উলিপুরে গ্রামীণ বাজারে শীতের পুরাতন কাপড়ের পোশাক বিক্রির ধুম
কুড়িগ্রামের উলিপুরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গ্রামীণ বাজার গুলোতে শীতের পুরাতন কাপড় বিক্রির ধুম পড়েছে। কম দাম হওয়ায় সকল শ্রেণী পেশার লোক কাপড় কিনতে ভীড় জমিয়েছে। ঋতু বৈচিত্রের এই অপরুপ সময়ে রাতে কুয়াশা আর দিনে হাল্কা ঠান্ডা থাকলেও শীতের প্রকোপ বেড়েই চলছে এ অঞ্চলে। ফলে শীত নিবারণের জন্য এ অঞ্চলের মানুষেরা পুরাতন কাপড় কিনেছেন পুরোদমে।
এ উপজেলাটি ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এখানে বিভিন্ন বয়সের মানুষের সংখ্যা প্রায় ৫ লাখের অধিক। এই উপজেলাটিকে চাদরের মতই আবৃত করে ঘিরে রেখেছে তিস্তা নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদ। নদ-নদী বেষ্টিত হওয়ায় শীতকালে এ অঞ্চলে তুলনামূলকভাবে শীতের প্রকোপ অনেক বেশি থাকে।
সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন গ্রামীণ বাজার গুলোতে ঘুরে দেখা যায়, বর্তমান দেশের উত্তরে শৈতপ্রবাহ ও ঠান্ডার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন আয়ের মানুষেরা সহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষ ঠান্ডার প্রকোপ থেকে বাঁচতে গ্রামীণ বাজার গুলোতে শীতের পুরাতন কাপড়ের দোকানে পুরাতন কাপড় কিনতে ভীড় জমিয়েছেন। কেউ কেউ তাদের পরিবারের জন্য বিভিন্ন ধরনের পোশাক কিনছেন। কেউবা তাদের পছন্দের পোশাক না পেয়ে ঘুরে যাচ্ছেন। আবার অনেকে দর কষাকষির পর দর না বনায় ছেড়ে যাচ্ছেন। বিক্রেতাও ক্রেতার পছন্দের পোশাক বার বার দেখাচ্ছেন। পুরাতন কাপড় বিক্রির এতই ধুম পড়েছে দাঁড়িয়ে থাকার জায়গা পর্যন্ত নেই।
উপজেলার দলদলিয়া থেকে পুরাতন কাপড় কিনতে আসা মেনেকা বেগম (৩০) বলেন, ঠান্ডার প্রকোপ থেকে বাঁচতে আমার বৃদ্ধা মা ও আমার সন্তানের জন্য পুরাতন কাপড় কিনতে এসেছি। এখানে এসে কয়েকটি পোশাক পছন্দ করেছি। দর কষাকষি চলছে। চড়া দামেই কিনলাম। কারণ এতই ঠান্ডা আমরা গরিব মানুষ নুতন পোশাক কেনার মত আমাদের টাকা পয়সা নেই। এ জন্য পুরাতন পোশাক কিনলাম।
এ ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মহিউদ্দিন, সাঈদি মিয়া, আলম ও তাহের আলী সহ আরও অনেকে বলেন, ঠান্ডার প্রকোপ থেকে বাঁচতে আমরা পুরাতন কাপড়ের পোশাক কিনতে এসেছি। এসে দেখি অনেক চড়া দাম। তার পরেও পরিবারের জন্য বিভিন্ন ধরনের পোশাক কেনাকাটা করলাম। তারা বলেন হামরা গরিব মানুষ নতুন পোশাক কেনার টেহা নেই তাই পুরাতন পোশাক কিনতেছি।
পুরাতন পোশাক কিনতে আসা নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আতিক হাসান বলেন, এখন এতই ঠান্ডা পড়েছে শীতের পোশাক ছাড়া চলাই যাচ্ছেনা। আমার বাবা গরিব মানুষ আমাকে ঠান্ডার নতুন পোশাক কিনে দিতে পারেনা। তাই আমি নিজেই পুরাতন কাপড়ের পোশাক কিনতে এসেছি। পছন্দ হচ্ছেনা। অনেক খোঁজাখুঁজির পর একটা সুয়েটার পেয়েছি। আমাকে ভালো না লাগলেও ঠান্ডার প্রকোপ থেকে বাঁচতে পড়তেই হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের মত গরিব অসহায় মানুষের ভালো মন্দ নেই। আমাদের দেখার মত কেউ নেই।
পুরাতন কাপড়ের পোশাক ব্যাবসায়ী ইউনুছ আলী (৫৫) বলেন, আমি উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গ্রামীণ বাজার গুলোতে প্রতিদিন চটি দোকান দিয়ে পুরাতন কাপড়ের পোশাক বিক্রি করে থাকি। বর্তমান ঠান্ডার প্রকোপ অনেক বেশি হওয়ায় শীতের পুরাতন পোশাক কেনার ধুম পড়েছে। এখানে সকল শ্রেণির ক্রেতা ভীড় জমিয়েছে। প্রতিদিন ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।
তিনি আরও বলেন, শীতের পুরাতন কাপড় ক্রয় করেছেন প্রায় ২ লক্ষ টাকার। এগুলো প্রায় ৩ লক্ষ টাকা বিক্রি হবে। এখানে তিনি লাভের আশা করছেন প্রায় ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।"
সুজন / সুজন
মোহনগঞ্জে স্কুলে শিশুদের খবারে অনিয়ম, ঠিকাদারের দায়িত্বে সরকারি চাকরিজীবী
খুলনায় নবনির্মিত কর ভবনের উদ্বোধন
কাজী মইনুল ইসলাম মনুর আয়োজনে ৪৮ নং ওয়ার্ড আন্তঃ ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন
রাণীনগরে শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগ;ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা
দায়িত্বশীলতার অনন্য দৃষ্টান্ত: নালিতাবাড়ীতে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিলেন ট্যাগ অফিসার
আসছে নানা আয়োজনে মারমা সাংগ্রাইং জল উৎসব
ভিড়-চাপ সামলে ২৪ ঘণ্টা সেবা দিচ্ছে নিগি পাম্প
বাঁশখালীতে মা হত্যা মামলার পলাতাক ২ আসামী পুত্র ও পুত্রবধু গ্রেফতার
দাউদকান্দিতে জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ, প্রাণনাশের শঙ্কায় সাংবাদিক শরিফুল
গোদাগাড়ীতে পাম্পে তেল নিতে এসে ৭ মোটরসাইকেল আরোহীকে জরিমানা
অটিজম ও মানবতা– প্রতিটি জীবনেরই মূল্য আছে’—(ইউএনও)রুমানা আফরোজ
মহাদেবপুরে রাস্তা নিতে প্রতিপক্ষের বাড়ি ভাঙচুর