সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের টাইপিস্টের প্রতারণার শিকার গৃহবধূ
সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের একজন কম্পিউটার কাম টাইপিস্ট প্রতারণার শিকার হয়ে ন্যায় বিচারের দাবিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, ইন্সপেক্টর জেনারেল অব রেজিস্ট্রেশন (মহাপরিদর্শক) দপ্তরসহ স্থানীয় ভূমি অফিস ও থানাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে যাচ্ছেন ভুক্তভোগী মোসা. মুনজিলা বেগম।
জানা গেছে, প্রতারক চাপাইনবাবগঞ্জ সদরের সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের কম্পিউটার কাম টাইপিস্ট চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার ফকিরপাড়া গ্রামের মো. মামুনুর রশিদ এর স্ত্রী মোসা. দিলরুবা খাতুন ওরফে তুহিন এর ভোগদখলীয়া ফকিরপাড়া মৌজাস্থ পৌনে পাঁচ কাঠা জমি ও বাড়ি ভুক্তভোগি মুনজিলা বেগমের কাছে বিক্রির ইচ্ছা পোষণ করলে এবং ২১ লাখ মূল্য টাকা ধার্য্য করেন। এরপর উক্ত ধার্য্যকৃত মুল্যের মধ্যে গত ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর থেকে বিভিন্ন সমেয় মোট ১৭ লাখ টাকা স্থানীয় ইউপি মেম্বার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের স্বাক্ষী করে পরিশোধ করেন। যা জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের মাধ্যমে স্বাক্ষর করে দিলরুবা খাতুন গ্রহণ করেন। এসময় তার ভোগ দখলীয় বাড়ি ও জায়গা ভুক্তভোগী মুনজিলাকে ১০০ টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে টাকার অংক লিখে স্বাক্ষর করে ভোগদখলে বুঝিয়ে দেন। এসময় তিনি ৪ মাসের মধ্যে বাকি টাকা পরিশোধ করে জমি ও বসত বাড়ি রেজিষ্ট্রি চাইলে দিলরুবা তার নামে রেজিষ্ট্রি করে দেবেন। কিন্তু প্রতারক দিলরুবা উক্ত বসত বাড়ি ও সম্পত্তি রেজিষ্ট্রি করে দিতে আজদেব-কালদেব বলে নানা তালবাহানা করে আসছেন। এভাবে নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়অর পরও বাকি টাকা পরিশোধ করে জমি ও বসতবাড়ি রেজিষ্ট্রি করে দিতে নানা টালবাহানা করে সময় ক্ষেপন ও হয়রানি করছেন। অথচ উক্ত জমি ও বসতবাড়ি বিক্রয় এবং ১৭ লাখ টাকা গ্রহণের সময়ে স্থানীয় মো. বেলার উদ্দিন, মো. আলমগলি শেখ ওরফে তোতা, মোসা. শামীমা জানান, ও মো. সবুজ মিয়া স্বাক্ষী হিসেবে স্টাম্পে স্বাক্ষর করেছেন।
ভুক্তভোগি মোসা, মুনজিলা অভিযোগ করে জানান, চাপাইনবাবগঞ্জ গোমস্তাপুর সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের কম্পিউটার কাম টাইপিস্ট মোসা. দিলরুবা খাতুন উক্ত সম্পত্তি ও বসতবাড়ি রেজিষ্ট্রি করে দিতে অস্বীকার করে বলছেন, তিনি ভুক্তভোগির কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা ধার হিসেবে নিয়েছেন। আর বাকী ৭ লাখ টাকার কথা অস্বীকার করছেন। চলতি বছরের গত ৫ জানুয়ারি গোমস্তাপুর থানার ফকিরপাড়া গ্রামে দিলরুবা বাড়িতে গিয়ে জমি ও বসত বাড়ির ক্রয়ের বাকী টাকা পরিশোধ করতে দিয়ে উক্ত সম্পত্তি ও বসতবাড়ি রেজিষ্টি করে দেওয়ার জন্য বলেন। এতি দিলরুবা উত্তেজিত ও মারমুখি আচরণ করে গালমন্দ করতে থাকেন। এরপর প্রতিবাদ করায়, মুনজিলার প্রতি আরো ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে তাকে জমি রেজিষ্টি করে দিবেন না বলে জানান। আর উক্ত জমি রেজিষ্টি চাইলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। মোসা. মুনজিলার সরলতার সুযোগে বিশ্বাস ভঙ্গ করে জমি ও বসতবাড়ি বিক্রির নামে তার ১৭ লাখ টাকা আত্মসাত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন মোসা. দিলরুবা খাতুন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আপোষ মিমাংসার চেষ্টা ও গণমান্য ব্যক্তিরাও চেষ্টা করেছেন।
এ ঘটনায় চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারি পরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেন তিনি সকালের সময়কে জানান, জমি বিক্রির নামে মোসা. মুনজিলার কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে তিনি বলছেন ১৭ লাখ টাকা নেননি। কিছু টাকা কম নিয়েছেন। এই নিয়েই তাদের মধ্যে বিরোধ সৃস্টি হয়েছে। অভিযুক্ত দিলরুবা খাতুন সেল তার ফোন থেকে কল করে সকালের সময়কে বলেন, অভিযোগকারী মোসা. মুনজুরা আমার প্রতিবেশী। তার বসত বাড়ি ও জায়গা বিক্রির নামে ১৭ লাখ টাকা নেওয়া এবং উক্ত সম্পত্তি রেজিষ্ট্রি না করে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, এ বিষয়ে আমি কোন কথা বলবো না, আমার আইনজীবী কথা বলবেন বলে তিনি ফোনকলটি কেটে দেন।
এমএসএম / এমএসএম
বিলাইছড়িতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত
ঝিনাইদহে সার ডিলারশিপ নিয়োগে সীমাহীন দুর্নীতি
সুবর্ণচরে ভূয়া চিকিৎসক রাসেলের অপচিকিৎসায় প্রাণ হারাতে বসেছে ১ শিশু
শিবগঞ্জে কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ
তারাগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৪ জনের কারাদণ্ড
মধুখালীতে কন্যা শিশু দিবস উপলক্ষে রেলি ও আলোচনা সভা
কুড়িগ্রামে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, নিয়োজিত ১ হাজার ৭১ কর্মী
বকশীগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর ঝোপে নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
নরসিংদীতে সাত বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
তেঁতুলিয়ায় ১০ কেজির বার্মিজ অজগর উদ্ধার
কামরুজ্জামান সিকদার কামালকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কথা বলার আহ্বান
জয়পুরহাটে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে জেলা বিএনপির মতবিনিময়