ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

কালিহাতীতে ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকার প্রকল্পে ধীরগতি, যত্রতত্র ময়লা ফেলায় দূষিত হচ্ছে পরিবেশ


এনায়েত করিম, কালিহাতী photo এনায়েত করিম, কালিহাতী
প্রকাশিত: ১-১০-২০২৬ দুপুর ২:২২

চুক্তি অনুযায়ী আট মাসে নির্মাণকাজ শেষ করে চালু হওয়ার কথা ছিল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্টটির। কিন্তু সেই কাজ শেষ করতেই পেরিয়ে গেছে সাড়ে চার বছরের বেশি সময়। টাঙ্গাইলের কালিহাতী পৌরসভায় প্রায় ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ‘সমন্বিত কঠিন ও মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট’ এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত হয়নি। ফলে একদিকে পড়ে আছে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সম্ভাবনাময় অবকাঠামো, অন্যদিকে প্রতিদিনের বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে পৌর এলাকার পরিবেশ।

পৌরসভায় নির্দিষ্ট কোনো ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় বাসাবাড়ি, বাজার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে উৎপন্ন ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে রাস্তাঘাটের পাশে, ফসলি জমির কোণে এবং উন্মুক্ত পুকুরে। এতে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, দূষিত হচ্ছে পানি ও আশপাশের পরিবেশ। বাড়ছে জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ। বর্জ্য থেকে জৈব সার ও জ্বালানি উৎপাদনের যে সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার কথা ছিল, দীর্ঘসূত্রতায় তা এখনো বাস্তব রূপ পায়নি।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, জমি অধিগ্রহণের জটিলতা, মাটি ভরাট, জলাবদ্ধতা, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানিতে বিলম্বের কারণে প্রকল্পটি পিছিয়েছে। ঠিকাদারদের দাবি, নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এলেই প্ল্যান্ট চালুর প্রক্রিয়া এগোবে। তবে কবে নাগাদ পুরোপুরি চালু হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত সময়সীমা পাওয়া যায়নি।

আট মাসের কাজ সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি

পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৫ দশমিক ৫২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের কালিহাতী পৌরসভায় রয়েছে ৯টি ওয়ার্ড ও ১৮টি মহল্লা। প্রায় ৪২ হাজার মানুষের বসবাস এ পৌর এলাকায়। প্রতিদিন এখানে গড়ে এক থেকে দেড় টন কঠিন ও তরল বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এসব বর্জ্য সঠিকভাবে সংগ্রহ, পৃথকীকরণ ও পরিশোধনের ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে রয়েছেন বাসিন্দারা।

এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ এবং পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে পৌরসভার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় প্রায় তিন একর জমিতে সমন্বিত কঠিন ও মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০২২ সালের ১ মার্চ প্রায় ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। কাজটি পায় ঢাকার ‘টার্ন-এনসি (জেভি)’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। কার্যাদেশ অনুযায়ী, আট মাসের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্ল্যান্টটি হস্তান্তরের কথা ছিল।

কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও প্রকল্পের কাজ শেষ হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে নির্মাণাধীন থাকায় একদিকে নাগরিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সংকট রয়ে গেছে, অন্যদিকে প্রকল্পের কাঙ্ক্ষিত সুফল থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন পৌরবাসী।

 যত্রতত্র বর্জ্য, বাড়ছে পরিবেশদূষণের ঝুঁকি

প্ল্যান্ট চালু না হওয়ায় পৌর এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সংকট কাটছে না। নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন স্থানে জমছে আবর্জনা। কোথাও রাস্তার পাশে, কোথাও ফসলি জমির কিনারে, আবার কোথাও উন্মুক্ত জলাশয়ে ফেলা হচ্ছে বর্জ্য।

এসব বর্জ্য থেকে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি মাটি ও পানি দূষিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। বৃষ্টির পানিতে বর্জ্যের বিভিন্ন উপাদান ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের জলাশয় ও কৃষিজমিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। জমে থাকা বর্জ্যে মাছি ও অন্যান্য রোগবাহক প্রাণীর বিস্তার ঘটার ঝুঁকিও রয়েছে।

বিশেষ করে আবাসিক এলাকার আশপাশে এভাবে বর্জ্য জমতে থাকায় স্থানীয়দের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্প নেওয়া হলেও তা কার্যকর না হওয়ায় বিদ্যমান সংকটের সমাধান মিলছে না।

 আধুনিক প্রযুক্তিতে বর্জ্য হবে সম্পদ

সরেজমিনে প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্ল্যান্টের চারপাশে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। তবে বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ কমবাসশন মেশিনের জন্য নির্ধারিত শেডের নির্মাণকাজ তখনো চলছিল। ফলে পুরো অবকাঠামো প্রস্তুত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা যায়নি।

