হযরত শাহজালালসহ ৮ বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার
দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় জঙ্গি হামলার সতর্কতা জারির পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ ৮ বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, সাম্প্রতিক নিরাপত্তা ঝুঁকির পরিপ্রেক্ষিতে বিমানবন্দরগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ, টার্মিনাল এলাকা এবং সংবেদনশীল স্থাপনাগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সতর্কতার চিঠি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকেও দেওয়া হয়েছে। চিঠি পাওয়ার পরপরই বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করে। বিমানবন্দরের কর্মরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব ইউনিটকে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সূত্র আরও জানায়, বিমানবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানকে ঘিরে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা। গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। পোশাকে ও সাদা পোশাকে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সব ধরনের নিরাপত্তা হুমকি বিবেচনা করে পূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অ্যারাইভাল ও ডিপারচার সবক্ষেত্রে নিরাপত্তা তল্লাশিও জোরদার করা হয়েছে। কোনো কিছু অস্বাভাবিক দেখা মাত্রই দ্রুত রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।
এর আগে, নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি উগ্রবাদী সংগঠনের সমর্থকদের সম্ভাব্য নাশকতা পরিকল্পনা ঘিরে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি পুলিশ সদর দপ্তরের এক চিঠিতে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন কমিশনার ও সব জেলা পুলিশ সুপারসহ পুলিশের সব ইউনিটকে।
চিঠিতে বলা হয়, সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য ইসতিয়াক আহম্মেদ সামী ওরফে আবু বক্কর ওরফে আবু মোহাম্মদের সঙ্গে একটি বাহিনীর চাকরিচ্যুত দুই সদস্যের নিয়মিত যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এই চক্রটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা যেমন জাতীয় সংসদ ভবন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর স্থাপনা ও সদস্য, ধর্মীয় উপাসনালয়, বিনোদনকেন্দ্র এবং শাহবাগসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হামলার পরিকল্পনা করতে পারে।
বোমা বিস্ফোরণের পাশাপাশি দেশীয় ধারালো অস্ত্র বা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে হামলার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এছাড়া তারা বিভিন্ন বাহিনীর অস্ত্রাগারে হামলার পরিকল্পনাও করে থাকতে পারে বলে গোয়েন্দা তথ্যের ইঙ্গিত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ।
এ প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার, নজরদারি বৃদ্ধি এবং সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা জানান, সম্ভাব্য যেকোনো নাশকতা প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।
এমএসএম / এমএসএম
জুলাই অভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি করেছিল বিএনপি: এ্যানি
চলতি বছরেই শুরু স্থানীয় সরকার নির্বাচন: তথ্য উপদেষ্টা
গ্যাস সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
৫ দফা দাবিতে বুধবার থেকে সারাদেশে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটের ডাক
দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর তৈরিকারকদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর
মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান মির্জা ফখরুলের
দায়িত্ব ছাড়ার পর যেকোনো রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে: ডা. জাহেদ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সম্পূর্ণ প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন : সিইসি
বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করতে সংসদে সিইসি
হেপাটাইটিসমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করতে সংসদে সিইসি