ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বোয়ালিয়া মৌজার জমির দলিলে ৯ জাল দাখিলা, রেজিস্ট্রি স্থগিত


চিতলমারী প্রতিনিধি photo চিতলমারী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৬-৯-২০২৬ দুপুর ৪:১৪

বাগেরহাটের চিতলমারীতে ১৫ শতক জমির দলিল নিবন্ধনের জন্য জমা দেওয়া কাগজপত্র যাচাই করতে গিয়ে আটটি অনলাইন দাখিলা জাল হিসেবে শনাক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চিতলমারী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এসব দাখিলা শনাক্ত করেন সাব-রেজিস্ট্রার সমীর কর্মকার।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বোয়ালিয়া মৌজার ১৫ শতক জমির দলিল নিবন্ধনের জন্য দলিল লেখক মুন্সি দেলোয়ার হোসেন প্রয়োজনীয় নথি ও নোটিশসহ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমা দেন। কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় অনলাইন দাখিলাগুলো বারকোড দিয়ে পরীক্ষা করতে গিয়ে সমস্যাটি ধরা পড়ে।
সাব-রেজিস্ট্রার সমীর কর্মকার জানান, দাখিলার বারকোড পরীক্ষা করে সংশ্লিষ্ট সার্ভারে প্রবেশের চেষ্টা করা হলে তা সম্ভব হয়নি। এরপর ধারাবাহিকভাবে সবগুলো দাখিলা পরীক্ষা করেও একই ধরনের সমস্যা পাওয়া যায়। পরে অন্য একটি দলিলের দাখিলা পরীক্ষা করলে সেটি সরাসরি ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমি-সংক্রান্ত সার্ভারে প্রবেশ করে। তখন আগের দাখিলাগুলো নিয়ে তাঁর সন্দেহের বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
তিনি জানান, জাল দাখিলাগুলোতে মূল অনলাইন দাখিলার তথ্য হুবহু নকল করা হলেও বারকোড তৈরিতে ‘মড়া’র পরিবর্তে ‘য়ড়া’ ব্যবহার করা হয়েছে।
যে আটটি দাখিলা জাল বলে শনাক্ত হয়েছে সেগুলোর মধ্যে খতিয়ান-৮৫৫-এর দাখিলা ৪৭১২২৬১৭৫৩৪০, খতিয়ান-৬৫৯-এর ৪৭১২২৬১৭৫৬৮৭, খতিয়ান-৪৮৩-এর ৪৭১২২৬১৭৬৮৩৪, খতিয়ান-৪২৩-এর ৪৭১২২৬১৭৫৩২৫, খতিয়ান-৩৭৫-এর ৪৭১২২৬১৭৬৮৯৮, খতিয়ান-৫১-এর ৪৭১২২৬১৭৫৪০২, খতিয়ান-৩৭১-এর ৪৭১২২৬১৭৫৬৮৭, খতিয়ান-১৩১-এর ৪৭১২২৬১৭৫৬০১ এবং খতিয়ান-৬৫৮-এর ৪৭১২২৬১৭৫৫৯৫ রয়েছে।
দাখিলাগুলো জাল হিসেবে শনাক্ত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট জমির দলিল নিবন্ধন স্থগিত করা হয়। একই সঙ্গে আটটি জাল দাখিলাসহ নথির সব কাগজপত্র জব্দ করা হয়েছে।
সাব-রেজিস্ট্রার সমীর কর্মকার বলেন, আগামী বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দলিল লেখক মুন্সি দেলোয়ার হোসেনের কাছে লিখিত জবাব চাওয়া হবে। তাঁর বক্তব্য পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দলিল লেখক মুন্সি দেলোয়ার হোসেন বলেন, তাঁর সহকারী দলিল লেখক সুব্রত রায় দাখিলাগুলোসহ নথি তাঁকে দেন। পরে নথিতে তাঁর নাম ব্যবহার করে তিনি দলিলটি সাব-রেজিস্ট্রারের সামনে নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করেন।
সহকারী দলিল লেখক সুব্রত রায় বলেন, জমির দাতা শাকিরুল বেগম ও গ্রহীতা মো. মাসুম কাজী তাঁদের কাছে দলিল নিবন্ধনের জন্য আসেন। দাখিলাগুলোসহ কাগজপত্র মাসুম কাজী তাঁদের সরবরাহ করেন।
মাসুম কাজী বলেন, বোয়ালিয়া মৌজার ১৫ শতক জমি সাড়ে পাঁচ লাখ টাকায় কেনার সিদ্ধান্ত হয়। দলিল নিবন্ধনের জন্য দলিল লেখককে ৮১ হাজার টাকা এবং আটটি দাখিলা সংগ্রহের জন্য জসিমকে ১৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।
দলিল লেখক সমিতির সভাপতি খান মনিরুজ্জামান ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের শাস্তি দাবি করেছেন।
হিজলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. আব্দুল ওহাব জানান, প্রায় ছয় মাস ধরে বোয়ালিয়া মৌজার খাজনা আদায় ও দাখিলা দেওয়া বন্ধ রয়েছে।
চিতলমারী ইউএনও খাদিজা আক্তার বলেন, তাঁকে কেউ এ বিষয়ে অবহিত করেননি। রেজিস্ট্রি অফিসে জাল দাখিলা দাখিলকারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাব-রেজিস্ট্রার ব্যবস্থা নিতে পারেন।

Aminur / Aminur

শেরপুরে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

রায়গঞ্জে মসজিদ-মন্দির, স্কুল ও কবরস্থানে ৩ শতাধিক গাছের চারা রোপণ

মেঘনায় নৌকা ডুবিতে নিখোঁজের দুই দিন পর ৩ ভাইবোনের মরদেহ উদ্ধার

নালিতাবাড়ী গোপালপুর বিটে বনভূমি দখল, গাছ কাটাসহ নানা অভিযোগ

বোয়ালিয়া মৌজার জমির দলিলে ৯ জাল দাখিলা, রেজিস্ট্রি স্থগিত

কালিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

রাজারহাটের চর বিদ্যানন্দে জ্বালানি তেলের দামে কৃষকের দুশ্চিন্তা

আত্রাই মহিলা কলেজে নবীনবরণ ও এমপি শেখ রেজাউল ইসলামকে সংবর্ধনা প্রদান

বাকেরগঞ্জে জাহাঙ্গীর হোসেন মোল্লা কলেজে নবীন বরণ

তারাগঞ্জে রিকশাচালকের অদম্য মেধাবী সন্তান তাপসের স্বপ্নভঙ্গ, মেধায় উত্তীর্ণ হয়েও ভেরিফিকেশনে বাদ

ধুনটে ককটেল হামলা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

বাঙ্গালহালিয়া হেডম্যান পাড়া কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারে মধু পূর্ণিমা উদযাপন

মানুষকে সচেতন করতে বর্জ্যের বিনিময়ে খাবার-গাছ দিচ্ছে ‘ক্লিন চাঁদপুর’