ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

জগন্নাথপুরে ভারী যানবাহন চলাচল নিষেধ : জানে না ট্রাফিক পুলিশ!


আমিনুর রহমান জিলু photo আমিনুর রহমান জিলু
প্রকাশিত: ১৪-৯-২০২১ রাত ৮:৩৮

জগন্নাথপুর উপজেলার শেষ সীমানায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃক গত এপ্রিল মাসে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে ১০ টনের অধিক ভারী যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও দীর্ঘ প্রায় ৫ মাসেও সে খবর পৌঁছেনি জগন্নাথপুর উপজেলার ট্রাফিক পুলিশ ইন্সপেক্টর মো. মাহফুজ আলমের কাছে।

সরেজমিন দেখা যায়, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার জগন্নাথপুর টু বিশ্বনাথ মেইন রোডেই ১০ টনের অধিক ২৫ থেকে ৩৫ টন ওজনের ভারী যানবাহন কোনো প্রকার বাধা-নিষেধ ছাড়াই হরদম চলছে। অন্যদিকে রাস্তার সুরক্ষার জন্য সরকারি এ নিষেধাজ্ঞা মেনে চলছেন না ট্রেডার্স ও মেইল মালিকরা। মেইন রোডের সাথে ছোট সংযোগ সড়কেই তারা তাদের নিজেদের মালামাল পরিবহন কাজে ব্যবহার করছেন ২০ থেকে ৩৫ টনের অধিক ভারী যানবাহন।

আরো দেখা যায়, জগন্নাথপুর পৌরসভার শিল্পনগরী খ্যাত হবিবনগর এলাকার মেইল মালিকরা ও উপজেলার অভ্যন্তরের  রড-সিমেন্ট ব্যবসায়ীরা তাদের রড, সিমেন্ট, বালু, পাথর, ধান, চাল, গুঁড়া ইত্যাদি পরিবহন কাজে ২০ থেকে ৩০ টনের অধিক ভারী যানবাহন ব্যবহার করছেন, যা এ রোড ও তার উপরে নির্মিত ছোট ছোট ব্রিজের জন্য মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ। অধিক ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে রাস্তায় ধস  ও আশপাশের এলাকায় কম্পন সৃষ্টি হয়, যার ফলে রাস্তায় বিরাট বিরাট খানাখন্দের সৃষ্টি হয় বলে মনে করেন জগন্নাথপুর উপজেলার সুশীল সমাজ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ১০ টনের অধিক ২০ টন ৩৫ টন ওজনের যে ট্রাকগুলো জগন্নাথপুরে ঢুকে তাদের অনেকের কাছ থেকে গাড়ি প্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা আদায় করে ট্রাফিক পুলিশ।

এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার বলেন, গত এপ্রিল মাসে আমরা ১০ টনের অধিক ভারী যানবাহন যাতে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল না করে সে ব্যাপারে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে সবাইকে সতর্ক করেছি।

জগন্নাথপুর পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ছালিক আহমেদ পীর বলেন, ১০ টনের অধিক ভারী যানবাহন চলাচলে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বাজারের অনেক ব্যবসায়ী সেটা মেনে চলছেন না। আমি আশা করব ব্যবসায়ীসহ যারা নিজেদের মালামাল পরিবহন কাজে ১০ টনের অধিক ভারী যানবাহন ব্যবহার করছেন, রাস্তা ভালো রাখার স্বার্থে তারা সেগুলো পরিত্যাগ করে রাস্তার যাতে কোনো ক্ষতি না হয় সে ধরনের যানবাহন ব্যবহার করবেন।

জগন্নাথপুর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাবেক পৌর চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদ হিরণ মিয়ার কনিষ্ঠ ছেলে জগন্নাথপুর টিভির উপদেষ্টা মো. জাহেদুর রশিদ ভূঁইয়া বলেন, জনগণের স্বার্থে ও উন্নয়নের স্বার্থে সরকার প্রতি বছর এই রাস্তার পেছনে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে। গুটিকয়েক স্বার্থলোভী ব্যবসায়ীর কারণে সেটা নষ্ট হোক তা মেনে নেয়া যায় না।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জগন্নাথপুর উপজেলা ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. মাহফুজ আলম জানান, ১০ টনের অধিক ভারী যানবাহন চলাচল জগন্নাথপুরের রাস্তায় নিষেধ আছে বলে আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে আমাদের কাছে কোনো আদেশ আসেনি।

এমএসএম / জামান

অসুস্থতার কথা বললেন অবরুদ্ধ চুয়েট ভিসি, চিকিৎসক বললেন ঠিক আছেন

সাপ্তাহিক দেশজনতার কথার উদ্যোগে 'মধূ শিক্ষা নিকেতনে' মেধাবীদের মাঝে শিক্ষা উপকরন বিতরন

হাটহাজারীতে দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

সড়কে দুর্ঘটনা কমাতে চালক, যাত্রী ও পথচারীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান এসএমপি কমিশনারের

রাজস্থলীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

জয়পুরহাটে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

আদমদীঘিতে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

লাকসামে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

জাপান প্রবাসী হিন্দু নারীর সাথে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাৎ: বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

রহমতপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য পদে প্রার্থী হতে চান তোফাজ্জল হোসেন খান

‘বুকে হাত দিয়ে বলুন, কোনো ইলিশ ধরব না’ : জেলেদের প্রতি মৎস্যমন্ত্রীর আহ্বান

ধামরাইয়ে শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে মতবিনিময় সভা

টঙ্গী বাজারের উন্নয়নে ওলামা-মাশায়েখ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গাসিক প্রশাসকের মতবিনিময়, উদ্বোধন করলেন সড়ক