ভারত-আফ্রিকা বিশ্বকাপ মহারণ
কার মাথায় উঠবে শ্রেষ্ঠত্বের ‘প্রথম’ মুকুট
রোহিত-কোহলিদের হাত ধরে ১৩ বছর পর শিরোপখরা কাটিয়ে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। পরের বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও রোহিত শর্মার দল শিরোপা উৎসবে মাতে। দু’বার ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেললেও ভারতীয় নারী দল এখনও চূড়ান্ত সাফল্যের স্বাদ পায়নি। তৃতীয়বারের ফাইনালে আজ (রোববার) তাদের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকার মেয়েরা। দুই দলই প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে নামছে।
বাংলাদেশ সময় দুপুর সাড়ে ৩টায় নাভি মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে নারী বিশ্বকাপের এই মহারণী ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। রোহিত-কোহলিরা ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল প্রোটিয়াদের হারিয়ে। এবার আফ্রিকান মেয়েদেরও প্রতিপক্ষ ভারত। হারমনপ্রিত কৌরদের মাঠে নিশ্চিতভাবেই গ্যালারিভর্তি দর্শকদের চাপও সামলাতে হবে লরা উলভার্টের দলকে। প্রথমবার ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলতে নামছে তারা। এর আগে মেয়েদের ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলেও প্রোটিয়ারা রানার্সআপ হয়ে ফিরেছে।
২০০৫ এবং ২০১৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেও চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি ভারত। দু’বারই অধিনায়ক ছিলেন মিতালি রাজ। চলমান বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে মিতালির কীর্তি ছুঁয়ে ফেলেছেন হারমনপ্রীত। এবার তার সামনে পূর্বসূরির ‘রাজ’ ছিনিয়ে নেওয়ার সুযোগ। বিশ্বকাপ শুরুর আগে হারমনপ্রীত বলেছিলেন, এবার সমর্থকদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাতে তারা বদ্ধপরিকর। বিশ্বকাপের মাঝে টানা তিন ম্যাচে হারে আশাভঙ্গের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বটে। তবু সব বাধা কাটিয়ে ভারতীয় দলের সামনে প্রতিশ্রুতি রক্ষার সুযোগ।
মেয়েদের ওয়ানডে ক্রিকেটে ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকা মুখোমুখি হয়েছে মোট ৩৪ বার। এর মধ্যে ২০টিতে জিতেছে ভারত। ১৩ জয় দক্ষিণ আফ্রিকার। এক ম্যাচে ফলাফল হয়নি। জয়-পরাজয়ের নিরিখে ভারতেরই পাল্লা ভারী। তবু বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা যায় না। ইতিহাস তৈরির সুযোগ দু’দলের সামনেই। ক্রিকেটভক্তরাও নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়নের অপেক্ষায় আছেন। স্বাগতিক মেয়েরা চ্যাম্পিয়ন হলে বদলে যেতে পারে ভারতী নারী ক্রিকেটের চেহারা। ঠিক যেমন ১৯৮৩ সালে কপিল দেবদের বিশ্বজয় দেশটির ক্রিকেটকে বদলে দিয়েছিল।
প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে নামার আগে প্রোটিয়া অধিনায়ক লরা উলভার্ট স্বাগতিক দর্শকদের স্তব্ধ করে দিতে চান, ‘আমার মনে হয় পুরো গ্যালারি ভারতীয় দলের পাশে থাকবে। টিকিটও সম্ভবত সোল্ড-আউট। এটি দারুণ রোমাঞ্চকর সুযোগ হতে পারে। যা একইসঙ্গে তাদের ওপরও চাপের পাল্লা ভারী করে তুলবে বলে মনে করি। স্বাগতিক দর্শকরাও জয় আশা করবে। আশা করি এটি আমাদের অনুকূলে কাজ করবে। তারা দারুণ দল, তাদের হারাতে আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। আশা করি আমরা জিততে পারব। যা তাদের চুপ করিয়ে দেবে।’
ভারতীয় অধিনায়ক হারমনপ্রিত কৌরও অনুপ্রেরণা খুঁজে নিলেন এভাবে, ‘আপনি যখন বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো মঞ্চে থাকবেন, এর চেয়ে বড় অনুপ্রেরণার কিছু থাকতে পারে না। আমরা জানি হারলে কেমন লাগে। এখন যেন জয়ের দিকটাতে থাকতে পারি, সেদিকেই তাকিয়ে আছি। আশা করি আমাদের বিশেষ দিন আসছে, যার জন্য আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি এবং একসঙ্গে সেটি পাওয়ার লক্ষ্যে আমরা নামব।’
এমএসএম / এমএসএম
জার্মানির বিদায়ে স্বস্তিতে ব্রাজিল
আনচেলত্তির ব্রাজিলের আসল পরীক্ষা আজ
বিশ্বকাপের মহারণ আজ: ব্রাজিল বনাম জাপান, কার হাসি ফুটবে শেষ পর্যন্ত?
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, হৃদয়-অমিতের অভিষেক
গ্রুপ পর্ব শেষ, নক আউটে উঠলো কারা
মেসির রেকর্ড গোলে নকআউটের আগে শতভাগ জয় আর্জেন্টিনার
বিশ্বরেকর্ড করলেন লিওনেল মেসি
অনলাইনে যেভাবে দেখবেন আর্জেন্টিনা-জর্ডানের ম্যাচ
দেম্বেলের এমন হ্যাটট্রিক ৩২ বছর পর প্রথম
গোল উদযাপনেও কেন শান্ত থাকেন, জানালেন স্কালোনি
ভাগ্যের কাছে আটকে গেল ইরান, নকআউটে খেলার সমীকরণ কী?
বিশ্বকাপের শহরে বাংলাদেশের অধিনায়ক