ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬

চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছিল বাস্তুহারা বস্তির লোকজন


এসএম পিন্টু photo এসএম পিন্টু
প্রকাশিত: ২০-৮-২০২৪ দুপুর ১:৪৫

চট্টগ্রাম নগরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের মধ্যে বাকলিয়ার শাহ আমানত সেতু এলাকা। সেখানে শতশত ছাত্রজনতা অবস্থান নিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধসহ নানা কর্মসূচী পালন করেছে। সেখানে অসংখ্য ছাত্রের রক্ত ঝরেছে। পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। সেখানে আহত দুই ছাত্র চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারাও গেছেন।
সেতু এলাকার ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে ঠেকাতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন চসিকের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম। স্থানীয়রা ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা জানিয়েছেন, জাহাঙ্গীর আলম অর্থ যোগান দিয়ে ক্ষেতচরের বাস্তুহারা এলাকার কয়েকশত ক্যাডাররাকে ছাত্র আন্দোলন দমাতে ব্যবহার করেছেন। তারা থানার অস্ত্রলুটের সাথেও জড়িত। তবে প্রশাসন তাদের কাউকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি।
জানা গেছে, আওয়ামীলীগ সরকার আমলে দাপটে নেতা জাহাঙ্গীর আলম ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর
নুরুল হকের পুত্র। বিগত সরকার আমলে বাস্তুহারা এবং খাতুনগঞ্জ এলাকায় তার ছিল নির্যাতনের ঘর। ছিল শতাধিক সন্ত্রাসী বাহিনী। বক্সিরহাট, টেরিবাজার, চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ, আছাদগঞ্জ, চর চাক্তাই, পাথরঘাটা, চামড়ার গুদাম, শুটকিপট্টি, বেড়ামার্কেট, শাহ আমানত ব্রীজ, বাকলিয়া বাস্তুহারা ক্ষেতচরসহ বাকলিয়ার বিস্তৃত এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতো জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, শাহ আমানত সেতু এলাকায় তারা কর্মসূচী বাস্তবায়নে অবস্থান নিলে জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে শতাধিক ক্যাডার সেখানে অবস্থান নিয়ে ছাত্রদের উপর হামলা করতো। কর্মসূচী আসা ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা, মোবাইল, ঘডিসহ জিনিসপত্র লুটে নিত।
হামলার বিবরণ দিয়ে স্থানীয় কলেজ ছাত্র জয়নাল আবেদীন, ইমন সেন, শহিদুল ইসলাম, ফারিয়া মোবাশে^রা বলেন, ব্রিজ এলাকায় আমরা যখনই অবস্থান নিতাম, কিছুক্ষণ পর বাস্তুহারা এলাকার কিশোরগ্যাং লীডার সোহেল কুটুম ও ফারুকের নেতৃত্বে লাঠি রাম দা কিরিচ ও আগ্নেয়াস্ত্র হাতে নিয়ে সন্ত্রাসীরা আমাদের উপর হামলা চালাতো।  হামলায় দুর্ধর্ষ ছাত্রলীগের ক্যাডার আজমির, হাবিব (পটিয়া) কোরবান আলী রবিউল প্রকাশ বগা রুবেল, মাছ সালাউদ্দীন, কানা মাহমুদ, টোকায় সালাউদ্দিন, উত্তম কুমার সুশীল, রুবেল প্রকাশ ডলার রুবেল, কিশোর গ্যাং লিডার রাসেলসহ শতাধিক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী অংশ নিত। তাদের হামলায় কয়েক শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী আহত হয়েছে।
জানা গেছে, ৫ আগষ্ট কোতোয়ালী, বাকলিয়া থানা এবং ট্রাফিক বাক্স ও পুলিশ ফাঁড়ি লুটের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় বাস্তুহারা এলাকার সন্ত্রাসীরা জড়িত ছিলেন। সরকার পতনের আগের রাতে তারা বাস্তুহারা এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি ছুঁড়ে ভয়-ভীতি দেখিয়েছে বলে এলাকাবাসীরা অভিযোগ।
বাস্তুহারা এলাকার লোকজনের অভিযোগ, বিগত সরকার আমলে বাস্তুহারা এলাকার সমিতির লোকজন সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল। এখনো সেখানে আওয়ামীলীগ, যুবলীগের সন্ত্রাসীরা অবস্থান নিয়েছেন।

T.A.S / T.A.S

তরুণরা চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হতে হবে, ইসমাইল জবিউল্লাহ

বরগুনায় জি,টিভির প্রাইভেটকারও ইজিবাইকের সংঘর্ষে নিহত -২

পর্যটন ও পরিবেশ সুরক্ষায় কুয়াকাটায় তারুণ্যের উৎসব

পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নাই,চাল আসবাবপত্র সব পুড়ে ছাই

শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে শালিখা থানা পুলিশের মোটরসাইকেল মহড়া

চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিন উন্নয়ন প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের অধিগ্রহণের চেক বিতরণ

এসি বাস চালু হতেই ফের বাধা, বাঁশখালীতে আটকে দেওয়া হলো এসআর পরিবহনের দুই এসি বাস

কুমিল্লা কবি পরিষদের দাউদকান্দি শাখার সভাপতি আমিনুল হক, সাধারণ সম্পাদক শাকিল সরকার

সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

গোপালগঞ্জে সাইফুর রহমান নান্টুর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কক্সবাজার জেলা ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

নড়াইলে প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণে নড়াগাতী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাথে বৈষম্যের অভিযোগ