লালমনিরহাটে উজ্জ্বল হত্যা: আসামিরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে, মহাসড়কে আন্দোলন
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় প্রকাশ্য দিবালোকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে জখম করার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া যুবক মোঃ উজ্জ্বল মিয়া (২৮) হত্যাকাণ্ডের আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে লালমনিরহাট। ঘটনার ৯ দিন পেরিয়ে গেলেও থানা পুলিশ কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে লালমনিরহাট শহরের মিশন মোড়ে নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে এক বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে বিক্ষুব্ধ জনতা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
মানববন্ধনে অংশ নেন নিহত উজ্জ্বলের ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা মা রহিমা বেওয়া, তাঁর অবুঝ দুই কন্যাসন্তান ও স্ত্রী। এ সময় নিহতের মা ও স্ত্রীর আহাজারিতে মিশন মোড় এলাকার বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২ জুন সকাল আনুমানিক ৯টার সময় আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের তালুক দুলালী (বারোঘড়িয়া) গ্রামে নিজ বসতবাড়ির গেটের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন উজ্জ্বল মিয়া। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাঁর চাচাতো ভাই মোঃ আলমগীর হোসেন (আনন্দ) রাম-দা নিয়ে এসে পিছন থেকে কোনো কারণ ছাড়াই উজ্জ্বলকে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করেন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে উজ্জ্বলের বাম হাত ও বাম পায়ের হাঁটুর ওপরের অংশ গুরুতর জখম হয় এবং রগ কেটে যায়। পরে আরও কয়েকজন আসামি লাঠিসোঁটা ও ধারালো ছোরা নিয়ে উজ্জ্বলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়।
স্থানীয়রা উজ্জ্বলকে উদ্ধার করে প্রথমে আদিতমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গত ৭ জুন দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ১০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান উজ্জ্বল।
নিহতের মা রহিমা বেওয়া অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার দিন বিকালেই আমরা আদিতমারী থানায় বিস্তারিত জানিয়ে এজাহার দায়ের করেছিলাম। কিন্তু পুলিশ আজ পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। থানায় গেলে শুধু বিভিন্ন কথা বলে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। আমার ছেলেটাই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিল। এখন তাঁর দুই ছোট মেয়ে আর বউকে নিয়ে আমি কোথায় দাঁড়াব? আমি আমার ছেলের খুনিদের ফাঁসি চাই।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরও আসামিরা বুক ফুলিয়ে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা তুলে নেওয়ার জন্য পরিবারটিকে হুমকি দিচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনের এমন নিষ্ক্রিয়তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেপ্তার করা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
স্মারকলিপি গ্রহণের পর জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আসামিদের দ্রুত খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
Aminur / Aminur
সরকারি চাকরির শুরুর বেতন ৫০০ টাকা, এখন ছয়তলা ভবন- প্রাইভেট গাড়ি-সম্পত্তি
ফেনীতে লায়ন্স ক্লাবের বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা, চশমা ও ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ
দাউদকান্দিতে সৌরবিদ্যুৎচালিত স্মার্ট অটোমেশন পানি সরবরাহ প্ল্যান্ট চালু
স্মার্ট টিকেটিংয়ের মাধ্যমে আধুনিকায়ন হবে গণপরিবহন ব্যবস্থা
শান্তিগঞ্জে গীতিকবি প্রতাপ রঞ্জন তালুকদারের প্রয়াণ দিবসে ধামাইল উৎসব
রায়গঞ্জে পুকুরে ভাসছিল বৃদ্ধের মরদেহ
নরসিংদীতে অস্ত্র-মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ৩৩
উল্লাপাড়ায় আগাম সবজির স্বপ্ন"সারের অদৃশ্য দেয়াল
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ
শান্তিগঞ্জে রোপা আমন ধানে আলোক ফাঁদে পোকার উপস্থিতি নির্ণয়
ফাইতংয়ে অবৈধ ইটভাটায় প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান: ২৯ লাখ টাকা জরিমানা, কর বা টোল না নেওয়ার নির্দেশ
দায়িত্ব নিল ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া সংস্থার নবনির্বাচিত কমিটি