পটুয়াখালীতে জলাবদ্ধতায় নাকাল পৌর শহর, দ্রুত পদক্ষেপ চান বাসিন্দারা,
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্যের প্রভাবে পটুয়াখালীতে গত এক সপ্তাহ ধরে থেমে থেমে মাঝারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে৷
এতে অনেকটা স্থবিরতা নেমে এসেছে। টানা বৃষ্টিতে পানি বন্দি হয়ে পড়েছে নিচু এলাকার অনেক পরিবার। শহর থেকে গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন সড়ক এবং নিচু স্থানে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
পটুয়াখালী শহরের বিভিন্ন সড়ক, অলিগলি ও নিচু এলাকা জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৫১ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে জেলা আবহাওয়া অফিস।
এতে বহু বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। জলাবদ্ধতার জন্য অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও ড্রেনে পলি জমে থাকাকে দায়ী করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
রাতের টানা বৃষ্টিতে পটুয়াখালী শহরের বিভিন্ন সড়ক, অলিগলি ও নিম্নাঞ্চলে পানি জমে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ে। পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারেনি। ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের শ্রমজীবিরা।
পটুয়াখালী শহরের বাসিন্দা পার্থ বলেন, "রাত থেকেই বাসার উঠান ও নিচতলায় পানি উঠে যায়। সকালে পানি কিছুটা কমলেও অনেক জিনিসপত্র নষ্ট হয়েছে। প্রতিবছর বর্ষায় একই দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কোনো এক অজ্ঞাত কারণে আমাদের এই এলাকার ড্রেনটি এখনো কাঁচা। তার ওপর ড্রেনে পলি জমে থাকায় বৃষ্টি হলেই আমরা চরম ভোগান্তিতে পড়ি। পৌর প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ আশা করি।"
স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি হলেও জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। বিশেষ করে কাঁচা ড্রেন ও নিয়মিত পরিষ্কারের অভাবে সামান্য ভারী বৃষ্টিতেই পানি জমে বাসাবাড়ি ও সড়কে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
এদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, রিকশা-ভ্যানচালকসহ নিম্ন আয়ের মানুষ। বৃষ্টির কারণে অনেকেই কাজে বের হতে পারেননি, ফলে দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলো আর্থিক সংকটে পড়েছে।
রিকশাচালক মো. হাসান বলেন, "সকাল থেকে বৃষ্টি। রাস্তায় মানুষ কম, যাত্রীও নেই। সারাদিনে যা আয় হয়, আজ তার অর্ধেকও হয়নি। সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।"
দিনমজুর মো. জাফর বলেন, "বৃষ্টি হলে কাজ থাকে না। কাজ না করলে আয়ও নেই। পরিবারের খাবার জোগাড় করাই এখন সবচেয়ে বড় চিন্তা।"
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৫১ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী কয়েকদিনও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। একই সঙ্গে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
এদিকে উত্তাল রয়েছে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর। উপকূলীয় এলাকা দিয়ে আজও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই পটুয়াখালীর পায়রা সহ দেশের সব সমুদ্র বন্দরকে ০৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকে দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। মাছধরা ট্রলার সমূহকে নিাপাদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
Aminur / Aminur
কোটি টাকার বিনিময়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ থেকে ছাত্রদলে ‘ফেন্সি মাহাবুব’, ১৯ দিনেই অব্যাহতি
রাণীনগরে লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ,দুই ব্যবসায়ীর অর্থদণ্ড
কুড়িগ্রামে যুবশক্তির নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটির সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত
অবৈধভাবে গাছ কর্তনের অভিযোগে বাগান ম্যানেজারের বিরুদ্ধে মামলা
টানা বৃষ্টিতে বারহাট্টার জনদুর্ভোগ চরমে
চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যা : প্রাণহানি বেড়ে ৫০, ক্ষতিগ্রস্ত ৮০ হাজার বসতবাড়ি
নাচোলে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত
সরকার নির্ধারিত দামের বেশি মূল্যে সার বিক্রি, ভাউচার না দেওয়ায় ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা
চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত, চার উপজেলায় পানিবন্দি ৮ লাখ মানুষ
মানববন্ধনের পর ইসলামপুরে নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে পানি উন্নয়ন বোর্ড
বিলাইছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা
শালিখায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত