ঢাকা সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকী রোববার


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০-৮-২০২৩ দুপুর ১১:২৫

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকী রোববার (২০ আগস্ট)। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানের থাট্টায় বিমান বিধ্বস্ত হয়ে তিনি শাহাদত বরণ করেন। 

একাত্তর সালের ৯ মে দেশ থেকে করাচিতে ফিরে কর্মস্থলে যোগ দেন মতিউর রহমান। এরপর ২০ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষানবিশ পাইলটকে ক্লোরোফর্ম দিয়ে অচেতন করে পাকিস্তানি জঙ্গি বিমান দখলে নিয়ে দেশে ফেরার চেষ্টা করেন তিনি।

প্রায় ভারতের সীমান্তে পৌঁছে যাওয়া অবস্থায় পাকিস্তানি শিক্ষানবিশ পাইলট রাশেদ জ্ঞান ফিরে পাওয়ায় বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তার সঙ্গে মতিউরের ধস্তাধস্তি চলতে থাকে এবং এক পর্যায়ে রাশেদ ইজেক্ট সুইচ চাপলে মতিউর বিমান থেকে ছিটকে পড়েন। কম উচ্চতায় উড্ডয়ন করার ফলে একসময় রাশেদসহ বিমানটি ভারতীয় সামন্ত থেকে মাত্র ৩৫ মাইল দূরে থাট্টা এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।

মতিউর রহমানের মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় আধা মাইল দূরে পাওয়া যায়। সেখান থেকে করাচির মাসরুর বিমানঘাঁটির চতুর্থ শ্রেণির কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবরের সামনে লেখা ছিল- ‘ইধার সো রাহা হ্যায় এক গাদ্দার।’

স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের অসীম সাহসিকতা, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের মূল্যায়নস্বরূপ তাকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত করে। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ২০০৬ সালের ২৪ জুন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বাধীন বাংলার মাটিতে পুনরায় তার মরদেহ সমাহিত করা হয় ঢাকার মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী সমাধিক্ষেত্রে।

দেশের এই মহান সন্তানের জন্ম ১৯৪১ সালের ২৯ নভেম্বর ঢাকার আগাসাদেক রোডের পৈতৃক বাড়িতে। প্রাথমিক পড়ালেখা শুরু হয় ঢাকার কলেজিয়েট স্কুলে। এরপর ভর্তি হন সারগোদায় বিমানবাহিনী পাবলিক স্কুলে। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে যোগ দেন তিনি। ১৯৬৩ সালে রিসালপুর পিএএফ কলেজ থেকে পাইলট অফিসার হিসেবে কমিশন লাভ করেন। কমিশনপ্রাপ্তির পর তিনি করাচির মৌরিপুর (বর্তমান মাসরুর) এয়ার বেজের ২ নম্বর স্কোয়াড্রনে জেনারেল ডিউটি পাইলট হিসেবে নিযুক্ত হন। এখানে তিনি টি-৩৩ জেট বিমানের ওপর কনভার্সন কোর্স সম্পন্ন করেন। ইরানের রানী ফারাহ দিবার সম্মানে পেশোয়ারে যে বিমান মহড়া অনুষ্ঠিত হয়, তাতে তিনিই একমাত্র বাঙালি পাইলট ছিলেন। 

১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় ফ্লাইং অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন মতিউর রহমান। এরপর মিগ কনভার্সন কোর্সের জন্য পুনরায় সারগোদায় গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে ১৯৬৭ সালের ২১ জুলাই একটি মিগ-১৯ বিমান চালানোর সময় আকাশে সেটা হঠাৎ বিকল হয়ে গেলে অসীম দক্ষতার সঙ্গে প্যারাসুটের মাধ্যমে মাটিতে অবতরণ করেছিলেন তিনি। ১৯৬৭ সালে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পদে পদোন্নতি লাভ করেন মতিউর রহমান।

এমএসএম / এমএসএম

সৌদিতে হুতিদের ড্রোন হামলায় এক বাংলাদেশির মৃত্যু

২২ অক্টোবর ছুটি অনুমোদন, দুর্গাপূজায় মিলছে ৫ দিনের ছুটি

প্রাতিষ্ঠানিক খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

রোহিঙ্গাদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের ন্যায়বিচার চাইলেন ত্রাণমন্ত্রী

অর্থ মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং : কর্মদক্ষতা মূল্যায়নে দ্বিতীয় সেরা বিটিআরসি

ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ জনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে মৃত্যু বাড়ছে, চিকিৎসাব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন সেলিমের

বান্ধবীর বাসায় কেরোসিন ঢেলে আগুন, নিশার মৃত্যুর ঘটনায় দুজন গ্রেপ্তার

হা‌সিনা ভার‌তে ব‌সে যা কর‌ছেন, বাংলাদেশ থে‌কে হলে মোদি ঢাকা সফর কর‌তেন

শিক্ষকদের মর্যাদা রাষ্ট্রের মর্যাদার সঙ্গে জড়িত: প্রধানমন্ত্রী

১০২ গুণী শিক্ষকের হাতে সম্মাননা তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় : জামায়াত

পারস্পরিক শ্রদ্ধা, জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদার করতে হবে