মনপুরায় দিনের আলোতে দোকানঘরের তালা ভেঙে দখল
ভোলার মনপুরা উপজেলার ৪ নং দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের কোড়ালিয়া বাজারে স্থানীয় বাসিন্দা মাওলানা মো. গিয়াসউদ্দিনের প্রায় ৩৫ বছরের ভোগদখলে থাকা একটি দোকানঘরের তালা ভেঙে দখলের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে দোকানটি দখল করেন একই ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত মো. মানিক মাঝির ছেলে নাসিরউদ্দিন মাঝি।
শনিবার (৭ মার্চ) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাওলানা মো. গিয়াসউদ্দিনের বসতবাড়ি সংলগ্ন কোড়ালিয়া বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে দুটি দোকান ও একটি সিমেন্টের গুদাম রয়েছে। তবে মাঝখানের দোকানঘরটির ভেতরে কয়েকজন লোক অবস্থান করছেন।
স্থানীয় এক হোমিওপ্যাথি ব্যবসায়ী জানান, তার জানামতে জায়গাটি দীর্ঘদিন ধরে মাওলানা মো. গিয়াসউদ্দিনের দখলে ছিল। কিন্তু হঠাৎ কয়েকদিন আগে দোকানটির তালা ভেঙে কিছু লোক সেখানে প্রবেশ করে দখল নেয়।
স্থানীয় আরেক দর্জি দোকানদার বলেন, প্রায় ৩০–৩৫ বছর ধরে জায়গাটি মাওলানা মো. গিয়াসউদ্দিনের দখলে ছিল। হঠাৎ করে কিছু লোক দোকানের তালা ভেঙে ভেতরে কয়েকজন মহিলা ঢুকিয়ে দোকানটি দখল করে নেয়।
দোকান দখলের সময় এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “আমি নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলাম। হঠাৎ তালা ভাঙার শব্দ শুনে দোকানের কাছে যাই। গিয়ে দেখি নাসিরউদ্দিন মাঝি মাওলানা মো. গিয়াসউদ্দিনের দোকানের তালা ভেঙে কয়েকজন মহিলাকে দোকানের ভেতরে ঢুকিয়ে দখল নিয়েছে। তবে দোকানের ভেতরে তেমন কিছু ছিল না।”
জমির মালিক দাবি করা মাওলানা মো. গিয়াসউদ্দিন বলেন, “আমি প্রায় ৩০–৩৫ বছর আগে এই জায়গাটি কিনেছি। তখন এটি একটি ডোবা ছিল। পরে ধীরে ধীরে মাটি ফেলে ডোবাটি ভরাট করে বাড়ি ও দোকানঘর নির্মাণ করি। কিন্তু ২০১৮ সালে হঠাৎ করে নাসিরউদ্দিন মাঝি একই মালিকের কাছ থেকে এই জমি কেনার দাবি করে।”
তিনি আরও বলেন, “পরে ৪ নং দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অলি উল্লাহ কাজল উভয় পক্ষের কাগজপত্র দেখে একই দাগ দুই পক্ষের কাগজে রয়েছে বলে জানান। তখন তিনি এজ বদল করে নিতে বলেন এবং আমাকে কিছু টাকা দিতে বলেন। কিন্তু নাসিরউদ্দিন মাঝি চেয়ারম্যানের সালিশ অমান্য করে আদালতে মামলা করেন। পরে আদালত থেকে সেই মামলা খারিজ হয়ে যায়।”
অন্যদিকে নাসিরউদ্দিন মাঝি বলেন, “২০১৫ সালে জমির মূল মালিক জমি মাপজোক করে এজবদল করে আমাকে চাষের জমি দেন এবং মাওলানা মো. গিয়াসউদ্দিনকে এই জায়গাটি দেন। কিন্তু কয়েক মাস পর আমাকে দেওয়া এজবদলের জমি তিনি কাসেম মাঝির কাছে বিক্রি করে দেন।”
তিনি আরও বলেন, “২০১৬ সালে কাসেম মাঝি দলিল দেখিয়ে আমাদের এজবদলকৃত জমি দখল করে নেয়। পরে আমি ইউনিয়ন পরিষদে দরখাস্ত করি। তখন চেয়ারম্যান বিষয়টি বিবেচনা করে মাওলানা মো. গিয়াসউদ্দিনকে আমাদের এজবদলের জমি ছেড়ে দিতে বলেন। কিন্তু তিনি জমি না ছেড়ে ভোলা জজ কোর্টে দুটি মামলা দায়ের করেন।”
নাসিরউদ্দিন মাঝির দাবি, “২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর আদালত তাদের করা দুটি মামলাই খারিজ করে দেয় এবং ৪১৫৭ নম্বর দাগের ৬০ শতাংশ জমির সকল কাগজপত্র পর্যালোচনা করে আমার পক্ষে রায় দেয়। পরে আদালতের রায় অনুযায়ী আমরা ওই জায়গার দখল নিয়েছি।”
এমএসএম / এমএসএম
তাহিরপুরে ধুমধাম করে ১৩ বছরের কিশোরীকে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি ভেঙে দিলেন উপজেলা প্রশাসন।
চবিতে ‘একেএম ফজলুল কাদের চৌধুরী হল’ নামকরণের দাবিতে মানববন্ধন
আনোয়ারায় পূর্ব শত্রুতায় জেরে স্থানীয় যুবদল নেতার উপর হামলার অভিযোগ
পঞ্চগড়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে চা বাগান দখল চেষ্টার অভিযোগ
পেকুয়ায় বন বিভাগের অভিযানে মিশিয়ে দেওয়া হলো অবৈধ বালুর স্তূপ
গুরুদাসপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল মতিন গ্রেপ্তার
বেশি দামে সার বিক্রি, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা
বেনাপোল স্থলবন্দর পরিচালক বদলি,আলোচনায় সাবেক পরিচালক মামুন
গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের ওপর হামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন, থানায় মামলা, গ্রেফতার ২
মধুখালীতে নবাগত ইউএনও এর সাথে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময়।
হাটহাজারীতে চাঞ্চল্যকর নুরুল আজিম হত্যার প্রধান আসামী গ্রেফতার
চুয়াডাঙ্গার সিমান্তগুলোতে স্বর্ণ পাচারের বাহকরা ধরা পরলোও অধরাই নেপথ্যের হোতারা