তারুণ্যের উন্নয়নে নিবেদিত প্রাণ অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান রিজভী
তরুণ সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান রিজভী। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে ২০০০ সালে নিজ এলাকা নওগাঁয় ফিরে এসে তিনি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সন্তানদের জন্য কোচিং কার্যক্রম শুরু করেন। উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের পরামর্শ প্রদানসহ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য বিনামূল্যে ক্যাম্পাসে নিয়ে যাওয়া, থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও করেন তিনি। শুধু শিক্ষা নয়, তরুণ ও বেকার যুবক-যুবতীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-এর অধীনে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তার উদ্যোগে এক হাজারেরও বেশি তরুণ-তরুণী আত্মনির্ভরশীল হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। অধ্যক্ষ রিজভী ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী শতাধিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন।
পাশাপাশি প্রজন্ম মানবিক অধিকার উন্নয়ন কেন্দ্রসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার সহায়তায় বিনামূল্যে কম্পিউটার ট্রেনিং, ফ্রিল্যান্সিং, যুব উন্নয়ন ট্রেনিং, গরীব অসহায় ছিন্নমূল শিশুদের বিনামূল্যে পাঠদান, পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,অন্যান্য সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি, ধূমপান তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, আত্মহত্যার প্রবণতা রোধ, বৃক্ষরোপণ, জেন্ডার সমতা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছেন তিনি। চারবার মেডিকেল ক্যাম্প ও চক্ষু শিবির আয়োজন করে বিনামূল্যে ওষুধ, চশমা এবং ছানি অপারেশনের ব্যবস্থা করেন। রহমান স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট-এর মাধ্যমে তিনি বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দিয়ে সরকারি সনদের ব্যবস্থা করেন।
এছাড়া ফ্রিল্যান্সিং খাতে দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন ও অফিস অ্যাপ্লিকেশন বিষয়ে বিনামূল্যে কোর্স পরিচালনা করছেন। এ ক্ষেত্রে অনগ্রসর শ্রেণি পেশার মানুষ ও তাদের সন্তান, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তি ও পবিত্র কুরআনের হাফেজদের অগ্রধিকার প্রদান করা হয়। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে খাদ্যের মোড়কে অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ট্রান্স ফ্যাটের পরিমাণ উল্লেখসহ স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা সংযোজনের ক্যাম্পেইনে অবদান রাখছেন। পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষে গড়ে ওঠা বহুমাত্রিক যুব সংগঠন প্রজন্মের মেলা ও প্রজন্ম পাঠাগারের মাধ্যমে ক্যারিয়ার প্লান, পাঠচক্র,উপস্থিত বক্তৃতা,বিতর্কসহ বিভিন্ন যুব উন্নয়ন তথা তরুণ যুব সমাজের আর্থিক ও আধ্যাত্মিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছেন।
কারিগরি শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখছেন নওগাঁ আত্রাই এর কৃতি সন্তান অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান রিজভী। তিনি জেলার আত্রাই উপজেলার হাটুরিয়া গ্রামে ১৯৭৫ সালের ২৫ অক্টোম্বর এক সাধারণ মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মৃত মোহম্মাদ আলী মোল্যা, মাতা মোছাঃ সুফিয়া খাতুন।
আব্দুর রহমান রিজভী স্থানীয় কোঁচপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষাজীবন শুরু করেন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে ১৯৯৬ সালে অনার্স, ১৯৯৭ সালে মাষ্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন। ছাত্র জীবনে তিনি কম্পিউটার, সাংবাদিকতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান থেকে একাধিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। এছাড়া বিএনসিসি, স্কাউট ও রোভার স্কাউট শাখায় অ্যাডভ্যান্স ও স্কীল কোর্স সম্পন্ন করে উভয় শাখায় উড ব্যাচ প্রাপ্তির তালিকায় রয়েছে।
