নবীনগরের বাঙ্গরা বাজারে উচ্ছেদ অভিযান: একপক্ষের স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ, নেপথ্যে ইন্ধনের গুঞ্জন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজারে খালের পশ্চিম পাড়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। তবে অভিযানের নিরপেক্ষতা নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। খালের দুই পাশ ও যাতায়াত পথে অন্যান্য অবৈধ ও নির্মাণাধীন দোকান বহাল তবিয়তে থাকলেও শুধু নির্দিষ্ট এক পরিবারের মালিকাধীন দোকানপাট লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,বুধবার (২২ জুলাই) সকালে নবীনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) খালেদ বিন মনসুর বাঙ্গরা বাজারের খালের পশ্চিম পাশে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথে খালের পাড়ে ও আশপাশে বিভিন্ন নতুন ও পুরাতন নির্মাণাধীন দোকান দেখা গেলেও সেগুলোর বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।বুধবার (২২ জুলাই) ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল্লাহ রবি ও তার পরিবারের মালিকানাধীন দোকানগুলো উচ্ছেদ করা হয়। অথচ বাজারের অন্যান্য অংশ এবং খালের দুই পাড়ের বাকি অবৈধ দোকানগুলো প্রশাসনের নজরে আসেনি কিংবা সেগুলোর বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র অসন্তোষ ও গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে যে, এই একপেশে উচ্ছেদ অভিযানটি কি কারো বিশেষ ইন্ধনে পরিচালিত হয়েছে কি না।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতিনিধি রবি চেয়ারম্যানের ভাই আবুল বাশার বলেন,
"বাঙ্গরা বাজারে আগের উচ্ছেদ অভিযানের কারণে অনেক দোকানদার চরম নিরুপায় ও অসহায় হয়ে পড়েছিলেন। তাদের সেই অসহায়ত্বের কথা বিবেচনা করে আমরা পরিবারের সবার সাথে আলোচনা করে আমাদের ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গার পাশে নিজেদের অর্থে তাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি। অথচ অন্য সব দোকান রেখে শুধু আমাদের ওপর এই উচ্ছেদ চালানো হলো।"
বৃহস্পতিবার (জুলাই ২৩)সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, বাঙ্গরা বাজার খালের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীদের স্থাপনা ও অস্থায়ী দোকানপাট এখনও বহাল রয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট একটি পক্ষের ওপর প্রশাসনের এমন কঠোর পদক্ষেপের কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহের জন্ম দিয়েছে। পক্ষপাতদুষ্ট এই অভিযানের নেপথ্যে প্রকৃত কারণ কী এবং কেন দ্বিমুখী নীতি অবলম্বন করা হলো, তা নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
শুধু খালের পশ্চিম পাশে অভিযান পরিচালনা করেছেন এর আশেপাশে তো আরো দোকান ছিলো ঐগুলিতে অভিযান পরিচালনা বা উচ্ছেদ করবেন কিনা জানতে চাইলে এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খালেদ বিন মনসুর জানান,রোডস এন্ড হাইওয়ে এর সাথে যোগাযোগ করেন।তাহলে পশ্চিম পাশে যে উচ্ছেদ অভিযান করেছেন এগুলিও তো রোডস এন্ড হাইওয়ের জায়গা এগুলিতে কিভাবে উচ্ছেদ অভিযান করেছেন? জবাবে তিনি জানান,রোডস এন্ড হাইওয়ের ম্যাজিস্ট্রেটের দরকার ছিল তাই আমি গিয়েছি।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বাজার এলাকায় সকলের জন্য সমান নীতি প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন।
এমএসএম / এমএসএম
তরুণরা চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হতে হবে, ইসমাইল জবিউল্লাহ
বরগুনায় জি,টিভির প্রাইভেটকারও ইজিবাইকের সংঘর্ষে নিহত -২
পর্যটন ও পরিবেশ সুরক্ষায় কুয়াকাটায় তারুণ্যের উৎসব
পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নাই,চাল আসবাবপত্র সব পুড়ে ছাই
শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে শালিখা থানা পুলিশের মোটরসাইকেল মহড়া
চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিন উন্নয়ন প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের অধিগ্রহণের চেক বিতরণ
এসি বাস চালু হতেই ফের বাধা, বাঁশখালীতে আটকে দেওয়া হলো এসআর পরিবহনের দুই এসি বাস
কুমিল্লা কবি পরিষদের দাউদকান্দি শাখার সভাপতি আমিনুল হক, সাধারণ সম্পাদক শাকিল সরকার
সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান
গোপালগঞ্জে সাইফুর রহমান নান্টুর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
কক্সবাজার জেলা ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন
সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান