কাশিমপুরে অনিয়ন্ত্রিত ফার্মেসি: স্বাস্থ্যঝুঁকিতে সাধারণ মানুষ
কাশিমপুর এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাঙের ছাতার মতো অসংখ্য ফার্মেসি গড়ে উঠেছে, যেগুলোর বেশিরভাগই সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই পরিচালিত হচ্ছে। এসব ফার্মেসির অধিকাংশেরই নেই সরকারি অনুমোদন, নেই ড্রাগ লাইসেন্স। এমনকি অনেকের কাছে শুধুমাত্র একটি সাধারণ ট্রেড লাইসেন্সও নেই। তবুও এসব ফার্মেসি নিয়মিতভাবে চলছে এবং প্রতিদিন অসংখ্য রোগীকে ওষুধ সরবরাহ করছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এসব ফার্মেসি থেকে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই এন্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে। এবং মানব শরীরের কাটা ছেড়া সেলাই করা হয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। যা সাধারণ মানুষের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টিবায়োটিক ওষুধ বিক্রি সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। তবে কাশিমপুরের অধিকাংশ ফার্মেসি এই নিয়ম মানছে না। রোগীরা সরাসরি এসব ফার্মেসিতে গিয়ে ওষুধ কিনছে এবং বিক্রেতার পরামর্শে তা ব্যবহার করছে, যা তাদের স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এভাবে অপ্রয়োজনীয় বা ভুলভাবে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করার ফলে রোগীর শরীরে ওষুধের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে এবং ভবিষ্যতে গুরুতর জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া, ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবনের ফলে রোগ নিরাময়ের বদলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।
কাশিমপুরের ফার্মেসিগুলোর এই অনিয়ন্ত্রিত কার্যক্রমের পেছনে রয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারির অভাব এবং আইনের দুর্বল প্রয়োগ। সরকারি ড্রাগ লাইসেন্স ছাড়াই এসব ফার্মেসি বছরের পর বছর ধরে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। যদিও কিছু ফার্মেসির কাছে ড্রাগ লাইসেন্স রয়েছে, তবুও তারা নিয়ম-নীতি মানার ক্ষেত্রে উদাসীন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি না হওয়ায় এই ফার্মেসিগুলো তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারছে। এভাবে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করার সুযোগ পাচ্ছে এসব অদক্ষ ও অনিয়ন্ত্রিত ফার্মেসি।
এই পরিস্থিতির সমাধানে দ্রুত এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উচিত কাশিমপুর এলাকার ফার্মেসিগুলোর লাইসেন্স যাচাই করা এবং যেগুলোর ড্রাগ লাইসেন্স নেই সেগুলোকে অবিলম্বে বন্ধ করা। পাশাপাশি, ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এন্টিবায়োটিক ওষুধ বিক্রি বন্ধ করতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ এবং সচেতনতার প্রসার অপরিহার্য।
কাশিমপুরের ফার্মেসিগুলোর এই অনিয়ন্ত্রিত ব্যবসা শুধুমাত্র স্থানীয় জনগণের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করছে না, এটি সমাজে আরও বড় ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। এ সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া ও নিয়মিত তদারকি করা ছাড়া বিকল্প নেই। এতে জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং নিয়মিত চিকিৎসা পরামর্শ গ্রহণের প্রবণতাও বাড়বে।
এমএসএম / এমএসএম
ধামইরহাট উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে সমাবেশ ও মিছিল
কুড়িগ্রামে ৭ম কাব ক্যামপুরি অনুষ্ঠিত
বিলাইছড়িতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কার বিতরণ
গাসিকে নাগরিক সেবা ডিজিটালাইজেশন: হোল্ডিং ট্যাক্স ও ট্রেড লাইসেন্স অটোমেশনের সফটওয়্যার চালু
টাঙ্গাইল বন বিভাগের ১২ একর জমি দখলের অভিযোগ দুর্নীতির বরপুত্র শিক্ষা কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ এর বিরুদ্ধে
ঠাকুরগাঁওয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ভূল্লীতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
ভূরুঙ্গামারীতে ‘স্পেস টু লিড’ প্রকল্পের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা
উলিপুর সরকারি কলেজে নবীন বরন অনুষ্ঠিত
জামিনে বের হয়ে এসে মাদকব্যবসায়ি ফের গ্রেপ্তার
পাবনায় মাদকাসক্তির ক্ষতিকর প্রভাব ও করণীয় শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
লাকসামে নওয়াব ফয়জুন্নেচ্ছা সরকারি কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
বগুড়ায় মাইক্রোবাস-ট্রাক সংঘর্ষে প্রবাসীসহ নিহত ২