ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

বন্দরে মাকসুদা হত্যার প্রধান আসামি সাদ্দাম গ্রেপ্তার: মূল হোতা সামাউনকে খুঁজছে পুলিশ


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯-১০-২০২৬ বিকাল ৬:২৫

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পাওনা টাকার বিরোধকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধা মাকসুদা বেগমকে (৬৪) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলার ১ নম্বর আসামি সাদ্দাম হোসেন ওরফে তাউরা সাদ্দামকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের গভীর রাতেই রাজধানীর একটি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে থাকা মামলার অন্যতম আসামি ও হামলার মূল হোতা সামাউন হাবিবকে (৫০) গ্রেপ্তারে জোর অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

​নিহত মাকসুদা বেগম বন্দর থানার মাহমুদনগর কে এন সেন রোড এলাকার মৃত নাজির মিয়ার স্ত্রী। হামলায় নিহতের ছেলে মো. রাসেল ইসলাম (৪৩) ও ভাসুর মো. শফিকুল ইসলাম (৬২) গুরুতর আহত হয়েছেন।

​স্থানীয় সূত্র ও মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সামাউন হাবিব এলাকায় ফিরে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসী ও দখলদারি তৎপরতা শুরু করেন। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্যের নাম ব্যবহার করে তিনি এলাকায় নিজস্ব বলয় গড়ে তোলেন এবং বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ইনসি সিমেন্ট ফ্যাক্টরির ঠিকাদারি ও বর্জ্য নিয়ন্ত্রণসহ ঐতিহ্যবাহী কর্ণফুলী ডকইয়ার্ডের বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড জবরদখল করেন।

​মামলার বিবরণ অনুযায়ী, নিহত মাকসুদা বেগমের ছেলে রাসেল ইসলাম ব্যবসা সূত্রে অভিযুক্ত সাদ্দামের কাছে ১৯ লাখ টাকা পাওনা ছিলেন। পাওনা টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো প্রভাবশালী চক্রটির ভয়ভীতি দেখিয়ে রাসেলকে নানা সময় হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। গত ১২ অক্টোবর রাত পৌনে ৯টার দিকে মাহমুদনগর এলাকায় ইনসি সিমেন্ট ফ্যাক্টরির ২ নম্বর গেট সংলগ্ন রাস্তায় রাসেলকে পেয়ে সাদ্দাম গালিগালাজ শুরু করে। একপর্যায়ে সামাউন হাবিব, সাদ্দাম হোসেন, তায়েম হাবিব (২৮), ওয়ালিদ মুন্সী (৩০), খোকন মিয়া ওরফে তুরগআলী (৬০), মো. সিয়াম (২৩) সহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাসেলের ওপর হামলা চালায়। সামাউনের নির্দেশে সাদ্দাম রামদা দিয়ে রাসেলের পিঠে কোপ মেরে রক্তাক্ত জখম করে এবং অন্য আসামিরা চাপাতি দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করে।

​এ সময় ছেলেকে বাঁচাতে মা মাকসুদা বেগম এগিয়ে এলে হামলাকারীরা রামদা দিয়ে তাঁর মাথার পেছনে, ঘাড়ে ও পিঠে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। পরে রাসেলের চাচা শফিকুল ইসলাম এগিয়ে এলে তাঁকেও কুপিয়ে বাঁ হাতে জখম করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে মাকসুদা বেগম মারা যান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাসেল ইসলাম বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

​এ ঘটনায় নিহতের অপর ছেলে মো. নাদিম মিয়া বাদী হয়ে সাদ্দাম হোসেন ও সামাউন হাবিবসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করে বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

​বন্দর থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের মূল হোতা সামাউন হাবিবসহ অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে একাধিক দল মাঠে কাজ করছে। অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, দ্রুত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

এমএসএম / এমএসএম

বন্দরে মাকসুদা হত্যার প্রধান আসামি সাদ্দাম গ্রেপ্তার: মূল হোতা সামাউনকে খুঁজছে পুলিশ

চৌগাছায় বেড়গোবিন্দপুর বাওড় নিয়ে নোংরা রাজনীতির অভিযোগ: সংবাদ সম্মেলন

আদমদীঘির চাঁপাপুর ইউনিয়ন বিএনপির পূজামন্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান বিতরণ

কুড়িগ্রামে সদর হাসপাতালে ৪ মাস বেতনহীন ৪৭ কর্মচারী, নতুন নিয়োগে টাকা দাবির অভিযোগ মানববন্ধন

ধামইরহাটে ১৪ বিজিবি কর্তৃক ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডলসহ ১ কারবারি আটক

নেত্রকোণার মদনে নবযোগদানকৃত নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

কৃষিজমির মাটি কাটায় ৩ লাখ টাকা জরিমানা

আদমদীঘিতে ২ মাদক কারবারির জেল-জরিমানা

ধামইরহাটে এম.পি এনামুল হক কর্তৃক দূর্গাপুজা উপলক্ষে ১৫০ পরিবারে নতুন শাড়ী বিতরণ

চারঘাট রিপোর্টার্স ইউনিটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত

তেঁতুলিয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ

সাবেক কাউন্সিলর আরিফুল ইসলাম গ্রেপ্তার

ধুনটে কানু মন্ডলের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী