এম এইচ মুকুল
“ফলের গপ্পো (পুঁথি)”
শোনেন শোনেন দেশবাসী, শোনেন দিয়া মন
ছয়টি ঋতুর বাংলাদেশে, কত আয়োজন
আজকে বলি ফলের কথা, শোনেন শ্রোতাগণ বন্ধু হে।
গ্রীষ্ম কালীন সুস্বাদু ফল, আম জাম কাঁঠাল ভাই
লোভ লেগে যায় নাম শুনিলেই, স্বাদের জুড়ি নাই
সোডিয়াম, প্রোটিন, শর্করা, পাকা আমে পাই বন্ধু হে।
কাঁঠাল বলে গর্ব করে, আমিও কি কম?
জাতীয় ফল সবাই জানে, ধন্য এ জনম
পুষ্টি বাড়াই দেহের ভিতর, দুর্বলেরই জম বন্ধু হে।
জামে আবার ওদের গুনগান, যেইনা শুনতে পায়
মুচকি হেসে ঠোঁট রাঙিয়ে, বলতে শোনা যায়
রুচিতে সে সেরা নাকি, ক্যালসিয়াম বাড়ায় বন্ধু হে।
লিচু দেখি হঠাৎ করে এসে হাজির হয়
তারও আছে আজব শক্তি, রস ছাড়িয়া কয়
শর্করা আমিষ ক্যালসিয়াম টিউমার করে ক্ষয় বন্ধু হে।
গড়গড়িয়ে তরমুজ আসে, ফলের মেলায় ভাই
খরানকালে সবার আগে, সেই করে নেয় ঠাঁই
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় সে, আরো জানতে পাই বন্ধু হে।
বেল তলাতে যাইতে মনে, লাগে ভীষণ ডর
কখন জানি চাঁন্দি ফাটে, হইয়া যায় খবর
তবুও সে ভালো করে, পেটেরও কামড় বন্ধু হে।
পেয়ারা, সফেদা, আমড়া, মিলে হয় এক দল
পেশীটা ফুলিয়ে বলে, চল্ এখুনি চল্
দেখাবো আজ ক্যামনে বাড়ে, মানব দেহের বল বন্ধু হে।
জামরুল বলে হায়রে কপাল, কী দোষ করিলাম
আমিও যে উপকারী, নাই ক্যান্ আমার নাম?
ডায়বেটিসের রোগী জানে, আমার কত দাম বন্ধু হে।
বানরের ন্যায় ঝুলে ঝুলে, লটকন হেসে কয়
অম্ল মধুর পুষ্টিগুণে, দাম আমার কম নয়
তাদের জিগাও আমি কেমন, যাদের বমি হয় বন্ধু হে।
কলা, পেঁপে, আনারসে, বলে শোনো ভাই
তর্কাতর্কি অনেক হইলো, এবার যাওয়া চাই
শেষে জিহ্বায় সুরসুরি দেয়, বরই আর জলপাই বন্ধু হে।
শান্তা / শান্তা
Link Copied