ঢাকা শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এআইয়ের প্রভাবে রাষ্ট্র ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা হুমকির মুখে


ডেস্ক রিপোর্ট  photo ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৯-৯-২০২৬ দুপুর ৩:১০

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রভাবে আজ আমাদের রাষ্ট্রের সিকিউরিটি, অর্থনৈতিক সিকিউরিটি এমনকি ব্যক্তিগত সিকিউরিটিও হুমকির মুখে বলে মন্তব্য করেছেন বিজ্ঞান লেখক ও গবেষক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইব্রাহীম। তিনি বলেছেন, সাইবার সিকিউরিটিও নাজুক। ইতোপূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের যে অর্থ চুরি হয়েছে এতে এআইয়ের প্রভাব ছিল কিনা তা নিয়ে ভাবতে হবে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ মানবসভ্যতার জন্য আশীর্বাদ নয়, অস্তিত্বের সংকট’ শীর্ষক ছায়া সংসদে এসব কথা বলেন তিনি।

মুহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, ফেইক নিউজের মাধ্যমে আজ ব্যক্তিত্বকে বদলে ফেলা হচ্ছে। সত্যকে কে গুজব, গুজবকে সত্যে পরিণত করা হচ্ছে। এআইয়ের অপব্যবহারে দুনিয়াটা অচেনা হয়ে যাচ্ছে। এ যেন একটা যুদ্ধ। তবে এআইয়ের ওপর জ্ঞানের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে, সেটা হলো ‘কমনসেন্স’। এআইয়ের অনেক সেন্স রয়েছে, কিন্তু মানুষের মতো কমনসেন্স নেই। সুপার এআই আসার আগেই তা নিয়ন্ত্রণে নতুন বিশ্বসংস্থার মাধ্যমে বিশ্ব সমঝোতা সৃষ্টি করতে হবে। বৈশ্বিক আইনি বিধান প্রয়োজন। এআই আজ সব ক্ষেত্রে নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টি করছে। এমন কি যারা এটা বানিয়েছে তারাও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ছে। বর্তমান অর্থনীতি এআইয়ের নয়, এর মাধ্যমে নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সৃষ্টি হবে। বিশ্বে বহু মানুষের কাজ চলে যাবে। এআই বিকল্প কাজ সৃষ্টি করতে আসেনি। তবে এআই নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, প্রযুক্তি মানুষের জন্য আশীর্বাদ হলেও এর অপব্যবহার সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চিকিৎসা বিজ্ঞান, রোগ নির্ণয়, নতুন ওষুধ উদ্ভাবন, কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি, দুর্যোগের পূর্বাভাস, মানব শ্রমের অপচয় কমানো, ব্যবসা-বাণিজ্য, গ্রাহক সেবাসহ জীবনের প্রায় সব ক্ষেত্রেই নানাভাবে সহযোগিতা করছে। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহারের কারণে ভুয়া ছবি, ভুয়া ভিডিও, অডিও ক্লোনিংয়ের মাধ্যমে সমাজে ঘৃণা ছড়ানো হচ্ছে। কণ্ঠ ও চেহারা নকল করে ভুয়া কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে প্রতারণা করা হচ্ছে। এআই প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে যেভাবে অপসাংবাদিকতা শুরু হয়েছে, তা প্রতিরোধ করা না গেলে মূলধারার গণমাধ্যম হুমকির মুখে পড়বে। মানুষ সংবাদের বিশ্বাস যোগ্যতা হারাবে। অপসাংবাদিকতা গণমাধ্যমকে চ্যালেঞ্জের মুখে দাড় করাবে।

ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে পরাজিত করে সরকারি তিতুমীর কলেজ বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মুহাম্মদ রইস, সাংবাদিক মাঈনুল আলম, ড. শাকিলা জেসমিন, মাইদুর রহমান রুবেল ও আনোয়ার হোসেন। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেওয়া হয়।

aliul / aliul

এআইয়ের প্রভাবে রাষ্ট্র ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা হুমকির মুখে

ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে পেইজে লাইক নেওয়ার সুযোগ বন্ধ!

নিরাপত্তা নাকি গোপনীয়তার সংকট? চারপাশের ক্যামেরা নিয়ে নতুন বিতর্ক

শেষ হলো IBC 2026 -বিশ্ব মিডিয়ায় প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত

IBC 2026 আমস্টারডামে বদলে যাচ্ছে সম্প্রচার প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন বিধিনিষেধ ক্যালিফোর্নিয়ায়

‘রেট্রো নস্টালজিয়ায়’ সয়লাব সোশ্যাল মিডিয়া: সবার ৮০র দশকের লুক কেন

অ্যাপলের নতুন সিইওর সামনে বড় চার চ্যালেঞ্জ

ছবি সম্পাদনা থেকে অ্যালবাম তৈরি, সব কাজ করবে জেমিনি স্পার্ক

একাধিক ভাষা ও বক্তার কথাকে লাইভ টেক্সটে রূপান্তর করবে মেটার নতুন এআই

প্রতিযোগীদের সুবিধা দিতে ব্যবসার ধরন পরিবর্তনের নির্দেশ আদালতের

শিশুদের নিরাপত্তায় মেটার ১ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের সমঝোতা

ব্লুটুথ নামটি এলো কোথা থেকে? নেপথ্যে হাজার বছরের পুরোনো গল্প!