টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি তাকের শামস খান হিমু জাতীয় পার্টির এমপি প্রার্থী
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা ও মনোয়ন বৈধতা পেয়েছে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি তারেক শামস খান ওরফে হিমু। তিনি এক সময় দাপটের সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতেন।
গত ২৪ এর ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্যান্য নেতাকর্মীর মতো তারেক শামসও আত্মগোপনে চলে যান। এ সময় নাগরপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি মিছিলে হামলার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের হয়।এরপর হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সভাপতি আন্দালিভ রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার ছবি ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি–বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রত্যয়নপত্রে তারেক শামস খান হিমুর বিজেপিতে যোগদানের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। প্রত্যয়নপত্রে উল্লেখ করা হয়, তিনি ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিজেপির একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
একসময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। গত ১৪ জুলাই দেশে ফেরার পর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পুলিশ তাঁকে আটক করে নাগরপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। প্রায় এক মাস কারাগারে থাকার পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর এবার তিনি আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির (জেপি) হয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে তারেক শামস খান ওরফে হিমু বলেন “আওয়ামী লীগ আমার ওপর অনেক অবিচার করেছে। জেলা আওয়ামী লীগে আমাকে সহসভাপতির পদ থেকে সরিয়ে সাবেক প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম (টিটু)-কে বসানো হয়েছিল।তিনি আরও বলেন, ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আব্দুল বাতেনের হরিণ প্রতীকের পক্ষে কাজ করার কারণে তৎকালীন সময় আমাকে ১ম বার দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর প্রতিপক্ষ হিসেবে ঈগল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি। ওই সময় আমার কর্মী-সমর্থকরা আওয়ামী লীগের প্রার্থীর অনুসারীদের দ্বারা হামলা, প্রচার মাইক ভাঙচুর ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। এ সংক্রান্ত একাধিক মামলাও দায়ের করা হয়েছিল।
তবে জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র দাবি করেছে, তারেক শামসকে দলীয় পদ থেকে অপসারণ করা হয়নি। তিনি এখনো জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পদে বহাল রয়েছেন।এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এটিকে নির্বাচনী রাজনীতিতে নাটকীয় ও অস্বাভাবিক দলবদল হিসেবে দেখছেন।
Aminur / Aminur
বিলাইছড়ির দুর্গম ৫ কেন্দ্রের জনবল ও সরঞ্জাম হেলিকপ্টারে ফিরলো সদরে
কুমিল্লা-৯ আসন, আবুল কালামকে মন্ত্রী চান ২ উপজেলাবাসী
রায়গঞ্জে বসতবাড়িতে চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট
কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে ৬০ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি- সিগারেট জব্দ
সেরাজনগর মুনছর আলী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় সরকারিকরণে ‘অন্যায়ের অবসান’: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
ফরহাদ হোসেন আজাদকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় বোদা-দেবীগঞ্জের মানুষ
বেশী ভোট পাওয়া শাহজাহানকে মন্ত্রী হিসেবে চাচ্ছেন নোয়াখালীবাসী
কুমিল্লার-৯ আসন সহ, ১১টি আসনের ৮৩ প্রার্থীর ৫৭ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত
নেত্রকোনায় ২৯তম বসন্তকালীন সাহিত্য উৎসব ও খালেকদাদ চৌধুরী সাহিত্য পুরস্কার অনুষ্ঠিত
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, নিজের গায়ে পেট্রল ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা
পাঁচবিবিতে কাবাডি প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
চাঁদপুরে সিলমোহরকৃত ২০৩ ব্যালট উদ্ধারের ঘটনায় আদালতের নির্দেশে মামলা