গ্রাহককে ফোন করে বিদ্যুৎ মন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ
৫০৭ কোটি টাকার ভুয়া বিল দেয়ায় মাগুরা পল্লী বিদ্যুতের জিএম তাৎক্ষণিক বরখাস্ত
মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে এক আবাসিক গ্রাহকের নামে প্রায় ৫০৭ কোটি টাকার অস্বাভাবিক বিল দেওয়ার ঘটনায় মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মহিতুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের জরুরি নির্দেশনায় বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়।
ঘটনাটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর বিদ্যুৎ মন্ত্রী বিষয়টি জানতে পারেন। পরে তিনি ভুক্তভোগী গ্রাহকের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন এবং অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনার জন্য তার কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী গ্রাহককে জানান, ইতোমধ্যে বিলটি সংশোধন করে সঠিক বিল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো সমস্যা হলে সরাসরি কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্যও তিনি গ্রাহককে অনুরোধ করেন।
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মিটার পরিবর্তনের সময় অসাবধানতাবশত মিটারের সিল নম্বরের অঙ্কগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হয়ে যায়। এর ফলে ওই গ্রাহকের নামে অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধেও কঠোর বিভাগীয় ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী।
যেভাবে ৫০৭ কোটি টাকার বিল
মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর মাসের ওই বিল ইস্যু করা হয়।
বিলের তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ সেপ্টেম্বর মিটারের বর্তমান রিডিং ছিল ৩৯৫ এবং ৮ আগস্টের পূর্ববর্তী রিডিং ছিল ১৬০। অর্থাৎ এক মাসে গ্রাহক বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন ২৩৫ ইউনিট।
এই ২৩৫ ইউনিটের বিপরীতে স্বাভাবিক বিলের পাশাপাশি ডিমান্ড চার্জ হিসেবে দেখানো হয় ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট এবং ১০ টাকা মিটার ভাড়া যোগ করে মোট বিল দাঁড়ায় ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ এর পরিমাণ দাঁড়ানোর কথা ছিল ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা।
অথচ ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রকৃত বিল হওয়ার কথা ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ তা দাঁড়ানোর কথা ২ হাজার ৫৬ টাকা।
গত ১০ সেপ্টেম্বর বিলটি ইস্যু করা হয়েছিল। বিল পরিশোধের শেষ তারিখ ছিল মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর)। এতে গ্রাহকের শ্রেণি হিসেবে 'এলটি-এ (আবাসিক)' উল্লেখ করা হয়।
এর আগে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছিলেন, মিটার পরিবর্তনের সময় ভুলবশত মিটারের সিল নম্বরের অঙ্কগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হওয়ায় অস্বাভাবিক বিলটি তৈরি হয়েছিল। বিলটি দ্রুত সংশোধন করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছিলেন।
এদিকে এ ঘটনায় ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনবান্ধব ও সেবাধর্মী প্রশাসন নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। বিদ্যুৎ সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এমএসএম / এমএসএম
দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্তের প্রতিবাদে কাপ্তাইয়ে বিএনপির বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ
বেনাপোল বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা ৫ লাখ টাকার ফলের চালান আটক
৫০৭ কোটি টাকার ভুয়া বিল দেয়ায় মাগুরা পল্লী বিদ্যুতের জিএম তাৎক্ষণিক বরখাস্ত
চুনতি অভয়ারণ্যে বনখেকোদের তাণ্ডব
বাঘায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড
পঞ্চগড় পৌর শহরে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
নাগরিক সেবায় প্রকাশ্য ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ: কচুয়ায় ইউপি প্রশাসক অবরুদ্ধ, উদ্ধার করল প্রশাসন
সিংড়ায় ৫ দিন ধরে গৃহবধূ ও শিশুকন্যা নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার
চাঁদপুরে কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে অভিযান, ১১ জনের কারাদণ্ড
প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রশান্তি আর বিনোদনের অপূর্ব ঠিকানা " শালিখা ইকোপার্ক "
বরিশালের আটটি কলেজে একাদশে শ্রেণিতে এবারও মেলেনি কোনো শিক্ষার্থী
নোয়াখালী মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ টাকার প্রকল্প অনুমোদন