শিক্ষাজীবন শেষে আব্দুর রহমান রিজভী বান্দাইখাড়া ডিগ্রী কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন। এ সময় তিনি কারিগরি শিক্ষা ছড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে ২০০০ সালে প্রজন্ম কম্পিউটার কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন পরবর্তীতে ২০০২ সালে এটার নাম পরিবর্তন করে প্রতিষ্ঠা করেন ‘বান্দাইখাড়া টেকনিক্যাল অ্যান্ড বি.এম কলেজ’। প্রতিষ্ঠানটি অল্পদিনেই ব্যাপক সুনাম অর্জন করে। পরবর্তীতে শিক্ষার গুনগত মান বিবেচনা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ২০০৪ সালের ১ মে প্রতিষ্ঠানটিকে এমপিওভুক্ত করা হয়। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে চলছে বিষয়ভিত্তিক অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা পাঠদান, ছাত্রছাত্রীদের হাজিরা নেয়া হয় ফিঙ্গার প্রিন্ট ডিভাইসের মাধ্যমে, সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ক্লাশরুম ও কলেজ ক্যাম্পাস, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কম্পিউটার ল্যাব, উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন সোলার প্যানেল দ্বারা সার্বক্ষণিক বিদ্যুতের ব্যবস্থা, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং কলেজের নিজস্ব একাডেমিক ক্যালেন্ডার, সাপ্তাহিক, মাসিক ও ত্রৈমাসিক পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাটি উত্তরবঙ্গের একটি মডেল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এখন শুধু এই প্রতিষ্ঠানটির পরিচিতি নওগাঁ জেলায় নয় পরিচিতি রয়েছে উত্তরবঙ্গে এবং রাজধানী ঢাকাতেও।
অধ্যক্ষ রিজভী প্রতিষ্ঠিত বান্দাইখাড়া টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ-এ শিক্ষার্থীদের জন্য যুগোপযোগী নানা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ, ফ্রিল্যান্সি এর মাধ্যমে পড়ালেখার পাশাপাশি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি, স্বাস্থ্য সচেতনতা, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা সেমিনার, রোভার স্কাউটিং, উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম। কলেজটিতে আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে শ্রেণিকক্ষের অডিও ভিডিও মনিটরিং, এবং ২০১৩ সাল থেকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট অ্যাটেনডেন্স চালু রয়েছে। এছাড়া অনলাইন ক্লাসের ব্যবস্থাও দীর্ঘদিন ধরে চালু রয়েছে। এ সমস্ত বিষয় নিয়ে স্থানীয়-জাতীয় প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রোনিক্স মিডিয়ায় একাধিক নিউজ প্রচারিত হয়েছে।
কলেজের ডিজটাল কর্মসূচি নিয়ে যমুনা টেলিভিশনের সকালের বাংলাদেশ অনুষ্ঠানে এজ লাইভ প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। এছাড়া নিউজ ২৪ টিভি চ্যানেলে কলেজের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়।
অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান রিজভী অত্যন্ত সৎ, নির্ভীক, দানশীল, উদার, মিষ্টভাষী, নম্র এবং ভদ্র ও আদর্শ শিক্ষক হিসেবে সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের মন জয় করে নিয়েছেন। তিনি তাঁর মেধা, আন্তরিকতা ও সততা দিয়ে প্রতিনিয়ত শিক্ষার আলো ছড়িয়ে চলেছেন। পাশাপাশি তিনি শিক্ষক-কর্মচারিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার আদায়ের সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে সভা ও মিছিলের অগ্রভাগে থেকে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি কারিগরি শিক্ষার সার্বজনিন কল্যাণে নিবেদিত একজন কর্মমুখর মানুষ। তিনি “প্রগতিশীল শিক্ষা পরিষদ” কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, বেসরকারি শিক্ষক অ্যালায়েন্স কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক, “সেন্টার ফর কোয়ালিটি ইডুকেশন বাংলাদেশ” এর নওগাঁ জেলার আহবায়ক, বাংলাদেশ কারিগরি কলেজ শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সংগঠনিক সম্পাদক ও নওগাঁ জেলা শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে। তিনি জাতীয় পর্যায়েও শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রামে কাজ করে যাচ্ছেন।
নওগাঁ জেলাকে আধুনিক সমৃদ্ধ শহরে রুপান্তরিত করার প্রত্যয়ে গঠিত ‘‘সোসাল ইনোভেশন টিম” এর গবেষণা ও মূল্যায়ন সম্পাদক “ নওগাঁ আইসিটি ডেভেলপমেন্ট ফোরাম” এর শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও আইসিটি ডেভেলপমেন্ট ফোরাম আত্রাই উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করছেন তিনি। নওগাঁর সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন-একুশে পরিষদ,রোটারী ইন্টারন্যাশনাল, ভিবিডি- ভলেন্টিয়ার ফর বাংলাদেশ,বিডি ক্লিন, এক্স ক্যাডেট অ্যাসোশিয়েশন, এপেক্স ক্লাবেরও সক্রিয় সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান রিজভী । বিভিন্ন সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিনি উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রদান করেন এবং আত্রাই উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত ফ্রিল্যান্সিং কোর্সে কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মানবিক সহায়তা কার্যক্রমেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়। প্রজন্ম মানবিক অধিকার উন্নয়ন কেন্দ্র-এর মাধ্যমে ঈদ সামগ্রী বিতরণ, শীতবস্ত্র প্রদান এবং করোনা মহামারির সময় খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন তিনি।
অধ্যক্ষ রিজভী বলেন, তরুণদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি না করতে পারলে তারা মাদকসহ নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। তাই তাদের কল্যাণে কাজ করাকে এবং শিক্ষকতা পেশাকে আমি ইবাদত মনে করি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে অনেক তরুণ মোবাইল গেমে আসক্ত হয়ে পড়ছে। তাদের এই আসক্তি থেকে বের করে এনে ফ্রিল্যান্সিংসহ বিভিন্ন জীবনমূখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আয়ের পথ তৈরি করাই তার অন্যতম লক্ষ্য। অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান রিজভী জানান,কারিগরি বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার না দিলে দেশকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। কর্মমুখী শিক্ষা আত্মকর্মসংস্থানের নানা সুযোগ সৃষ্টি করে। কর্মমুখী শিক্ষায় দক্ষ জনশক্তিকে আমরা বিদেশে পাঠিয়ে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশকে আর্থিকভাবে সমৃদ্ধিশালী করতে পারি। গুনগত শিক্ষা বিস্তার করে দেশের সেবা কারার জন্য সকলের দোয়া ও সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি। প্রথম দিকে তার এসব উদ্যোগ নানা বাধার সম্মুখীন হলেও সময়ের সাথে সাথে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এসেছে। এখন তার কাজের প্রশংসা করছেন স্থানীয়রাও এমনটাই জানান অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান রিজভী।
উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রীর এটুআই কার্যালয় থেকে নওগাঁ জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পায় প্রতিষ্ঠানটি। পরবর্তীতে ২০২২ ও ২০২৬ সালে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে কারিগরি পর্যায়ে জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়। ব্যক্তিগত অর্জন হিসেবেও অধ্যক্ষ রিজভী ২০২২ সালে নওগাঁ জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান (কারিগরি), ২০২৪ সালে রাজশাহী বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ এবং ২০২৬ সালে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান (কারিগরি) হিসেবে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। শিক্ষা ও গবেষণায় অনন্য সাফল্যের জন্য তিনি পরিচিত। রবীন্দ্র জার্নাল, দ্রোহী জার্নাল সহ বিভিন্ন গবেষণা সাময়িকীতে তাঁর প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং তিনি এইচএসসি ও এসএসসি স্তরের কম্পিউটার ট্রেডের একাধিক সহায়ক গ্রন্থ রচনা ও সম্পাদনা করেছেন।
বান্দাইখাড়া ডিগ্রী কলেজে শিক্ষকতার সময় সেখানে তিনি বায়তুল মামুর নামে জামে মসজিদ স্থাপন করেন পরবর্তীতে স্থানীয় ও বিদেশী দাতার মাধ্যমে মসজিদটির ভবন নির্মাণ করেন। এছাড়া আত্রাই-রাণীনগর এলকায় তিনি বিভিন্ন কারিগরি ও সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান স্থাপনে ভূমিকা পালন করেন। নিজ উদ্যোগে এলাকায় সর্বপ্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ডিজিটালাইজেশন করেন। বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের কোচিং করানো, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ করে দেওয়া, এবং বেকার যুবকদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অধীনে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে তিনি ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন। সব বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে সমাজ উন্নয়ন ও তারুণ্যের উন্নয়নে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এই শিক্ষানুরাগী মানুষটি।
এমএসএম / এমএসএম
ময়মনসিংহে সিএনজিকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৭
বাগেরহাটের ফকিরহাটে ঘরের ভেতর থেকে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃতদেহ উদ্ধার
ঘিওরে শারদীয় দুর্গোৎসবে প্রতিমার রুপ ও সৌন্দর্য্য ফুঁটিয়ে তুলতে মহাব্যস্ত শিল্পীরা
শার্শা সীমান্তে আখের বাম্পার ফলন
ভূরুঙ্গামারীতে তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
লেখালিখি হোক সমাজ সংস্কারের হাতিয়ার: লেখক এস এম মাসুদ রানা
বিলাইছড়িতে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা
জলবায়ু পরিবর্তন ও বাস্তুচ্যুতি সংক্রান্ত সংসদীয় ককাসের সদস্য হলেন আবুল হোসেন খান
রায়গঞ্জে র্যালি-আলোচনায় জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালিত
আত্রাইয়ে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
তারুণ্যের উন্নয়নে নিবেদিত প্রাণ অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান রিজভী
বড়লেখায় দৈনিক "মৌলভীবাজার প্রতিদিন" প্রত্রিকার আনুষ্ঠানিক শুভযাত্রা