ভবদহ অধ্যুষিত মুক্তেশ্বরী নদীর বেড়িবাঁধ ধ্বসে গিয়ে নতুন করে ৫ গ্রাম প্লাবিত
ভবদহ অধ্যুষিত মুক্তেশ্বরী নদীর বেড়িবাঁধ ধ্বসে গিয়ে নতুন করে মনিরামপুরের পূর্বাঞ্চলের ৫ গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়েছে। দ্রুত বেড়িবাঁধ মেরামত না করলে নতুন আরও অনেক গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশংকা করছে ভবদহ বিলপাড়ের ভুক্তভোগী জনগন। উপজেলার লখাইডাঙ্গা গ্রাম সংলগ্ন মুক্তেশ্বরী নদীর বেড়িবাঁধ ও বিল কেদেরিয়ার ৩ নম্বর বেড়িবাঁধ ধ্বসে গিয়ে নতুন করে ৫ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
গত কয়েকদিনের টানা আকাশ বৃষ্টি ও উজানের ঢল ও ভবদহ স্লুইচগেট দিয়ে পানি নিষ্কাশিত না হওয়ায় ভবদহ সংলগ্ন অর্ধশত গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়েছে। জলাবদ্ধতার শিকার হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,সড়কসহ অনেক উপসনালয়। ভেসে গেছে শত শত মাছের ঘের। এতে পানি বন্দী হয়ে প্রায় এক লাখ মানুষ মানবেতর জীবন-যাপন করছে।
এদিকে ১শ’ ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নদী ও খালের ৮১.৫ কিলোমিটার খনন কাজ ভবদহ বিলের পাড়ের মানুষের দুর্ভোগ লাঘোবে আশা জাগিয়েছিল। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে ভবদহ অঞ্চলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় সেই আশা এখন নিরাশায় পরিনত হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে পানি নিষ্কাশনে বাঁধার কারন চিহ্নিত করে রোববার থেকে কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এতে পানি নামতে শুরু করলেও বেড়িবাঁধ ভেঙে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় ভবদহ পাড়ের ভুক্তভোগী জনগন শঙ্কিত হয়ে পড়েছে। উপজেলার পাঁচাকড়ি, বালিদহ, নেহালপুর,লখাইডাঙ্গা, দিঘলিয়া, পোড়াডাঙ্গা গ্রাম বেড়িবাঁধ ভেঙে গিয়ে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। তবে, দ্রুতই পানির বন্দীদশা থেকে মুক্তি মিলবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছেন।
জানা যায়, ভবদহের জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে গত বছর প্রায় ১শ’৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নদী ও খাল খনন কাজ শুরু হয়। সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে পানি উন্নয়ন বোর্ড ভবদহ সংলগ্ন হরিহর, হরি,তেলেগাতী, আপার ভদ্রা, টেকা ও শ্রী নদী খনন করা হয়। এর মধ্যে হরি ও তেলেগাতী নদীর ২০ কিলোমিটার এবং টেকা নদীর ৭ কিলোমিটার খনন কাজ শেষ হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভবদহ স্লুইচগেটের কপাট আটকে য়েয়ে উঠা-নামা করছে না। আকাশ বৃষ্টি ও উজানের পানি নিষ্কাশনে ৪টি পাম্প দিয়ে সেচ কাজ চলছে এবং আরও ৫টি পাম্প স্থাপনের কাজ চলমান। কিন্তু খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেরার খর্ণিয়া তেলেগাতী নদীর ওপর বাঁধ দিয়ে খনন কাজ করায়, বাধের বিপরীতে ৫শ’ থেকে ৬শ’ মিটার দূরে নদীর বুকে পলি জমায় পানি নিস্কাশন বাঁধাপ্রাপ্ত হওয়ায় এই জলাবদ্ধতার শিকার হয়েছে। এতে অভয়নগর, মনিরামপুর,কেশবপুর ও ডুমুরিয়া উপজেলার প্রায় ৫০টি গ্রাম সম্পূর্ণ ও আংশিক প্লাবিত হয়েছে। আকস্মিক এই জলাবদ্ধতায় ভাবিয়ে তোলে পাউবোসহ সংশ্লিষ্টদের। ডুমুরতলা গ্রামের স্কুল শিক্ষক প্রভাষ বিশ্বাস বলেন, গ্রামের ৫৫টি বাড়ির মধ্যে ৬টি ছাড়া বাকিগুলো পানিতে প্লাবিত হয়েছে।
পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ ব্যানার্জী বলেন, কারন চিহ্নিত করেই সেনাবাহিনীর সাথে কথা বলেই গত রোববার থেকে পলি অপসারনের কাজ শুরু হয়েছে। ধ্বসে যাওয়া বেড়িবাঁধ মেরামতের কাজ জরুরীভাবে করা হবে বলে তিনি জানান।
ভবদহ পানি সংগ্রাম কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল কবীর জাহিদ বলেন, খনন কাজের পরও নদীতে পলি জমা প্রমান করে এই পদ্ধতি কাজে আসবে না। এইজন্য টিআরএম (টাইডাল রিভার ম্যানেজমেন্ট)-এর বিকল্প নেই বলে তিনি দাবী করেন।
এমএসএম / এমএসএম
পর্যটন ও পরিবেশ সুরক্ষায় কুয়াকাটায় তারুণ্যের উৎসব
পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নাই,চাল আসবাবপত্র সব পুড়ে ছাই
শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে শালিখা থানা পুলিশের মোটরসাইকেল মহড়া
চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিন উন্নয়ন প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের অধিগ্রহণের চেক বিতরণ
এসি বাস চালু হতেই ফের বাধা, বাঁশখালীতে আটকে দেওয়া হলো এসআর পরিবহনের দুই এসি বাস
কুমিল্লা কবি পরিষদের দাউদকান্দি শাখার সভাপতি আমিনুল হক, সাধারণ সম্পাদক শাকিল সরকার
সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান
গোপালগঞ্জে সাইফুর রহমান নান্টুর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
কক্সবাজার জেলা ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন
সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান
নড়াইলে প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণে নড়াগাতী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাথে বৈষম্যের অভিযোগ
ঈমান আমল ছাড়া জান্নাত পাওয়া যায় না --মুফতি আরশাদ ইদ্রিস