ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

দুই বছরেও শেষ হয়নি নির্মাণকাজ

কোম্পানীগঞ্জে হস্তান্তরের আগেই খসে পড়ছে বীর নিবাসের পলেস্তারা


নিজস্ব সংবাদদাতা photo নিজস্ব সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১৯-৯-২০২৪ দুপুর ১:৪

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসন ‘বীর নিবাস’-এর নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দুই বছর আগে ঘরের নির্মাণকাজ শুরু হলেও এখনো শেষ হয়নি একাধিক ঘরের নির্মাণকাজ। উল্টো ঘর নির্মাণে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে ইট, সিমেন্ট, বালু ও টাকা দিতে বাধ্য করার অভিযোগও উঠে এসেছে। একাধিক মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে বাধ্য হয়ে রান্নাঘরেই রাতযাপন করতে হচ্ছে।

উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হকের পরিবারের সাথে কথা বলে এবং তাদের জন্য নির্মাণাধীন বীর নিবাস ঘুরে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নানের ছেলে নজরুল ইসলাম টিপু অভিযোগ করে বলেন, নিম্নমানের ইট দিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানের ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। এটা জাতির জন্য লজ্জাজনক ও কলঙ্কের বিষয়। দুই বছর ধরে চলে আসা ঘরের নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে আছে ৬ মাস। সিমেন্টের পরিমাণ কম এবং বালুর পরিমাণ বেশি দেয়ায় নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই খসে পড়ছে দেয়ালের পলেস্তারা, ছাদঘেঁষে দেয়াল ঘেমে বৃষ্টির পানি ঢুকছে বীর নিবাসে। যে কোনো সময় ছাদ ধসে পড়ার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পরিবারের মাঝে। 

ভুক্তভোগী বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হকের ছেলে নূরুল আবছার রাসেল অভিযোগ করে জানান, ইট, বালু ও সিমেন্ট নিম্নমানের ব্যবহার না করতে লাখ টাকার বেশি ব্যয় করতে হয়েছে তাকে। নিজ হাতে বালু ছেঁকে দেয়া, কংক্রিট ধুয়ে দেয়াসহ যাবতীয় কাজ করে দিতে হয়েছে তাকে। এছাড়াও নির্মাণকাজে আসা প্রত্যেক শ্রমিককে প্রতিদিন নাস্তা ও দুপুরের খাওয়ার ব্যবস্থা করতে বাধ্য করার কথাও জানান তিনি।

এতকিছুর পরও দুই বছরেও শেষ হয়নি বীর নিবাসের নির্মাণকাজ। নগদ টাকা ও বাড়তি সাপোর্ট দিয়েও মানসম্মতভাবে তৈরি হচ্ছে না মুক্তিযোদ্ধাদের এই বীর নিবাস। ঘরের বাজেট নিম্নমানের উল্লেখ করে ঠিকাদারের সাথে স্বমন্বয় করতে বলেছেন বলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. যোবায়ের হোসেন বলেন, স্বমন্বয় করার কথাটি সঠিক নয়। কোনো ঠিকাদার বা সংশ্লিষ্ট কারো সাথে টাকা লেনদেনসহ শ্রমিকের নাস্তা ও দুপুরের খাবার খাওয়ানোর মতো কাজ না করতে অনুরোধ করা হয়েছিলো মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে। অতি-উৎসাহী হয়ে যদি কেউ এসব করেন, তার জন্য তারাই দায়ী। তবে অভিযোগকারীদের ঘর যেহেতু এখনো বুঝিয়ে দেয়া হয়নি, বুঝিয়ে দেয়ার পূর্বে সমস্যাগুলো সমাধান করে দেয়ার কথা জানান মো. যোবায়ের হোসেন।

বীর নিবাসে অনিয়মের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী জানান, অসম্পূর্ণ কিছু কিছু ঘরে তাদের ছোট ছোট কিছু অভাব-অভিযোগ আছে। তবে আমি সবগুলো ঘরে যেতে না পারলেও যেগুলোয় যেতে পেরেছি, সেখানে এমন অনিয়ম দেখিনি। অভিযোগ থাকলে সেটি সমাধান করে দেয়া হবে।

জানা গেছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় থেকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ২৯ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে আবাসন (বীর নিবাস) নির্মাণের জন্য ৪ কোটি ৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। প্রতিটি ঘর নির্মাণের জন্য ব্যয় ধরা হয় ১৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। দরপত্র আহ্বান করা হলে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ঠিকাদার নির্বাচিত হন পাঁচজন। এদের সবাই আওয়ামী পরিবারের সদস্য হওয়ায় এই মুহূর্তে পলাতক আছেন। এছাড়াও অধিকাংশ বীর নিবাসের ঠিকাদারের হাত পরিবর্তন হয় ৩-৪ বার। প্রতি হাতেই ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা খরচ হওয়ায় নিম্নমানের কাজ করতে হচ্ছে ঠিকাদারকে।

জামান / জামান

লাকসামে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের উদ্যোগে বাঁশখালীতে ত্রাণ বিতরণ

বাগেরহাটে জালে আটকা পড়া বিশাল অজগর আটক, পরে সুন্দরবনে অবমুক্ত

লাকসামে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬ পালিত

মান্দায় মহিলাদল নেত্রীর ক্ষমতায় কাটা হচ্ছে সরকারি রাস্তার দুই শতাধিক গাছ

খুলনায় ৬০৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য

আদমদীঘি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের চোরাই মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার-২

কুড়িগ্রামে ৯০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ, জরিমানা

ঝিনাইদহে চাঁদাবাজির অভিযোগে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

পটুয়াখালীতে এক হাতে ছাতা, অন্য হাতে কলম, বৃষ্টির মধ্যেই পরীক্ষা দিলেন শিক্ষার্থীরা

বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়ালো ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক

ধামইরহাটে বিজিবি'র অভিযানে নেশার সিরাফ উদ্ধার

মাগুরা সদর হাসপাতালে বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার স্থাপন, রোগী-স্বজনদের স্বস্তি

কুমিল্লায় জলাবদ্ধতার মধ্যেও থেমে নেই পরীক্ষা, নৌকায় চড়ে কেন্দ্রে শিক্ষার্থীরা