ফুলছড়ির চরাঞ্চলে কৃষকদের ভোগান্তি, বাড়তি সার মজুদের অভিযোগ
প্রয়োজনের তুলনায় সারের বরাদ্দ কম থাকায় গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার চরাঞ্চলে কৃষকদের মধ্যে সার নিয়ে সংকট দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন ডিলারের দোকানে প্রয়োজনীয় সার কিনতে কৃষকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। এতে চাষাবাদের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকেরা।
চরাঞ্চলের কৃষকেরা জানান, এ অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষের জীবিকা কৃষিনির্ভর। চলতি মৌসুমে জমিতে ফসল আবাদ করতে ইউরিয়া, ডিএপি, এমওপি ও অন্যান্য সারের প্রয়োজন হলেও চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সার সংগ্রহ করতে কৃষকদের একাধিকবার ডিলারের দোকানে যেতে হচ্ছে।
এক কৃষক বলেন, “সময়মতো সার না পেলে জমিতে সঠিক সময়ে প্রয়োগ করা সম্ভব হয় না। এতে ফসলের ওপর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। আমরা চাই, কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত সার সরবরাহ করা হোক।”
আরেক কৃষক জানান, চরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা অন্যান্য এলাকার তুলনায় ভিন্ন। নদীতে পানি থাকায় নৌকায় করে সার বাড়িতে নেওয়া তুলনামূলক সহজ। তাই অনেকে একবার সার পেলে পরবর্তী ফসলের জন্যও কিছুটা বাড়তি সার নিয়ে বাড়িতে রাখছেন।
তবে সার সংকটের পেছনে বরাদ্দ ঘাটতির পাশাপাশি কৃষকদের এই বাড়তি সার কেনার প্রবণতাকেও একটি কারণ হিসেবে দেখছেন ডিলাররা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সার ডিলার বলেন, “চাহিদার তুলনায় আমরা গাইবান্ধার অন্যান্য উপজেলার চেয়ে সারের বরাদ্দ কম পাই। আবার বর্তমানে নদীতে পানি থাকায় কৃষকেরা নৌকায় করে সার সরাসরি বাড়িতে নিয়ে যেতে পারেন। এতে বাড়তি পরিবহন খরচ লাগে না। ফলে অনেকে প্রয়োজনের তুলনায় কিছুটা বেশি সার কিনে পরবর্তী ফসলের জন্য বাড়িতে মজুত করে রাখছেন। মূলত কম বরাদ্দ ও প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সার কেনার প্রবণতা—এই দুই কারণেই দোকানগুলোতে লাইন ও ভিড় সৃষ্টি হয়েছে।”
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সার বিক্রির ক্ষেত্রে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রকৃত কৃষকের চাহিদা বিবেচনা করে ইউনিয়ন ও চরভিত্তিক বরাদ্দ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে ফুলছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার খন্দকার ফিরোজ মাহমুদ বলেন, “ চরাঞ্চলে নদীপথে সার পরিবহনে খরচ কম হওয়ায় কৃষক অগ্রীম সার কিনছে। ভুট্টা ও মরিচ ফসলের সার আরো পরে লাগলেও কৃষক সেই সার এখনি কেনার জন্য দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছে। সার বিষয়ে মনিটরিং জোরদার রয়েছে। আশা করছি কৃষকের ফসল উৎপাদনে কোন সমস্যা হবেনা। মাসের শেষের দিকে যাতে কোন ঘাটতি না পড়ে সে জন্য ডিলারগণ অতিরিক্ত বরাদ্দের জন্য আমাকে বলেছেন। আমি সে ব্যাপারে উর্ধতন অফিসে কথা বলবো।
কৃষকদের দাবি, চরাঞ্চলের কৃষির বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত সারের বরাদ্দ বাড়ানো এবং ডিলার পর্যায়ে সরবরাহ স্বাভাবিক করা হোক। তা না হলে চলতি মৌসুমে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
এমএসএম / এমএসএম
মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবায় পানছড়িতে সেনাবাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষণ
ধামইরহাটে ইসলামী ছাত্রশিবির কর্তৃক কৃতি শিক্ষার্থীদের এপ্লাস সংবর্ধনা প্রদান
বাগেরহাটে চাঞ্চল্যকর নারীসহ ৩ জন হত্যাকান্ডের মুল আসামী গ্রেফতার, রহস্য উৎঘাটন
কমলগঞ্জে অটোরিকশা থেকে চাঁদা আদায় নিয়ে হামলার অভিযোগ
টাঙ্গাইলে পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধে ইটভাটা মালিকদের সাথে পরিবেশ অধিদপ্তরের মতবিনিময়
মিরসরাইয়ে গনমাধ্যমকর্মীর উপর হামলার প্রতিবাদে প্রতিবাদ ও মানবন্ধন
ফুলছড়ির চরাঞ্চলে কৃষকদের ভোগান্তি, বাড়তি সার মজুদের অভিযোগ
দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে হিলিতে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার
সবুজ বিলাইছড়ি গড়ার প্রত্যয়ে উপজেলা প্রশাসনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
কুড়িগ্রামে সার না পেয়ে কৃষকদের ক্ষোভ, ডিলারের গোডাউনে ভাঙচুর
অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ সার মজুত: শ্রীপুরে বাড়ি ও দোকানে অভিযান চালিয়ে ৩২৮ বস্তা সার উদ্ধার
বিলাইছড়িতে দুই ইউএনওকে ঘিরে বিদায় ও বরণ সংবর্ধনা