ঢাকা শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

রিভার ওয়েভ অ্যাকশন প্ল্যান এর অধীনে রাজস্ব ভিত্তিক অথার্য়ন এর মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এনার্জিপ্যাক


প্রেস বিজ্ঞপ্তি photo প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশিত: ২৩-৭-২০২৬ দুপুর ৪:৬

এনার্জিপ্যাক গ্রুপ বর্তমানে রাজস্বভিত্তিক (Revenue-based) অর্থায়নের মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। গ্রুপের তিনটি কোম্পানিতে পর্যাপ্ত ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল না থাকায় কারখানাগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় ৭৫% সক্ষমতায় পরিচালনার লক্ষ্যে কোম্পানি ও ব্যাংকগুলোর মধ্যে একটি সমন্বিত আর্থিক সমাধান (Financial Solution) নিয়ে আলোচনা চলছে। ব্যাংকগুলোর সহযোগিতায় একটি চূড়ান্ত আর্থিক বিনিয়োগ (Financial Arrangement) সম্পন্ন করে বর্তমান আর্থিক সংকট কাটিয়ে ওঠাই তাদের মূল লক্ষ্য।
এনার্জিপ্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড গ্রুপের মূল (Parent) কোম্পানি। গ্রুপের ঋণ পুনঃতফসিল (Rescheduling) হওয়ার পর গত ছয় মাসে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১,১০০ কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের ওয়ার্ক অর্ডার (Notice of Award) অর্জন করেছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পর্যাপ্ত ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ফাইন্যান্সিং প্রয়োজন। যেহেতু সরকারি প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হয়, তাই সময়মতো ব্যাংক থেকে অর্থায়ন না পেলে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন কোম্পানির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। এর ফলে সরকারের রাজস্ব আদায়, ভ্যাট ও কর (NBR Revenue) ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পাশাপাশি নেপাল ও ভারতে কোম্পানির চলমান রপ্তানি কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হবে।
গ্রুপের আরেকটি তালিকাভুক্ত (Listed) প্রতিষ্ঠান এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসি। এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রধান ব্যবসা এলপিজি (LPG), যেখানে প্রায় ১,২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু গত চার বছরে সময়মতো এলসি (LC) খুলতে না পারা এবং এলপিজি আমদানিতে বিলম্বের কারণে কারখানাটি মাত্র ১০% সক্ষমতায় পরিচালিত হয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর ঋণের কিস্তি (EMI) ও সুদ পরিশোধ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
এই প্রতিষ্ঠানের আরও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ রাজস্ব উৎস রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো স্টিল স্ট্রাকচার বিভাগ। এই বিভাগ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, সান্তা মারিয়া/অন্যান্য বাণিজ্যিক ভবন, বার্জার, ফকির ফ্যাশনসহ বিভিন্ন বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের স্টিল স্ট্রাকচার নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেছে। কিন্তু সময়মতো ব্যাংকের মাধ্যমে এলসি খুলে স্টিল ও প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানি করা সম্ভব না হওয়ায় বর্তমানে এ কারখানাটিও প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে।
এছাড়া গ্রুপের আরও দুটি উৎপাদন ইউনিট রয়েছে। এর মধ্যে একটি গাজীপুরে অবস্থিত, যেখানে বাণিজ্যিক যানবাহন অ্যাসেম্বলিং করা হয়। একই কারখানায় নিজস্ব প্রযুক্তিতে জেনারেটরও অ্যাসেম্বলিং করা হয়। কাঁচামাল আমদানিতে জটিলতা এবং ওয়ার্কিং ক্যাপিটালের সংকটের কারণে এই দুটি কারখানাও প্রায় বন্ধ হওয়ার অবস্থায় রয়েছে।
এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসির বিপুল সংখ্যক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী (Shareholder) রয়েছে। তাদের স্বার্থ বিবেচনায় কোম্পানির দাবি, তাদের উৎপাদিত প্রায় সব পণ্যেরই বাজারে উল্লেখযোগ্য চাহিদা রয়েছে। কিন্তু পর্যাপ্ত ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল না থাকায় সেই চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না।
প্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ব্যাংক থেকে সময়োপযোগী ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সহায়তা পাওয়ার পাশাপাশি নিজেদের কিছু সম্পদ (Asset) বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ২০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এরপর ধারাবাহিকভাবে পাঁচ বছর ব্যবসা পরিচালনা করতে পারলে কোম্পানিটি পুঁজিবাজার (Capital Market) থেকে রাইট শেয়ার বা অন্যান্য আর্থিক উপায়ে আরও প্রায় ১৮০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে সক্ষম হবে বলে আশা করছে।
কোম্পানির মতে, সময়মতো ব্যাংকগুলোর সহযোগিতা পেলে অল্প সময়ের মধ্যেই তারা আবারও আগের অবস্থানে ফিরতে পারবে। একসময় গ্রুপটির বার্ষিক টার্নওভার ১,০০০ থেকে ১,২০০ কোটি টাকা ছিল। যথাযথ অর্থায়ন নিশ্চিত হলে আগামী এক বছরের মধ্যেই সেই অবস্থানে ফিরে যাওয়া সম্ভব হবে বলে তাদের বিশ্বাস।
গ্রুপের আরেকটি প্রতিষ্ঠান এনার্জিপ্যাক ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড, যা বাংলাদেশে প্রথম এলইডি (LED) সাশ্রয়ী ল্যাম্প বাজারে আনে। গাজীপুরের হোতাপাড়ায় অবস্থিত এ কারখানায় সুইচ, সকেটসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক পণ্য উৎপাদন করা হয়। কিন্তু ওয়ার্কিং ক্যাপিটালের অভাবে এই কারখানাটিও বর্তমানে প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ব্যাংকগুলোর প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে গ্রুপের তিনটি কোম্পানির অধীনে থাকা ১০ থেকে ১২টি কারখানা আবারও প্রায় ৭৫% সক্ষমতায় পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এর ফলে কোম্পানিগুলো পুনরায় লাভজনক অবস্থায় ফিরে আসবে এবং ব্যাংকগুলোর ঋণও পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করতে সক্ষম হবে বলে তারা আশা করছে।
 এ  বিষয় এনাজি প্যাকের চীফ ফাইন্যান্সিক্যাল অফিসার(CFO)মো.আমিনুর রহমান খান বলেন।

এমএসএম / এমএসএম

পুরান ঢাকায় চার দিনব্যাপী নারী উদ্যোক্তা মেলা শুরু

ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদের জন্মদিন আজ

গ্লোবাল ব্র্যান্ড অব দ্য ইয়ার’ স্বীকৃতি পেল বিওয়াইডি

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির ৯৩১তম সভা অনুষ্ঠিত

গ্রাউন্ড সার্ভিস আধুনিকায়নে ২২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে ইউএস-বাংলা

ওয়ালটনের ফ্রিজ কিনে ঘরভর্তি পণ্য উপহার পেলেন চট্টগ্রামের রীমা

জাতীয় সংবিধান দিবস উপলক্ষে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে বর্ণাঢ্য ‌র‌্যালি

উপকূলীয় আনসারদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ সমাপনীতে গণপ্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি পণ্য উৎপাদন, বিএসটিআইয়ের অভিযানে এক লাখ টাকা জরিমানা

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এবং কনকর্ড হেলথকেয়ার গ্রুপের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বিএসটিআই'র অভিযান

উদ্যোক্তাদের মহা-মিলনমেলায় দেশের প্রথম ‘সুখের শহর হ্যাপিলি’র মহাপরিকল্পনা উন্মোচন