মীর ফয়সাল নোমান
“নিরামিষ নেকড়ে”
এক জঙ্গলের রাজা সিংহ, তার প্রজাদের নিয়ে বসবাস করতো। প্রজারা বেশ সুখে শান্তিতেই দিন কাটতে ছিল। একদিন জঙ্গলে হঠাৎ এক আহত নেকড়ে এসে হাজির হলো। নেকড়ের এই অবস্থা দেখেই জঙ্গলের রাজা সিংহ প্রজাদের নির্দেশ দিল, দ্রুত তাকে সুস্থ করে তুলতে।
কিছুক্ষণের মধ্যেই নেকড়ের জ্ঞান ফিরলো। তাকে কিছু মাংস খেতে দেওয়া হল। কিন্তু নেকরে
সে মাংস খেতে অস্বীকৃতি জানালো। সিংহ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল। কেন তুমি মাংস খাবে না? নেকড়ে বলল আমি শুধু নিরামিষ খাই। কখনোই মাংস খাইনা। সিংহ আরও অবাক হয়ে, হাতি-কে নির্দেশ দিল। তুমি এক্ষুনি বনের গাছ থেকে পাকা কলা নিয়ে আসো। মিষ্টি কলা পেয়ে নেকড়ে মন ভরে খেয়ে বনের একটি গুহায় আরাম করে শুয়ে পড়লো।
অবাক ব্যাপার হলো। ঐ গুহার ভিতরে অন্য প্রাণীরা যখন কিছু খাবার নিয়ে প্রবেশ করত, নেকড়ে তাদেরকে কপাৎ কপাৎ করে জ্যান্ত খেয়ে ফেলত। এভাবে ধীরে ধীরে জঙ্গলের অনেক প্রাণী উধাও হতে থাকলো। জঙ্গলের রাজা ভীষণ চিন্তায় পড়ে গেল। এবং শেষমেষ সন্দেহ হলো নিশ্চয়ই এটা নেকড়ের কাজ। পরক্ষণেই আবার মনে হলো নেকড়ে
তো নিরামিষ ভুজি। সে তো কখনোই মাংস খায় না!
তখন শিয়াল এসে বললো রাজা মশাই আমারও নেকড়ে প্রতি সন্দেহ হচ্ছে। শেয়াল বনের রাজা সিংহ কে বুদ্ধি দিল। আপনি নেকড়ে কে রাজ দরবারে ডেকে পাঠাবেন। আর আমি এই সুযোগে নেকড়ে গুহা অনুসন্ধান করব। দেখি কোনো মৃত প্রাণীর আলামত কিংবা হাড্ডি পড়ে আছে কিনা। শেয়াল নেকড়ের গুহা পরিদর্শন করে রাজাকে জানায়, আপনি নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না। নেকড়ে আসলে নিরামিষ ভোজীর কথা বলে আপনার সাথে প্রতারণা করেছে। নেকড়ে গুহায় বসে কৌশলে অসংখ্য প্রাণী কে হত্যা করে খেয়ে ফেলেছে।
এবার রাজা ভীষণ ক্ষেপে গিয়ে। হাতিকে নির্দেশ দিল। তোমার সুর পেচিয়ে আঘাত করতে থাকো। এর প্রতিশোধ আমি নিজের চোখে দেখতে চাই। এক পর্যায়ে নেকড়ে মারা গেলো।
সেদিনের পর থেকে জঙ্গলের আর কোন প্রাণী মারা যায়নি। এবং ধীরে ধীরে জঙ্গলের প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি হতো থাকলো। জঙ্গলে পূর্বের ন্যায় সুখ শান্তি ফিরে এলো। অতঃপর রাজা এবং প্রজারা বেজায় খুশি হল।
শান্তা / শান্তা
‘নজরুল বর্ষ: কেবল একটি বর্ষপঞ্জি নয় মানবিক মূল্যবোধের পুনর্জাগরণের আন্দোলন’
`নজরুল জাতীয় জীবনের এক অনন্য আলোকবর্তিকা—সাবেক রাষ্ট্রদূত ও নজরুল একাডেমির সভাপতি মসউদ মান্নান''
‘দুঃখ ভাঙার রূপকথা’ সুলেখা আক্তার সান্তা
‘শরৎ এলো’
‘ঘুরে দাঁড়ানো’
‘ক্ষুধার্থের সমীকরণ’
‘ভাগ’
‘দায়িত্বের বৃক্ষ’ আলিফা তাবাচ্ছুম শিখা
`কিছু স্মৃতি শব্দ চায় না' মুহাম্মদ আকাশ মিয়া
প্রিয় রাসুল ( সা:)
“পাখির বাড়ি” সুলেখা আক্তার শান্তা
“বাইপাস” হিলারী হিটলার আভী