কেশবপুরে লোডশেডিংয়ে জনজীবনে চরম ভোগান্তি
যশোরের কেশবপুরে গ্রামঞ্চালে লোডশেডিং তুলোনামূলক বেশি। চরম ভোগান্তি নেমে এসেছে জনজীবনে। স্থানীয়দের ভাষ্য, উপজেলা শহরে কিছু সময় বিদ্যুৎ পাওয়া গেলও গ্রামে প্রায় একেবারেই বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না। এখন প্রচণ্ড গরমে মানুষের নাকাল অবস্থা।
যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর কেশবপুর জোনাল কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর উপজেলায় ৯০ হাজার গ্রাহক আছেন। এসব গ্রাহকের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে প্রতিদিন ২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন। সেখানে গত বুধবার মাত্র ৮ দশমিক ৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া গেছে। ফলে লোডশেডিং ছিল ১৬ দশমিক ৭ মেগাওয়াট। এত বেশি পরিমাণ বিদ্যুতের ঘাটতি থাকায় গ্রাহকদের সেবা দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ছে, বিশেষ করে গুরুত্ব বিবেচনায় বিদ্যুৎ দিতে গিয়ে একটি বড় অংশের গ্রাহকেরা বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না।
চুয়াডাঙ্গা গ্রামের হাফেজ মোঃ ওয়ালিদ জানান, আমার পিতা অসুস্থ মানুষ অনেক বয়স হয়েছে। চব্বিশ ঘন্টায় মাঝেমধ্যে বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। এই গরমে সারা রাত বিদ্যুৎ না থাকায় ঘুমাতে পারছে না। গত বুধবার সারা রাতই বিদ্যুৎ ছিল না। গরমে মানুষের অবস্থা খারাপ হয়ে যাচ্ছে।
শহরের খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কেশবপুর শহরে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়নি। সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় জীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে, বিশেষ করে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া ও রান্নাবান্নার কাজে খুবই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
গ্রাহকদের অভিযোগ, যশোর-সাতক্ষীরা সড়কের পূর্ব ও পশ্চিম পাশে দুটি ফিডার লাইনে বিদ্যুৎ দেওয়া হয়। এখানে পশ্চিম পাশে ফিডারে কিছুটা বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। আর পূর্ব পাশের গ্রাহকদের বেশি বিদ্যুৎ-বঞ্চিত করা হচ্ছে।
একজন ব্যাবসায়ী বলেন, 'চোখের সামনেই রাস্তার অপর প্রান্তে গ্রাহকেরা বেশি বিদ্যুৎ পাচ্ছেন। আর আমাদের চেয়ে চেয়ে দেখতে হচ্ছে। এটা চরম বৈষম্য।'
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কেশবপুর জোনাল অফিসের সহকারী ব্যবস্থাপকের (এজিএম) দায়িত্বে থাকা জুনিয়র প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে গ্রাহকদের চাহিদামতো বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। উপজেলার ১৯টি ফিডারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। শহরের দুটি ফিডারে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। পশ্চিম পাশে হাসপাতাল, উপজেলা পরিষদসহ গুরুত্বপূর্ণ অফিস থাকায় গুরুত্ব বিবেচনায় একটু বেশি বিদ্যুৎ দিতে হয়।
কেশবপুর জোনাল কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আবদুর রব বলেন, বিদ্যুতের ঘাটতি থাকলে লোডশেডিং করতে হয়। এটা জাতীয় সমস্যা, সে ক্ষেত্রে তাঁদের কিছুই করার নেই।
এমএসএম / এমএসএম
ছাতকে ২৪ ঘণ্টায় ২৩টি নরমাল ডেলিভারি, মা ও নবজাতক সুস্থ
জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টেকসই মৎস্য উৎপাদনের তাগিদ
২৫ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, গুরুত্ব পাচ্ছে নেতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ
কালিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু
পটুয়াখালীতে জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় তরুণদের নিয়ে অ্যাডভোকেসি সংলাপ
বাঙ্গরায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৪ লাখ টাকায় বিষয় ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা
শিক্ষাজীবন শেষে চাকরি নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু
আদমদীঘিতে ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের পশুর নদীতে ১২০০ টন কয়লা নিয়ে কার্গো জাহাজ ডুবি
মিরসরাইয়ে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব
ধামইরহাটে ১৪ বিজিবির অভিযানে ৮৯ বোতল ভারতীয় ফায়ারডিল সিরাপ জব্দ
পটুয়াখালীতে জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় তরুণদের নিয়ে অ্যাডভোকেসি সংলাপ
আত্রাইয়ে ৬৮ জন গ্রাম পুলিশ পেলেন বাইসাইকেল
Link Copied