ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬

বড়লেখায় ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ, স্মারকলিপি প্রদান


বড়লেখা প্রতিনিধি photo বড়লেখা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২-৬-২০২৬ দুপুর ৪:৯

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ (দক্ষিন) ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত তহসিলদার) আশীষ কুমার সরকারের বিরুদ্ধে খাজনা আদায়ে অনিয়ম, উৎকোচ গ্রহণ, নামজারি প্রক্রিয়ায় হয়রানি এবং অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ এনে অর্ধশতাধিক ভুক্তভোগী জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

অভিযোগের অনুলিপি ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্থানীয় সংসদ সদস্য, দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক (সমন্বিত হবিগঞ্জ জেলা), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর কাছেও পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, আশীষ কুমার সরকার দক্ষিণভাগ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ভূমি মালিকদের খাজনা পরিশোধে নানাভাবে হয়রানি করছেন। পূর্বে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করা হলেও বর্তমানে তিনি পুরোনো রশিদকে ‘ভুয়া’ বা ‘জাল’ বলে দাবি করে দীর্ঘদিনের বকেয়া দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ খাজনা অনলাইনে এন্ট্রি করছেন। পরে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করে তুলনামূলক কম টাকার খাজনার রশিদ প্রদান করছেন বলে অভিযোগে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, খাজনা আদায়ের ক্ষেত্রে ভয়ভীতি প্রদর্শন, বিভিন্ন আইন-কানুনের জটিলতা দেখানো এবং অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কেউ প্রতিবাদ করলে রশিদ বাতিল কিংবা সার্টিফিকেট মামলা দিয়ে জমি খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নামজারি (মিউটেশন) আবেদন প্রসঙ্গে অভিযোগে বলা হয়, আবেদনকারীদের অফিসে ডেকে জমির সীমানা, তফসিল, হিস্যা বা অন্যান্য বিষয়ে ত্রুটি দেখিয়ে আবেদন বাতিলের ভয় দেখানো হয়। পরে নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ দিলে প্রতিবেদন অনুকূলে দেওয়া হয়। আর অর্থ না দিলে আবেদন বাতিলের সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া অবৈধভাবে কৃষিজমির উর্বর মাটি কেটে ইটভাটা ও বিভিন্ন স্থানে পরিবহনের মাধ্যমে পরিবেশ ও সড়কের ক্ষতি হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কার্যকর ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। বরং অবৈধ মাটি ব্যবসায়ী, ইটভাটা মালিক এবং ট্রাক-ট্রাক্টর মালিকদের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে এসব কার্যক্রমে পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগও আনা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, অবৈধ মাটি কাটার বিষয়ে প্রশাসনের অভিযান পরিচালনার আগেই সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে দেওয়ার ফলে অভিযানে কাঙ্কিত ফল পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা একাধিকবার ইউএনও ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর কাছে অভিযোগ করলেও কার্যকর প্রতিকার পাননি বলে দাবি করেন।

ভুক্তভোগী মতিলাল দাস অভিযোগ করেন, খাজনা পরিশোধ করতে গেলে তাকে প্রথমে ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৩৯০ টাকা বকেয়া দেখানো হয়। পরে আলোচনার একপর্যায়ে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা দিলে ৫০ হাজার টাকার রশিদ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন।

অভিযোগের এবিষয়ে জানতে চাইলে অস্বীকার করেছেন দক্ষিণভাগ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভারপ্রাপ্ত তহসিলদার আশীষ কুমার সরকার। তিনি বলেন, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

এবিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. তৌহিদুজ্জামান পাভেল জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এমএসএম / এমএসএম

ধামইরহাটে প্রধানমন্ত্রী’র নির্দেশক্রমে অসুস্থ যুবদল নেতাকে চিকিৎসা সহায়তা দিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আখরাজুল ইসলাম

ধামইরহাটে উৎসবমূখর পরিবেশে কারাম উৎসব উদযাপন

প্রশাসনিক অযুহাতে লালমনিরহাটে নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশনের পরিচিতি সভা পণ্ড

কুতুবদিয়ায় আদালতের ১৪৪ ধারা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ: রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা

মুরাদনগরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, সাবেক ইউপি সদস্যসহ আহত ৫

কাউনিয়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

কালিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

পেকুয়ায় স্বর্ণের দোকানে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, আটক কর্মচারী

ভোলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল, ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিও

দাউদকান্দিতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত, সচেতনতায় গুরুত্ব

পত্নীতলায় বিষ প্রয়োগে ২ একর জমির ধান নষ্টের অভিযোগ

বকশীগঞ্জে ভিডিও ধারণে নিষেধ করায় পরিবারের ওপর হামলা, শিক্ষার্থীসহ আহত ৭

দুমকীতে ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