ঢাকা রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬

চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছিল বাস্তুহারা বস্তির লোকজন


এসএম পিন্টু photo এসএম পিন্টু
প্রকাশিত: ২০-৮-২০২৪ দুপুর ১:৪৫

চট্টগ্রাম নগরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের মধ্যে বাকলিয়ার শাহ আমানত সেতু এলাকা। সেখানে শতশত ছাত্রজনতা অবস্থান নিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধসহ নানা কর্মসূচী পালন করেছে। সেখানে অসংখ্য ছাত্রের রক্ত ঝরেছে। পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। সেখানে আহত দুই ছাত্র চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারাও গেছেন।
সেতু এলাকার ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে ঠেকাতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন চসিকের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম। স্থানীয়রা ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা জানিয়েছেন, জাহাঙ্গীর আলম অর্থ যোগান দিয়ে ক্ষেতচরের বাস্তুহারা এলাকার কয়েকশত ক্যাডাররাকে ছাত্র আন্দোলন দমাতে ব্যবহার করেছেন। তারা থানার অস্ত্রলুটের সাথেও জড়িত। তবে প্রশাসন তাদের কাউকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি।
জানা গেছে, আওয়ামীলীগ সরকার আমলে দাপটে নেতা জাহাঙ্গীর আলম ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর
নুরুল হকের পুত্র। বিগত সরকার আমলে বাস্তুহারা এবং খাতুনগঞ্জ এলাকায় তার ছিল নির্যাতনের ঘর। ছিল শতাধিক সন্ত্রাসী বাহিনী। বক্সিরহাট, টেরিবাজার, চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ, আছাদগঞ্জ, চর চাক্তাই, পাথরঘাটা, চামড়ার গুদাম, শুটকিপট্টি, বেড়ামার্কেট, শাহ আমানত ব্রীজ, বাকলিয়া বাস্তুহারা ক্ষেতচরসহ বাকলিয়ার বিস্তৃত এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতো জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, শাহ আমানত সেতু এলাকায় তারা কর্মসূচী বাস্তবায়নে অবস্থান নিলে জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে শতাধিক ক্যাডার সেখানে অবস্থান নিয়ে ছাত্রদের উপর হামলা করতো। কর্মসূচী আসা ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা, মোবাইল, ঘডিসহ জিনিসপত্র লুটে নিত।
হামলার বিবরণ দিয়ে স্থানীয় কলেজ ছাত্র জয়নাল আবেদীন, ইমন সেন, শহিদুল ইসলাম, ফারিয়া মোবাশে^রা বলেন, ব্রিজ এলাকায় আমরা যখনই অবস্থান নিতাম, কিছুক্ষণ পর বাস্তুহারা এলাকার কিশোরগ্যাং লীডার সোহেল কুটুম ও ফারুকের নেতৃত্বে লাঠি রাম দা কিরিচ ও আগ্নেয়াস্ত্র হাতে নিয়ে সন্ত্রাসীরা আমাদের উপর হামলা চালাতো।  হামলায় দুর্ধর্ষ ছাত্রলীগের ক্যাডার আজমির, হাবিব (পটিয়া) কোরবান আলী রবিউল প্রকাশ বগা রুবেল, মাছ সালাউদ্দীন, কানা মাহমুদ, টোকায় সালাউদ্দিন, উত্তম কুমার সুশীল, রুবেল প্রকাশ ডলার রুবেল, কিশোর গ্যাং লিডার রাসেলসহ শতাধিক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী অংশ নিত। তাদের হামলায় কয়েক শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী আহত হয়েছে।
জানা গেছে, ৫ আগষ্ট কোতোয়ালী, বাকলিয়া থানা এবং ট্রাফিক বাক্স ও পুলিশ ফাঁড়ি লুটের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় বাস্তুহারা এলাকার সন্ত্রাসীরা জড়িত ছিলেন। সরকার পতনের আগের রাতে তারা বাস্তুহারা এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি ছুঁড়ে ভয়-ভীতি দেখিয়েছে বলে এলাকাবাসীরা অভিযোগ।
বাস্তুহারা এলাকার লোকজনের অভিযোগ, বিগত সরকার আমলে বাস্তুহারা এলাকার সমিতির লোকজন সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল। এখনো সেখানে আওয়ামীলীগ, যুবলীগের সন্ত্রাসীরা অবস্থান নিয়েছেন।

T.A.S / T.A.S

অনিবন্ধিত পোর্টালের অপসাংবাদিকতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

রাজউকের অভিযানের পরও নারিন্দায় নকশাবহির্ভূত নির্মাণ

কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরামের বর্ণিল হেমন্ত সন্ধ্যা: গান, কবিতা ও পিঠাপুলির মেলবন্ধন

মিরসরাইয়ে চোরাচালানের সময় দুটো ট্রাক সহ ৩০১ বস্তা ইউরিয়া সার আটক

লাকসামে মজলিশপুর ধর্মাংকুর বৌদ্ধ বিহারে কঠিন চীবর দানোৎসব অনুষ্ঠিত

ধামইরহাটে উপজেলা ও পৌর যুবদলের উদ্যোগে কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

রাজস্থলীতে এইচএসসিতে দুই সরকারি কলেজের চরম বিপর্যয়: পাসের হার ২৭ ও ২৬ শতাংশ, নেই কোনো জিপিএ-৫

কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৮.০৪ শতাংশ, ১৫ প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস

গাজীপুরে সাংবাদিক রিপনের ওপর হামলা ও অপহরণের প্রতিবাদে টঙ্গীতে মানববন্ধন

বাকেরগঞ্জে জামায়াত ছেড়ে শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে ইসলামী আন্দোলনে শাহিন শিকদারের যোগদান

রাজশাহীর বাঘায় আলোচিত রুমিয়া বেগম হত্যা মামলায় বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

উজিরপুরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত

ওসমানী মেডিকেলে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঐক্যবদ্ধ সাংবাদিক সমাজ, মানববন্ধন অনুষ্ঠিত