প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এখানে কঠিন ও মানববর্জ্য পৃথকভাবে সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাত করার ব্যবস্থা থাকবে। মানববর্জ্যের তরল অংশ পরিশোধনের জন্য রাখা হয়েছে প্ল্যান্টেড ড্রায়িং বেড ও অ্যানেরোবিক ব্যাফেল রিঅ্যাক্টর (এবিআর)। এ ছাড়া নির্মিত ওয়েটল্যান্ড ও পলিশিং পন্ডের মাধ্যমে পরিশোধিত পানি ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা রয়েছে।

বর্জ্য বাছাই ও প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য রাখা হয়েছে সর্টিং শেড ও কম্পোস্ট শেড। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য রয়েছে অফিসকক্ষ, নিরাপত্তাকক্ষ ও পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথমে সংগৃহীত বর্জ্য বাছাই করে লোহা, প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতল, কাঠ ও কাচের মতো অপচনশীল উপাদান আলাদা করা হবে। পচনশীল বর্জ্য এবং উপযুক্তভাবে প্রস্তুত মানববর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে জৈব সার উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে অনুমোদিত প্রযুক্তি ও নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় বর্জ্য থেকে জ্বালানি বা গ্যাস উৎপাদনের সম্ভাবনাও রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, প্ল্যান্টটি পুরোপুরি চালু হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরানোর পাশাপাশি কৃষিতে জৈব সারের ব্যবহার বাড়ানো এবং পরিবেশদূষণ কমানোর সুযোগ তৈরি হবে। তবে এসব সুবিধা বাস্তবায়নের জন্য প্ল্যান্টের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন এবং নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহ নিশ্চিত করা জরুরি।

 যন্ত্রপাতি সরবরাহেও দীর্ঘসূত্রতা

প্রকল্পের বিলম্বের আরেকটি বড় কারণ প্রয়োজনীয় কমবাসশন মেশিন সরবরাহে জটিলতা। এ মেশিন সরবরাহের জন্য ২০২৪ সালের ১২ মার্চ ‘লাবণী-কেএইচটি (জেভি)’ নামের একটি যৌথ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। এ খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ২ লাখ ৬৬ হাজার ৮৮০ টাকা। চুক্তি অনুযায়ী, এক বছরের মধ্যে মেশিন সরবরাহের কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা করা সম্ভব হয়নি।

ঠিকাদার সাদেকুল ইসলাম কাঞ্চন জানান, বিশেষায়িত কমবাসশন মেশিনটি চীন থেকে আমদানি করতে হচ্ছে। গত কয়েক বছরে চীনের সঙ্গে ব্যাংকের ঋণপত্র বা এলসি খোলার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ নানা জটিলতা ছিল। এ কারণে নির্ধারিত সময়ে মেশিনটি দেশে আনা যায়নি।

তিনি বলেন, বর্তমানে এলসি-সংক্রান্ত জটিলতা কেটে গেছে এবং মেশিনের অর্ডার চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী দেড় মাসের মধ্যে মেশিনটি প্রকল্প এলাকায় পৌঁছাতে পারে বলে আশা করছেন তাঁরা।

ঠিকাদারের দাবি, দুই মাসের মধ্যে হস্তান্তর

নির্মাণকাজে দীর্ঘসূত্রতার বিষয়ে মূল অবকাঠামো নির্মাণের ঠিকাদার নূরে আলম টিটু বলেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন, জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত আইনি জটিলতা, স্থানীয় পর্যায়ের নানা সমস্যা, নিচু জমিতে মাটি ভরাট এবং দীর্ঘ সময় জলাবদ্ধতার কারণে কাজ পিছিয়ে গেছে।

তিনি জানান, নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী দুই মাসের মধ্যে প্ল্যান্টটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী।

তবে ঠিকাদারের এ আশ্বাসের পাশাপাশি যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও স্থাপন, পরীক্ষামূলক কার্যক্রম এবং বর্জ্য সংগ্রহের পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হলেই নাগরিকেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এর সুফল পাবেন না; কার্যকর পরিচালনাব্যবস্থাও প্রয়োজন।

 প্রস্তুত রয়েছে বর্জ্য পরিবহনের যানবাহন

কালিহাতী পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মোশারফ হোসেন জানান, মানববর্জ্য নিরাপদে সংগ্রহ ও পরিবহনের জন্য পৌরসভাকে পাঁচটি ভ্যান দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন বাসাবাড়ি, অফিস-আদালত ও অন্যান্য স্থাপনার সেপটিক ট্যাংক থেকে মানববর্জ্য সংগ্রহের জন্য একটি ভেকু ট্রাক এবং অপচনশীল বর্জ্য পরিবহনের জন্য একটি গার্বেজ ট্রাকও সরবরাহ করা হয়েছে।

