ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অযোগ্যকে জাতির গাঢ়ে বসিয়ে তামাশা করেছে বর্তমান সরকার- বড়লেখায় শিবির সভাপতি


বড়লেখা প্রতিনিধি photo বড়লেখা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৭-৯-২০২৬ দুপুর ৩:১৯

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, নতুন একটি বাংলাদেশের স্বপ্নে বিভোর হয়ে ছাত্রজনতা যে জীবন দিয়েছিলো কিন্তু জুলাইয়ের সে স্বপ্ন আমরা বাস্তবায়ন করতে পারিনি। গণভোটের ৭০ শতাংশ রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বর্তমান সরকার বাংলাদেশের জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে। রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামোগত কোনো সংস্কার আমরা দেখতে পাইনি। তারা চায় না এদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পূর্ণগঠিত হোক। নিজেদের মতো করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আবার নতুন নাটক সাজিয়ে তারা এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অধিনে দ্বিতীয় নির্বাচন করে চিরস্থায়ী ক্ষমতার থাকার বন্দবস্ত করার জন্য তারা জুলাই চাটারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে।

তিনি শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কঠোর সমালোচনা করে শিবির সভাপতি বলেন, সিলেটের যিনি মন্ত্রী হয়েছেন শ্রম ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আরিফুল হক চৌধুরী তার শিক্ষাগত যোগ্যতার কথা সার্টিফিকেটে লেখা রয়েছে স্ব-শিক্ষিত আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি তিনি মুটামুটি এসএসসি বা এইচএসসি পাশ। তিনি নিজে স্বীকার করেন না তিনি এইচএসসি পাশ কিন্তু লোকেরা বলে। কিন্তু জাতীয় অধ্যাপক নিয়োগ সংক্রান্ত যে কমিটি গঠন করা হয়েছে। সে কমিটির সদস্য করা হয়েছে আরিফুল হক চৌধুরীকে। একটা দেশের জাতীয় অধ্যাপক নিয়োগ হবে স্ব-শিক্ষিত একজন মানুষের দ্বারা এতো তামাশাকর একটা দেশে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। যোগ্যতার কোনো বালাই নাই। উন্নয়ন কর্পোরেশনে বসানো হয়েছে আন্ডারমেট্রিক ও এইচএসসি পাশ করা অযোগ্য মানুষদেরকে বসিয়ে জাতির গাঢ়ে এক তামাশার সরকার ব্যবস্থা করেছে বর্তমান সরকার। 

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌর শহরে ইসলামি ছাত্রশিবির উপজেলা শাখার আয়োজনে ছাত্র গণজমায়েত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

একই অনুষ্ঠানে বিশের আকর্ষণের বক্তব্যে ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, নির্বাচনে বাংলাদেশের ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে হ্যা এর পক্ষে রায় দিয়েছিল। আজকের যিনি প্রধানমন্ত্রী তিনিও আবু সাঈদের রংপুরে গিয়ে হ্যা এর পক্ষে ভোট চেয়েছিলেন। রাস্ট্র সংস্কারের কথা বলেছিলেন। সেই ইঞ্জিনিয়ারিং নির্বাচন হওয়ার পরে আমাদের নেতা ডা. শফিকুর রহমান রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য নির্বাচন মেনে নিয়েছিলেন। সেই নির্বাচন হওয়ার পর আমরা আশা করেছিলাম এই বিএনপি সরকার রাস্ট্র সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিবে। তারা গণভোটের জনরায়কে বাস্তবায়ন করবে। জুলাই সনদকে বাস্তবায়ন করবে। সারাদেশে চাঁদাবাজি, রাহাজানি, টেন্ডারবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধ করবে। কিন্তু আমরা দেখতে পেয়েছি গত সাত মাসে বিএনপি সরকার এই জাতির সাথে ও জুলাই শহীদদের রক্তের সাথে প্রতারণা করেছে। 

