ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রোডক্র্যাশে তরুণদের হতাহত বেশি, সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চান তারা


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৯-৯-২০২৬ বিকাল ৫:৭

সড়ক দুর্ঘটনায় তরুণ ও যুবকদের হতাহতের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তরুণদের সম্পৃক্ততা বেশি হওয়ায় অতিরিক্ত গতি, হেলমেটের সঠিক ব্যবহার না করা ও ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংসহ নানা কারণে তারা সড়কে বেশি ঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন।

এ পরিস্থিতিতে গতি নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ যানবাহন, মানসম্মত হেলমেট ও সিটবেল্টের ব্যবহার এবং দুর্ঘটনার পর দ্রুত জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন তরুণরা।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের সভাকক্ষে ‘সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইনের পক্ষে তরুণদের আহ্বান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, বিশ্বজুড়ে ৫ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ সড়ক দুর্ঘটনা। বাংলাদেশেও তরুণদের বড় একটি অংশ মোটরসাইকেল ব্যবহার করায় তাদের সড়কঝুঁকি বাড়ছে। অতিরিক্ত গতি, নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহারে অনীহা এবং ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি চালানোর পাশাপাশি দুর্ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসা ও জরুরি সেবা না পাওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা আরও বাড়তে পারে।

সভায় নিরাপদ যানবাহন, গতি নিয়ন্ত্রণ, মানসম্মত হেলমেট এবং দুর্ঘটনা-পরবর্তী জরুরি সেবা নিয়ে প্যানেল আলোচনা হয়। পাশাপাশি ‘রোড সেফটি আইন কেন দরকার ও তরুণদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনায় সড়ক নিরাপত্তায় তরুণদের অংশগ্রহণ ও তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।

বক্তারা বলেন, শুধু আইন প্রণয়ন করলেই সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না। আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন, সড়ক ব্যবহারকারীদের সচেতনতা এবং নিরাপদ যানবাহন ও সড়কব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার পর দ্রুত ও কার্যকর জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার বিষয়টিও সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

তারা আরও বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তরুণদের মতামত ও উদ্যোগকে কাজে লাগাতে হবে। তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার কার্যক্রম আরও জোরদার করা সম্ভব।

আহ্ছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িংয়ের সমন্বয়কারী মারজানা মুনতাহার সঞ্চালনায় সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের রোড সেফটি প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী শারমিন রহমান।

এ সময় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ডিবেট ফেডারেশনের সদস্য মো. ইস্তিয়াক ইমন, মিশন গ্রিন বাংলাদেশের সদস্য মো. ইফরাত হোসাইন, স্বেচ্ছাসেবক সমন্বয়কারী মো. আরমান হোসাইন রায়েদ এবং বাংলাদেশ মেডিকেল স্টুডেন্ট সোসাইটির সদস্য নওশীন নাওয়ার আচল।

সভায় বক্তারা সড়ক নিরাপত্তাকে একটি সমন্বিত বিষয় হিসেবে বিবেচনা করে যানবাহনের নিরাপত্তা, গতি নিয়ন্ত্রণ, সড়ক ব্যবহারকারীর আচরণ এবং দুর্ঘটনা-পরবর্তী জরুরি সেবাকে একই কাঠামোর আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেন।

aliul / aliul

প্রান্তিক মানুষের কল্যাণে কাজ করবে স্থায়ী কমিটি

দলীয় পরিচয় নয়, অপরাধী হিসেবেই ব্যবস্থা : আইজিপি

রোডক্র্যাশে তরুণদের হতাহত বেশি, সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চান তারা

মাছ বিক্রিতে কারচুপি ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য, চট্টগ্রামে জরিমানা ২৯ হাজার

গভীর বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল, ১৩ জেলেকে জীবিত উদ্ধার

ব্রহ্মপুত্র-যমুনার পানি কমবে আরও ৫ দিন

ঢাকার ঐতিহাসিক স্থান আর ধ্বংস হতে দেওয়া যাবে না : ডিএসসিসি প্রশাসক

১২-৪০ মিনিটের মধ্যে দিতে হবে যাত্রীদের লাগেজ, নাহয় জরিমানা

স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন আহ্বান, জমা ১ নভেম্বরের মধ্যে

চীনা রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যাশা

এআইয়ের অপব্যবহার করে সম্মানহানি করা হচ্ছে, পদক্ষেপ নিতে চায় সরকার

বিপিসির কাছে ব্যাখ্যা চাইল সংসদীয় কমিটি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির প্রভাব রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে পড়বে না