তবে প্ল্যান্টটি চালু না হওয়ায় যানবাহনগুলো পৌরসভার গ্যারেজে রাখা হয়েছে। ফলে এসব যানবাহনের মাধ্যমে পরিকল্পিত বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহন কার্যক্রম এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু করা সম্ভব হয়নি।

 কৃষিতে জৈব সারের সম্ভাবনা

কালিহাতী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারহানা মামুন বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও টেকসই কৃষিকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নিতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পর্যাপ্ত মানসম্পন্ন জৈব সার উৎপাদন করা গেলে কৃষকেরা তুলনামূলক কম দামে তা ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এতে মাটির জৈব পদার্থ বাড়ানো এবং দীর্ঘমেয়াদে মাটির উর্বরতা রক্ষায় সহায়তা মিলতে পারে।

তাঁর মতে, পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি ও পরিবেশ—উভয় ক্ষেত্রেই ইতিবাচক ফল পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে উৎপাদিত সারের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করাও জরুরি।

 দ্রুত চালুর আশ্বাস প্রশাসনের

কালিহাতী উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী গাজিউর রহমান বলেন, প্ল্যান্টের নকশা ও ডিজাইন অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন এবং নির্মাণের গুণগত মান নিশ্চিত করতে তাঁরা কাজ করছেন। জমি অধিগ্রহণ, মাটি ভরাট ও বর্ষাজনিত সমস্যার কারণে নির্মাণকাজ শেষ করতে বিলম্ব হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও পৌরসভার সহযোগিতায় কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

তিনি বলেন, সঠিকভাবে বর্জ্য সংগ্রহ করে বৈজ্ঞানিক ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত করা গেলে বর্জ্য পরিবেশের বোঝা না হয়ে মূল্যবান সম্পদে পরিণত হতে পারে।

কালিহাতী পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার বলেন, পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত কঠিন ও মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্টটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি হস্তান্তরের জন্য ঠিকাদার ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, বিভিন্ন কারণে প্ল্যান্টটি এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত কার্যক্রম শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পৌর এলাকার বর্জ্য সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করা এবং উৎপাদিত জৈব সার কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

 সম্ভাবনা আছে, প্রয়োজন বাস্তবায়ন

কালিহাতী পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সংকট নিরসনে প্রায় সাড়ে চার বছর আগে নেওয়া প্রকল্পটি এখনো পুরোপুরি কার্যকর না হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে এর বাস্তবায়ন ও সময় ব্যবস্থাপনা নিয়ে। নির্মাণকাজ শেষ করার আশ্বাস এবং যন্ত্রপাতি সরবরাহের প্রতিশ্রুতি থাকলেও প্রকল্পটি কবে নাগাদ বাস্তবে চালু হবে, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

দ্রুত নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন, পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষ করা এবং নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা চালু করা গেলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমতে পারে। একই সঙ্গে উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য ফেলার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশদূষণ কমানো এবং জৈব সার উৎপাদনের মাধ্যমে বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের সুযোগ তৈরি হবে।

কিন্তু তত দিন পর্যন্ত কালিহাতীবাসীর সামনে থেকে যাচ্ছে সেই পুরোনো সংকট—যত্রতত্র বর্জ্য, দুর্গন্ধ আর দূষণের ঝুঁকি। কোটি টাকার প্রকল্পের সুফল পেতে এখন প্রয়োজন প্রতিশ্রুতির দ্রুত বাস্তবায়ন।

এমএসএম / এমএসএম

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক প্রবীন দিবস উদ্যাপিত

লাকসামে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎ শিল্পীরা

বাগেরহাটের রামপালে ক্যাশলেস বাংলাদেশ” সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক ক্যা¤েপইন অনুষ্ঠিত

সিংড়ায় কৃষি জমিতে কচুরীপানা অপসারণ শুরু

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানাতে গজারিয়া নেতাকর্মী সহ সাধারণ মানুষের ঢল

জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন নাটোরের সিংড়ার সন্তান রাকিবুল ইসলাম সবুজ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

গোদাগাড়ীতে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সিনেমায় যে মনপুরা জয় করেছে হৃদয়, বাস্তবে সেই দ্বীপই অপেক্ষায় পর্যটকের

মান্দায় বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত

সাংবাদিকের বাড়িতে তাণ্ডব ও লুটপাট: হাটিকুমরুলে মানববন্ধন, কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে টুঙ্গিপাড়া পৌর বিএনপি সভাপতির পদ স্থগিত

উলিপুরে ছাগলের পিপিআর টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন