্টিস্ট: উদ্যোক্তা শিউলী হোসাইনের এক অনন্য লড়াই
কটাক্ষের শিকার সাই পল্লবী
কোনো নারীই ট্রফি হতে চায় না : প্রীতি
ড্রামা ছেড়ে এবার গোয়েন্দা চরিত্রে রিচা চাড্ডা
‘রেড হট’ অবতারে নজর কাড়লেন মিম
ভক্তরা এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি : কেয়া পায়েল