লাইসেন্স ছাড়া এলপি গ্যাস ও ঝুঁকিপূর্ণ পেট্রোল অকটেনের জমজমাট বাণিজ্য
পেট্রোল ও অকটেনের মতো দাহ্য পদার্থ খোলাবাজারে বেচাকেনা ঝুঁকিপূর্ণ। যে কোনো সময় ঘটতে পারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। অথচ নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার হাটবাজারে দেদার বিক্রি হচ্ছে এসব জ্বালানি। কেবল তাই নয়, বিধিনিষেদের তোয়াক্কা না করে বাসাবাড়িতে ব্যবহূত এলপি গ্যাসে চলছে সিএনজি চালিত অটোরিকশা, থ্রীহুইলার।
আজ ২৮ জানুয়ারী জলঢাকা পৌরসভা, টেঙ্গনমারী, কৈমারী, মিরগন্জ, বঙ্গবন্ধু হাট, শিমুলবাড়ীসহ বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা যায়, মুদি দোকান, এমনকি পানের দোকানেও এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বেচাকেনা চলছে। অনেক দোকানে মোটরসাইকেলের অকটেন, পেট্রোল বিক্রি হচ্ছে। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এসব দাহ্য পদার্থের ব্যবসা অবাধে চলছে।
এসব জ্বালানি বিক্রিতে জড়িত নন এমন ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মিনি পিক-আপের মাধ্যমে গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছে যায় দোকানে দোকানে। পিক-আপ থেকে ছুড়ে ছুড়ে নামানো হয় সিলিন্ডার। এতে যে কোনো সময় বিস্টেম্ফারণ ঘটতে পারে। লাভজনক হওয়ায় পেট্রোল-অকটেনের মতো ঝুঁকিপূর্ণ জ্বালানির ব্যবসা ক্রমে বেড়েই চলেছে।
জানা গেছে, ১০টির কম সিলিন্ডার দোকানে থাকলে লাইসেন্সের প্রয়োজন হবে না- এমন আইনের সুযোগ নিচ্ছেন অনেক ব্যবসায়ী। কেউ কেউ প্রথমে বাসাবাড়ি বা গুদামে মজুত করেন সিলিন্ডার, সেখান থেকে অল্প অল্প করে দোকানে এনে বিক্রি করেন যাতে ১০টির বেশি না দেখায়। বিক্রির উদ্দেশ্যে সিলিন্ডার মজুত করতে হলেই অধিক নিরাপত্তার জন্য অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক, তবে তা মানছেন না খুচরা গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীরা। মাঝেমধ্যে অন্য ব্যবসার বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চোখে পড়লেও গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যাপারে কোনো অভিযান চোখে পড়ছে না বলে দাবি এলাকাবাসীর।
কৈমারীর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মিজান বলেন, 'গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করতে লাইসেন্স লাগে, এটা আমার জানা ছিল না। অনেক দোকানদার বিক্রি করছে, তাই আমিও বিক্রি করছি। কারণ এখন তো আর সিলিন্ডার কিনতে দূরে যেতে হয় না, গাড়ি এসে দোকানে দিয়ে যায়।' জলঢাকা গোলমুন্ডা বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী হাসান আলী জানান, জলঢাকা থেকে নীলফামারী সড়কে প্রতিদিন শতাধিক সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করে।
একেকটি গাড়ির পেছনের আসনে তিনজন ও সামনে চালকের সঙ্গে দু'জন যাত্রী নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল করছে। এসব গাড়িতে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার হচ্ছে। যে কোন মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। জলঢাকা - নীলফামারী সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালান সোহেল মিয়া। তিনি বলেন, 'অনেক দিন ধরে এলপি গ্যাস ব্যবহার করছি, আজ পর্যন্ত কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। আমরা সাবধানতার সঙ্গে চালাচ্ছি। আগে পেট্রোল দিয়ে মাহিন্দ্রা (অটোরিকশা) চালাতাম, তাতে ব্যয় বেশি।'
নীলফামারীর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. এনামুল হক বলেন, অগ্নিনির্বাপণ আইনে এভাবে গ্যাস সিলিন্ডার রাখা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। লাইসেন্সবিহীন গ্যাস, অকটেন ও পেট্রোল বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে। নীলফামারীর বিআরটিএ (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ) মোটরযান পরিদর্শক হিমাদ্রী ঘটক বলেন, যেসব চালক গাড়িতে এলপি গ্যাস ব্যবহার করছেন, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
প্রীতি / প্রীতি
বিক্রি হচ্ছে মেঘনাঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্র, গ্যাস বিল বকেয়া ৩৪৮ কোটি টাকা
দেশের বাজারে আজকের স্বর্ণের দাম
নয় মাসে ইসলামী ব্যাংকের ৩,২৮৬ কোটি টাকা লোকসান
গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে না, কিছুটা কমবে: পেট্রোবাংলা
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
১২ কেজি এলপিজির নতুন দর ২০৬০ টাকা, বাড়ল ২২৩ টাকা
‘আগামী গ্রীষ্মের মধ্যে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য’
গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বোর্ডের গেজেট প্রকাশ
অক্টোবরে এলো ৩৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকার বেশি প্রবাসী আয়
'শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন', কাজে ফেরার আহ্বান মন্ত্রীর
‘এলডিসি উত্তরণের সময় বাড়ানো ব্যতিক্রম সিদ্ধান্ত, পারফরম্যান্স দেখাতে হবে’
রক্ষণাবেক্ষণে এফএসআরইউ, গ্যাস সংকটের শঙ্কা!