বড়লেখায় ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ, স্মারকলিপি প্রদান
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ (দক্ষিন) ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত তহসিলদার) আশীষ কুমার সরকারের বিরুদ্ধে খাজনা আদায়ে অনিয়ম, উৎকোচ গ্রহণ, নামজারি প্রক্রিয়ায় হয়রানি এবং অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ এনে অর্ধশতাধিক ভুক্তভোগী জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
অভিযোগের অনুলিপি ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্থানীয় সংসদ সদস্য, দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক (সমন্বিত হবিগঞ্জ জেলা), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর কাছেও পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, আশীষ কুমার সরকার দক্ষিণভাগ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ভূমি মালিকদের খাজনা পরিশোধে নানাভাবে হয়রানি করছেন। পূর্বে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করা হলেও বর্তমানে তিনি পুরোনো রশিদকে ‘ভুয়া’ বা ‘জাল’ বলে দাবি করে দীর্ঘদিনের বকেয়া দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ খাজনা অনলাইনে এন্ট্রি করছেন। পরে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করে তুলনামূলক কম টাকার খাজনার রশিদ প্রদান করছেন বলে অভিযোগে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, খাজনা আদায়ের ক্ষেত্রে ভয়ভীতি প্রদর্শন, বিভিন্ন আইন-কানুনের জটিলতা দেখানো এবং অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কেউ প্রতিবাদ করলে রশিদ বাতিল কিংবা সার্টিফিকেট মামলা দিয়ে জমি খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
নামজারি (মিউটেশন) আবেদন প্রসঙ্গে অভিযোগে বলা হয়, আবেদনকারীদের অফিসে ডেকে জমির সীমানা, তফসিল, হিস্যা বা অন্যান্য বিষয়ে ত্রুটি দেখিয়ে আবেদন বাতিলের ভয় দেখানো হয়। পরে নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ দিলে প্রতিবেদন অনুকূলে দেওয়া হয়। আর অর্থ না দিলে আবেদন বাতিলের সুপারিশ করা হয়।
এছাড়া অবৈধভাবে কৃষিজমির উর্বর মাটি কেটে ইটভাটা ও বিভিন্ন স্থানে পরিবহনের মাধ্যমে পরিবেশ ও সড়কের ক্ষতি হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কার্যকর ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। বরং অবৈধ মাটি ব্যবসায়ী, ইটভাটা মালিক এবং ট্রাক-ট্রাক্টর মালিকদের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে এসব কার্যক্রমে পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগও আনা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, অবৈধ মাটি কাটার বিষয়ে প্রশাসনের অভিযান পরিচালনার আগেই সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে দেওয়ার ফলে অভিযানে কাঙ্কিত ফল পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা একাধিকবার ইউএনও ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর কাছে অভিযোগ করলেও কার্যকর প্রতিকার পাননি বলে দাবি করেন।
ভুক্তভোগী মতিলাল দাস অভিযোগ করেন, খাজনা পরিশোধ করতে গেলে তাকে প্রথমে ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৩৯০ টাকা বকেয়া দেখানো হয়। পরে আলোচনার একপর্যায়ে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা দিলে ৫০ হাজার টাকার রশিদ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন।
অভিযোগের এবিষয়ে জানতে চাইলে অস্বীকার করেছেন দক্ষিণভাগ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভারপ্রাপ্ত তহসিলদার আশীষ কুমার সরকার। তিনি বলেন, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
এবিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. তৌহিদুজ্জামান পাভেল জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এমএসএম / এমএসএম
হাটহাজারীতে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে দুস্থদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ
ইসলামী ব্যাংক নিয়ে ছিনিমিনি খেলার ষড়যন্ত্র এদেশের মানুষ হতে দেবে না
মুকসুদপুর রাতের আঁধারে বসতবাড়ির দেয়াল ভাঙচুর ও গাছ কাটার অভিযোগ
কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও মোবাইল ফোন জব্দ
তাড়াশে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন এমপি ভিপি আয়নুল হক
বড়লেখায় ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ, স্মারকলিপি প্রদান
দেশে খাল খনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, জবাবদিহিতা নিশ্চিতের দাবি এবি পার্টির
নওগাঁয় বাসের ধাক্কায় যাত্রী নিহতের ঘটনায় সড়ক অবরোধ
ঈদের আনন্দে মুখর ধামরাইয়ের আলাদীনস পার্ক, দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়
বাগেরহাট খান জাহান (রঃ) মাজার দীঘির কুমিরে নেয়া শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার
জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হলেন মোহাম্মদ মহসীন
গোদাগাড়ীতে ৪০০ দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ৫ লাখ টাকা নগদ অর্থ বিতরণ