তিনি সরকারের সমালোচনা করে আরোও বলেন,  তারা এখনো পর্যন্ত শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার করেনি, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিচার করছে না, সেই বিচারের ক্ষেত্রে তাদের দীর্ঘতা আমরা দেখতে পারছি। বিদ্যুৎ নাই, গ্যাস নাই, পানি নাই এবং সাত মাসে তিন দফায় রাতের আঁধারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করেছে। কিন্তু সারা বিশ্বের অন্যান্য দেশে তেলের দাম কমেছে। এই তেলের দাম বৃদ্ধির পিছনে বিএনপি সরকারের সিন্ডিকেট রয়েছে। এই তেলের দাম বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড ও অন্যান্য ভূয়া কার্ড বিতরণের মাধ্যমে তারা জনগণকে শোষণ করছে। একই সাথে বিএনপি সরকার দেশের ২৭ লক্ষ বেকারদের পেটে লাথি মারছে। বিএনপির প্ল্যান হলো চাকরির ক্ষেত্রে মেধাকে ধ্বংস করা। আজকে তাদের সামগ্রিক ব্যর্থতা ও অরাজকতার মাধ্যমে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। আজ সারাদেশের মানুষ বিএনপি সরকার থেকে মুক্তি চায়।

ডাকসু ভিপি বলেন, সিটি কর্পোরেশন থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রত্যেকটা জায়গায় নির্লজ্জ দলীয়করণ। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয় নেতাদের ভিসিতে বসাইছে। যাদের বিশ্ববিদ্যালয় চালানোর নূন্যতম কোনো যোগ্যতা নাই। আমরা ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে জানিয়েছি। আমরা সফলতার সাথে এক বছর ডাকসুর দায়িত্ব পালন করেছি আমরা ক্ষমতার চেয়ারে আর বসে থাকতে চাইনা। বাংলাদেশে একটা নজির স্থাপন করেছি। কিন্তু আমরা আশংকা করছি এই বিএনপি সরকার ৯০ পরবর্তী বাংলাদেশের ক্যাম্পাসগুলোতে যেভাবে ছাত্র সংসদ বন্ধ করে দিয়েছে ঠিক একই কায়দায় তারা আবার ডাকসুসহ বাংলাদেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে নির্বাচনকে বন্ধ করে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করছে।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বড়লেখা উপজেলা শাখার সভাপতি নোমান আহমদের সভাপতিত্বে ও উপজেলা উত্তর শাখার সভাপতি হানজালা আহমদ-এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন শিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও ডাকসু সদস্য শাহিনুর রহমান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি মাসুদ রানা তুহিন, বাংলাদেশের জামায়াতের জেলা মজলিসের শুরা ও কর্ম পরিষদের সদস্য মাওলানা আমিনুল ইসলাম, মজলিসে শুরা সদস্য এমাদুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের নায়াবে আমির ফয়সল আহমদ ও আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ সুমন, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল বাছিত, উপজেলা পেশাজীবি বিভাগের সভাপতি আব্দুল মোহাইমিন, সদর ইউনিয়ন সভাপতি রবিউল ইসলাম সুহেল প্রমুখ।

এমএসএম / এমএসএম

মান্দায় আইওরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

বিলাইছড়িতে ৫৪ বস্তা ইউরিয়া সারসহ একজন আটক

পিরোজপুরে নবাগত পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

আশুগঞ্জে শিশু মাহিদা ধর্ষণ ও হত্যা: অভিযুক্ত জাহিদুলের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

কোথায় আছে মিরা, বেঁচে আছে তো? নিখোঁজ স্কুলছাত্রীকে উদ্ধারের আকুতি বাবার

ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি ভাঙচুর ও জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

আত্রাইয়ে ঐতিহ্যবাহী আহসানগঞ্জকে আধুনিক মডেল স্টেশন করা ও ট্রেনের স্টপেজের দাবিতে আলোচনা সভা

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে বইয়ের নেশায় আলোর ফেরিওয়ালা নাজমুল হুদা সারোয়ার

সিংড়ায় সার সংকট, খোলা বাজারে ও পর্যাপ্ত সার নাই

যুবলীগ নেতা জুয়েলের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ, বিপাকে সাধারণ মানুষ

খাগড়াছড়িতে মালবাহী জীপ খাদে পড়ে চালক নিহত

মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পিতার কবর জিয়ারত করলেন মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা

অযোগ্যকে জাতির গাঢ়ে বসিয়ে তামাশা করেছে বর্তমান সরকার- বড়লেখায় শিবির সভাপতি