সুরক্ষা দেয়াল না থাকায় সড়কের ধ্বস: ইউএনওর হস্তক্ষেপে চালু হলো অস্থায়ী যোগাযোগ
রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা পৌরসভার পাকুড়িয়া এলাকায় নির্মাণাধীন একটি সড়কের একাংশ ভারী বর্ষণে ধ্বসে পড়েছে। দুটি পুকুরের মাঝ দিয়ে যাওয়া এই সড়কটি ধ্বসে পড়ায় পাকুড়িয়া উত্তর ও দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন হাজারো গ্রামবাসী। ঠিকাদারের অবহেলার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নওহাটা পৌর প্রশাসক আরাফাত আমান আজিজ গতকাল মঙ্গলবার (১ জুলাই) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তাঁর হস্তক্ষেপে বালু ও মাটি ফেলে অস্থায়ীভাবে সড়কটি চালু করায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
জানা গেছে, নওহাটা পৌরসভার অধীনে ২০ কোটি টাকার প্রকল্পের আওতায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স জুয়েল ইলেক্ট্রনিক্স এন্ড জেভি ওয়াশিমুল হক’ ১০টি সড়ক নির্মাণ করছে। ধ্বসে পড়া সড়কটি দুয়ারী প্রাইমারি স্কুল থেকে পাকুরিয়া প্রাইমারি স্কুল পর্যন্ত সাড়ে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ চলমান কার্পেটিং কাজের অংশ।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কটির দুই পাশে পুকুর থাকা সত্ত্বেও ঠিকাদার সময়মতো সুরক্ষা দেয়াল (প্রোটেকশন ওয়াল) নির্মাণ করেননি। ফলে কয়েক দিনের টানা বর্ষণে মাটি নরম হয়ে সড়কের একটি অংশ ধ্বসে যায়। এতে দুটি গ্রামের সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেলে গ্রামবাসীকে বিকল্প পথে অনেকটা পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছিল।
পাকুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা সাইদুর ইসলাম বলেন, “ঠিকাদারকে বারবার বলার পরও পুকুর পাড়ে সুরক্ষা দেয়াল দিতে বিলম্ব করেছিল। তাদের গাফিলতির কারণেই আজ আমাদের এই দশা। ইউএনও স্যার নিজে এসে আমাদের কষ্টের কথা শুনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।”
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ওয়াশিমুল হক বলেন, “ভারী বর্ষণের কারণে মাটি নরম হয়ে সড়কটি ধ্বসে গেছে। পৌর প্রশাসকের নির্দেশে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে বালু ও মাটি ফেলে মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি আমরা নিজ খরচেই পুনরায় নির্মাণ করে দেবো।”
নওহাটা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শিব্বির আহমেদ আজমী বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি দ্রুত মেরামতের জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর জন্য পৌরসভা থেকে নতুন কোনো অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে না। সুরক্ষা দেয়ালের কাজ শেষ হলেই সড়কটির কার্পেটিং সম্পন্ন করা হবে।”
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নওহাটা পৌর প্রশাসক আরাফাত আমান আজিজ বলেন, “খবর পাওয়া মাত্রই আমি ঘটনাস্থলে যাই, কারণ পাকুড়িয়া উত্তর ও দক্ষিণ পাড়ার মানুষের সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তাদের যে চরম ভোগান্তি হচ্ছিল, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। জনদুর্ভোগ লাঘব করা প্রশাসনের প্রথম এবং প্রধান দায়িত্ব। তাই আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়ে বালু ও মাটি ফেলে একটি অস্থায়ী রাস্তা তৈরি করে দিয়েছি, যাতে অন্তত মানুষের চলাচল স্বাভাবিক হয়।”
তিনি আরও বলেন, “এটি একটি অস্থায়ী সমাধান মাত্র। আমরা ঠিকাদারকে কঠোরভাবে নির্দেশ দিয়েছি, যাতে নিজ খরচে দ্রুততম সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি মেরামত করে এবং সুরক্ষা দেয়ালের কাজ সম্পন্ন করে। এই কাজে কোনো গড়িমসি সহ্য করা হবে না। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। যত দিন পর্যন্ত সড়কটি পুরোপুরি আগের অবস্থায় ফিরে না আসছে এবং কার্পেটিং সম্পন্ন না হচ্ছে, ততদিন আমরা এর তদারকি চালিয়ে যাব। এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই, তাদের ভোগান্তি স্থায়ী হবে না।”
এমএসএম / এমএসএম
সুন্নী ওলামা মাশায়েখ পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও শাহাদাতে কারবালার তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা
নানা আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
জয়পুরহাটে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা
টাঙ্গাইল পৌরসভার উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন অভিযান
মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের দায়ে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড
নেত্রকোণায় তিন উপজেলা ও তিন পৌর শাখার ছাত্রদলের নতুন আংশিক কমিটি অনুমোদন
বাগেরহাটের মোল্লহাটে তুচ্ছ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে কৃষক নিহত
অভয়নগরে প্রথম জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন
বিলাইছড়িতে জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন ইউএনও মো. জাকির হোসেন
মোহনগঞ্জে পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন
শালিখায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত
মান্দায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত