ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

পটুয়াখালীতে নতুন দুটি জাতের রসালো ফল তরমুজ চাষ: উপকূলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার


সাঈদ ইব্রাহিম (পটুয়াখালী) photo সাঈদ ইব্রাহিম (পটুয়াখালী)
প্রকাশিত: ২-৯-২০২৬ দুপুর ৪:১১

পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষকদের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা আনতে এবং সারাবছর সুস্বাদু ফলের চাষাবাদ নিশ্চিত করতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পটুয়াখালীর লেবুখালীর আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র। কেন্দ্রটির গবেষকদের সফল প্রচেষ্টায় উদ্ভাবিত হয়েছে বারোমাসি জাতের দুটি নতুন তরমুজ—‘বারি তরমুজ-১’ ও ‘বারি তরমুজ-২’।

দেশের মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ফল তরমুজ। উপকূলীয় অঞ্চলে শীতের শুরুতে আমন ধান কাটার পর থেকেই এই ফসলের আবাদ শুরু হয়। তবে এতদিন কৃষকদের সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করতে হতো বিদেশ থেকে আমদানিকৃত হাইব্রিড বীজের ওপর। চীন, ভারত, জাপান এবং মালয়েশিয়া থেকে প্রতিবছর বহুমূল্যে এই বীজ সংগ্রহ করতে গিয়ে দেশের প্রায় ৫শ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা খরচ হয়।
এছাড়া বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে একসঙ্গে প্রচুর তরমুজ বাজারে আসায় অনেক সময় ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হতেন প্রান্তিক কৃষকরা।

এই সংকট উত্তরণে আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে নিজস্ব জাত উদ্ভাবনের গবেষণা চালিয়ে আসছিল। তাদের সেই প্রচেষ্টায় সফলতা মিলেছে। উদ্ভাবিত নতুন জাত দুটি ওপেন পলিনেটেড (Open Pollinated) হওয়ায় উৎপাদিত ফল থেকেই কৃষকরা বীজ সংরক্ষণ করতে পারবেন। 
এর ফলে প্রতিবছর চড়া দামে বিদেশি বীজ কেনার বাড়তি চাপ আর থাকবে না।

নতুন এই জাতগুলোর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে গবেষণা কেন্দ্রের সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শুভ মন্ডল বলেন, বারি তরমুজ-২ জাতটির ভেতরের অংশ আকর্ষণীয় হলুদ বর্ণের হয় এবং এর ফলন অত্যন্ত বেশি। আকার ছোট ও বড়—উভয় ধরনেরই হতে পারে। তবে গাছের ফল ধারণক্ষমতা বেশি থাকায় এবং ভার সইতে না পারায় তরমুজগুলো জালি ব্যাগে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখতে হয়। 
অন্যদিকে, অন্য জাতটির ভেতরটা খয়েরি রঙের হয়ে থাকে।

অফ-সিজনে অর্থাৎ জুন-জুলাই মাসসহ বর্ষার মৌসুমেও এই জাতগুলো সফলভাবে চাষ করা সম্ভব। এ বিষয়ে আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলিমুর রহমান বলেন,
“আমাদের উদ্ভাবিত বারি তরমুজ-১ ও ২ অত্যন্ত সুস্বাদু এবং বারোমাসি জাত। বাজারে প্রচলিত হাইব্রিড বীজের ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং অসময়ে ফল বাজারে এনে কৃষকদের অধিক মুনাফা দিতে
আমরা এই জাতগুলো কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ করছি।”

কৃষকদের নিবিড় প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করে এই প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জাতীয় বীজ বোর্ড থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়ার পর এই জাত দুটি পুরো উপকূলীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হলে কৃষকরা যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হবেন, তেমনি সমৃদ্ধ হবে দেশের কৃষি অর্থনীতি।

এমএসএম / এমএসএম

বেনাপোল বন্দরে কাস্টমসের নেই নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা

লোহাগড়ায় সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, যুবলীগ নেতার নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ

টাঙ্গাইলে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

শরণখোলায় আমগাছে মিললো দিনমজুরের ঝুলন্ত লাশ

বিশ্ব দৃষ্টি দিবসে অভয়নগরে চক্ষু চিকিৎসাসেবা ও সচেতনতামূলক র‍্যালি

পল্লীবিদ্যুতের খুঁটি বাসনো নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ব্যক্তির মৃত্যু

ধামরাইয়ে দুই অবৈধ ইটভাটায় অভিযান, দেড় লাখ টাকা জরিমানা

চাপাইনবাবগঞ্জে ৫ উপজেলায় বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন।

ভূমি ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের জরুরী হস্তক্ষেপ কামন। শ্যামনগরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, কর্তৃপক্ষ নীরব

‎দলীয় সমর্থনে জীবন বৃত্তান্ত জমা দিলেন রায়পুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রত্যাশী ইসমাইল বিন মনির

কোনাবাড়ীতে বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

মেঘনায় মা ইলিশ শিকার করায় ১০ জেলে আটক, জাল ও ইলিশ জব্দ

রাজারহাটে পৃথক অভিযানে ৭ জন গ্রেপ্তার