ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬

পশ্চিম রেলের ৫৪ স্টেশন বন্ধ বিপাকে যাত্রীরা


শামসুল ইসলাম, রাজশাহী photo শামসুল ইসলাম, রাজশাহী
প্রকাশিত: ২৩-১১-২০২২ দুপুর ৩:৫৪

বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে (রাজশাহী) রয়েছে ছোট-বড় ১৭৫টি স্টেশন। এরমধ্যে লোকবলের অভাবে বন্ধ রয়েছে ৫৪টি। বন্ধ রয়েছে কাঙ্খিত যাত্রী সেবা। বন্ধ স্টেশনগুলোতে টিকিট বিক্রি হয় না। এতে ট্রেনে উঠে টিটি ও যাত্রীদের টিকিট কাটা নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। এমন অবস্থায় অনেক যাত্রী-ই বিনা টিকিটে ভ্রমণ করছেন। ফলে প্রতিদিন রেলওয়ের হাজার হাজার টাকা লোকসান হচ্ছে।
জানা গেছে, ঈশ্বরদী-ঢালারচর রেলপথে ১০টি স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি স্টেশনে টিকিট বিক্রি বন্ধ হয় গত ১৭ অক্টোবর। সপ্তাহ খানেক বন্ধ থাকে টিকিট বিক্রি। এই স্টেশনগুলোতে রেলওয়ের নিজস্ব কোনো লোকবল নেই। স্টেশনগুলো চলতো দৈনিক মজুরিপ্রাপ্ত টিআরএল (টেম্পোরারি লেবার রিক্রুট) লোকবল দিয়ে। টিআরএল লোকবল ঢাকায় আন্দোলনে যোগ দেওয়ায় স্টেশনগুলো ফাঁকা হয়ে পড়ে। এতে করে টিকিট বিক্রি বন্ধ হয়ে যায়।
পশ্চিমাঞ্চল রেলের পাকশী বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১ হাজার ৭৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৮ সালের জুনে ঈশ্বরদী-ঢালারচর রেলপথটি চালু হয়। ঢালারচর থেকে রাজশাহী পর্যন্ত ‘ঢালারচর এক্সপ্রেস’ নামে একটি ট্রেন চলাচল করছে। সকালে ট্রেনটি ঢালারচর থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে ছেড়ে যায়। বিকেলে আবার ফিরে আসে।
নতুন রেলপথে ঢালারচর থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত স্টেশন রয়েছে মোট ১০টি। কিন্তু স্টেশনগুলোর জন্য রেলওয়ে পর্যাপ্ত লোকবল নিয়োগ দেয়নি। ১০টি স্টেশনের মধ্যে বাঁধের হাট, কাশিনাথপুর, সাঁথিয়া, রাজাপুর, তাঁতিবন্ধ, দুবলিয়া, রাঘবপুর এই ৭টি স্টেশনে রেলওয়ের নিজস্ব কোনো লোকবল নেই। দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী লোকবল দিয়ে স্টেশনগুলো চালানো হয়। এদিকে গত ১৭ অক্টোবর ওই কর্মীরা তাঁদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে আন্দোলনে নামে। তারা সবাই ঢাকা চলে যায়। এতে স্টেশনগুলোর সব কার্যক্রম ও টিকিট বিক্রি বন্ধ হয়ে যায়।
টিআরএল এর একাধিক কর্মী জানান, পশ্চিম রেলওয়েতে পাকশী, লালমনিরহাট ডিভিশন (বিভাগ) এবং খুলনা রয়েছে। এগুলোতে দৈনিক মজুরিভিত্তিক লোকবল রয়েছে প্রায় ২ হাজার ১০০ জন। তাদের আগামী ৩১ ডিসেম্বর চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে।
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে বাঁধের হাট স্টেশনের যাত্রী রাকিবুল ইসলাম বলেন, সপ্তাহে তিন দিন রাজশাহীতে আসতে হয় বিভিন্ন কাজে। স্টেশনে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। তাই ট্রেনে উঠে টিকিট কিনেছি। অনেক যাত্রী ভাড়া নিয়ে টিটির সঙ্গে বাগবিতন্ডায় জড়াতে দেখেছি। বিষয়গুলো অনেক খারাপ লাগে।
বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, পশ্চিম রেলওয়ের ১৭৫টি স্টেশনের মধ্যে লোকবলের অভাবে বন্ধ রয়েছে ৫৪টি। বাকি ১২১টি স্টেশন চালু রয়েছে। লোকবল সঙ্কট কত ? এমন কথার উত্তরে তিনি বলেন, সময় লাগবে দেখতে।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন বলেন, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ৪২টি স্টেশনে নিজস্ব কোনো লোকবল নেই। দৈনিক মজুরি প্রাপ্ত লোকবল দিয়ে স্টেশনগুলো চালানো হচ্ছে।
পশ্চিম রেলওয়ের জিএম অসিম কুমার তালুকদার জানান, পাবনার ছয়টি স্টেশন লোকবলের কারণে বন্ধ ছিল। এই স্টেশনগুলোতে টিআরএল লোক কাজ করতেন। তাদের কাজের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর শেষ। তাই অনেকেই ঢাকায় আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন।

এমএসএম / এমএসএম

জিয়ানগরে আ’লীগ কর্মীর হাতে প্রধান শিক্ষককে উপর মারধরের অভিযোগ

অপরাধ দমনে বিশেষ অবদান, সম্মাননা পেলেন ধুনটের ওসি আতিকুল ইসলাম

ঘোড়াঘাটে ১৯৮পিচ ইয়াবাসহ ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মায় নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ শিকার: দুই জেলের কারাদণ্ড, বিশাল জাল ধ্বংস

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে চায়ের দোকানে বসে থাকা সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা

জুড়ীতে দুর্গাপূজা ঘিরে পুলিশের বিশেষ মহড়া ও চেকপোস্ট কার্যক্রম

কমলগঞ্জে ১ হাজার ৮০ জন চা শ্রমিকের মাঝে ধনা বাউরির বস্ত্র বিতরণ

চিতলমারীতে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে নিখোঁজ নবম শ্রেণির ছাত্র, সন্ধান চায় পরিবার

কুমিল্লা সীমান্তে মাদক উদ্ধারে গিয়ে ভারতীয়দের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্য

পূর্বজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষনা

দুর্গাপূজা ঘিরে স্বস্তি, সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

রাজশাহীতে দৈনিক বার্তার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন

বাগেরহাট টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে মাদকাসক্তির কুফল ও এর প্রতিকার ইস্যুতে কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা