ফাইনালের আরও কাছে পৌঁছে গেল সাকিবের কলকাতা
আইপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। শেষ ওভারের চতুর্থ বলে ১ রান নিয়ে কলকাতার জয় নিশ্চিত করেন সাকিব। তাতে ফাইনাল খেলার আরও কাছে চলে গেল নাইটরা। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে জিতলেই স্বপ্নের ফাইনাল খেলবে মরগানের দল।
শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবার রাতে কলকাতার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৮ রান করে কোহলিরা। এরপর ভালো সূচনার পরও শেষ দিকে কিছুটা খেই হারালেও শেষ পর্যন্ত নাইটরা ১৯.৪ ওভারে চার উইকেট হাতে রেখেই রোমাঞ্চকর জয়লাভ করে। কোলকাতার এই জয়ে ছিটকে পড়ে কোহলির ব্যাঙ্গালুরু
তাতে আরও একবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন চূর্ণ হলো বিরাট কোহলির রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর। বরাবরই তারকাসর্বস্ব দল নিয়ে ট্রফি ছুঁতে না পারা ব্যাঙ্গালুরু এবারও ফিরছে আক্ষেপ নিয়ে। শেষ ওভার পর্যন্ত চেষ্টা করেও মরগানদের আটকাতে পারেননি বিরাট কোহলি।
১৩৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে কলকবাতার শেষ ওভারে দরকার ছিল ৭ রান। প্রথম বলেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে সব উত্তেজনা পানি করে দেন সাকিব। জয়সূচক এক রানও আসে টাইগার অলরাউন্ডারের ব্যাট থেকে। ৬ বলে ৯ রানে অপরাজিত থাকেন সাকিব।
শুরুতেই রান পায় কলকাতা। ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন ভেঙ্কাটেশ আয়ার ও শুভমন গিল। ১৮ বলে ২৯ রান করে গিল ও ৩০ বলে ২৬ রান করে আউট হন আয়ার। ১৫ বলে ২৬ রান করেন নারিন। মাঝে ১৬ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল কলকাতা। তবে সাকিব আর মরগান (৫) দলকে বিপদে পড়তে দেননি। ইনিংসের ২ বল বাকি থাকতে কলকাতা পায় ৪ উইকেটের শ্বাসরুদ্ধকর জয়।
টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ব্যাঙ্গালুরু অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এই ম্যাচে প্রথম ওভারেই সাকবের হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক মরগান। প্রথম ওভারে ৭ রান দিয়ে অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দেন সাকিব। নিজের পরের ওভারে এসে দেন মাত্র ৪ রান।
বেঙ্গালুরুকে ভালো শুরু এনে দেন দেবদূত পাড্ডিকেল ও অধিনায়ক কোহলি। ৪৯ রানের উদ্বোধনী জুটির পর সাজঘরে ফেরত যান পাড্ডিকেল। এরপরই চেপে ধরেন কলকাতার স্পিনাররা। সাকিব, সুনীল নারিন, বরুণ চক্রবর্তীদের ঘূর্ণি সামলাতে পারেননি কোহলিরা।
ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলেই ২১ রান করা পাড্ডিকালকে সাজঘরে পাঠিয়ে দেন লকি ফার্গুসন। আর সুনিল নারিনের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৩৩ বলে ৩৯ রান করেন কোহলি। এরপর শ্রিকার ভারতকে ৯ রানে সাজঘরে পাঠিয়ে দেন নারিন।
ভিলিয়ার্সের ব্যাট থেকে আসে ১১ রান আর ম্যাক্সওয়েল করেন ১৫ রান। এর বাইরে ১৩ রান আসে শাহবাজ আহমেদের ব্যাট থেকে। শেষদিকে হার্শাল প্যাটেলের ৮ রানের সুবাদে ব্যাঙ্গালুরুর সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৮।
কলকাতার পক্ষে সবচেয়ে সফল সুনিল নারিন। ২১ রান খরচায় নিয়েছেন চারটি উইকেট। পেসার লকি ফার্গুসনের শিকার দুই উইকেট। কোনো উইকেট না পেলেও চার ওভারে মাত্র ২৪ রান খরচ করেন সাকিব।
প্রীতি / প্রীতি
স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমে হাতে লেখা চিঠি রেখে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ল ইরান
বড় পরাজয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ
টসে জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে তিন পরিবর্তন
তিউনিসিয়ার বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে ইতিহাস গড়ে জিতল জাপান
বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে উড়িয়ে বাড়তি আনন্দ বাংলাদেশের
১১ বলে ফিফটি করে সূর্যবংশীর বিশ্বরেকর্ড
নকআউট পর্ব নিয়ে যা ভাবছেন আনচেলত্তি
নিজের গানে প্রিয় দলের জন্য পড়শীর উচ্ছ্বাস
৬৪ সেকেন্ডের গোলে তুরস্ককে বিদায় করল প্যারাগুয়ে
স্কটল্যান্ড ম্যাচেই মাঠে ফিরছেন নেইমার
হাইতিকে উড়িয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল
দ্বিতীয় ম্যাচে নামার আগে বড় দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