জর্দা-কাগজের সঙ্গে চালানে বিভিন্ন রঙের গুঁড়া পদার্থ
‘পান মসলা ও জর্দা এবং ‘মুদ্রিত কাগজের ক্যাটালগ’ ঘোষণায় কোলকাতা থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা একটি চালানের কায়িক পরীক্ষায় অসামঞ্জস্যপূর্ণ পণ্য পাওয়া গেছে। চালানটিতে বিভিন্ন রঙের গুঁড়াজাত পদার্থও পাওয়া গেছে। তবে এসব পদার্থে মাদক বা কোনো নিষিদ্ধ উপাদান রয়েছে কি না, তা পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কাস্টমস নথি অনুযায়ী, ‘এমভি উদ্দীপন এক্সপ্রেস’ জাহাজে কলকাতা থেকে চালানটি চট্টগ্রামে আসে। জাহাজটি ২০ সেপ্টেম্বর কলকাতা থেকে যাত্রা করে এবং ২২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। চালানটির দুটি হাউস বিল অব লেডিং একই মাস্টার বিল অব লেডিং নম্বর ৩০১১৭৪৩৪৭-এর আওতাভুক্ত।
প্রথম হাউস বিল অব লেডিং নম্বর আইএসএলসিসিইউ২৬২৭সিজিপি০৯৫-এ পণ্য হিসেবে ‘পান মসলা ও জর্দা উল্লেখ করা হয়। নথিতে ৪৭৩ প্যাকেজের মোট ওজন ৮ হাজার ৯৭৪ কেজি দেখানো হয়। তবে ২৭ সেপ্টেম্বর কায়িক পরীক্ষায় ৪৭০ প্যাকেজে ৮ হাজার ২৫০ দশমিক ৪ কেজি তামাক বা তামাকসদৃশ সামগ্রী পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৪২১ প্যাকেজে ছিল ৭ হাজার ৩২৫ দশমিক ৪ কেজি গাঢ় বাদামি রঙের সামগ্রী। এছাড়া ৩১ প্যাকেজে ৫২৭ কেজি বাদামি, ১৩ প্যাকেজে ২৭৩ কেজি ধূসর এবং পাঁচ প্যাকেজে ১২৫ কেজি সাদা রঙের সামগ্রী পাওয়া যায়।
কায়িক পরীক্ষায় এসব সামগ্রীর মধ্যে বিভিন্ন রঙের গুঁড়াজাত পদার্থও পাওয়া গেছে। এগুলোতে মাদকদ্রব্য, নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রিত কোনো উপাদান রয়েছে কি না, তা পরীক্ষাগারে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
চালানটির দ্বিতীয় হাউস বিল অব লেডিং নম্বর আইএসএলসিসিইউ২৬২৭সিজিপি০৯৬-এ পণ্যের বিবরণ দেওয়া হয় ‘মুদ্রিত কাগজের ক্যাটালগ’। নথিতে ১ হাজার ৫৭০ প্যাকেজের মোট ওজন ৯ হাজার ৮৫৯ দশমিক ৬০ কেজি উল্লেখ করা হয়।
কিন্তু কায়িক পরীক্ষায় একই সংখ্যক প্যাকেজে ৯ হাজার ২৬৩ কেজি বা প্রায় ৯ দশমিক ২৬ টন বাতিল কাগজ পাওয়া যায়। অর্থাৎ নথিতে ‘মুদ্রিত কাগজের ক্যাটালগ’ ঘোষণা করা হলেও পরীক্ষায় পাওয়া গেছে বাতিল কাগজ।
দুটি হাউস বিল অব লেডিং মিলিয়ে কায়িক পরীক্ষায় মোট ২ হাজার ৪০টি প্যাকেজে ১৭ হাজার ৫১৩ দশমিক ৪ কেজি বা প্রায় ১৭ দশমিক ৫১ টন পণ্য পাওয়া যায়। এর মধ্যে প্রায় ৮ দশমিক ২৫ টন তামাক বা তামাকসদৃশ সামগ্রী এবং প্রায় ৯ দশমিক ২৬ টন বাতিল কাগজ রয়েছে।
চালানটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কাগজপত্রে আমদানিকারক বা পণ্যগ্রহীতা হিসেবে ‘অথয় এন্টারপ্রাইজ’-এর নাম ব্যবহার করা হয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী কর্তৃপক্ষকে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে এই চালানের সঙ্গে তার বা তার প্রতিষ্ঠানের কোনো সম্পৃক্ততা থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, তিনি বা তার প্রতিষ্ঠান এ আমদানির বিষয়ে অবহিত নয়। এমনকি চালানটির সঙ্গে তাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেছেন। তার আশঙ্কা, কোনো চক্র তার প্রতিষ্ঠানের নাম ও আমদানি-সংক্রান্ত তথ্য ব্যবহার করে চালানটি আমদানি করে থাকতে পারে।
এ ঘটনায় প্রকৃত আমদানিকারক, অন্য প্রতিষ্ঠানের নাম ও আমদানি-সংক্রান্ত তথ্য ব্যবহারের বিষয় এবং ঘোষণার সঙ্গে পণ্যের অসামঞ্জস্য খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে উদ্ধার হওয়া গুঁড়াজাত পদার্থের রাসায়নিক পরীক্ষার ফল পাওয়ার পর এগুলোতে মাদক বা নিষিদ্ধ কোনো উপাদান রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। তদন্ত ও পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
aliul / aliul
হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
কম্বোডিয়ায় বসে অনলাইন প্রতারণা, বাংলাদেশে ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিচয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : হুমায়ুন কবির
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
আইনি সেবা ডিজিটাইজেশনে তরুণদের উদ্যোগ প্রশংসনীয় : ইউএনডিপি
রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন : ফুয়াদ
জর্দা-কাগজের সঙ্গে চালানে বিভিন্ন রঙের গুঁড়া পদার্থ
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাইযোদ্ধাদের মর্যাদা রক্ষায় সচেষ্ট থাকার নির্দেশ
সারাদেশে অত্যাচারের উৎসব লেগে গেছে : মান্না
শেখ হাসিনার জন্মদিনে কেক কাটার ঘটনায় বায়েজিদে নারীসহ আটক ৭
চট্টগ্রামে মাদক কারবারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার ১৫