ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬

দ্বিতীয় দফায় কেয়া গ্রুপের চার প্রতিষ্ঠানে ৭ শতাধিক কর্মী ছাঁটাই


মোখলেছুর রহমান, কোনাবাড়ী photo মোখলেছুর রহমান, কোনাবাড়ী
প্রকাশিত: ২০-১০-২০২৬ দুপুর ১২:৩৪

গাজীপুরের কোনাবাড়ীর জরুন এলাকায় আর্থিক ও গ্যাস সংকটের মুখে কেয়া গ্রুপের চারটি কারখানা থেকে দ্বিতীয় দফায় ৭৩৯ জন শ্রমিক ও কর্মচারীকে ছাঁটাই করেছে কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (১৯ অক্টোবর ২০২৬) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কারখানাগুলোর প্রধান ফটকে এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক নোটিশ টানিয়ে দেওয়া হয়। ছাঁটাই কার্যকর হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—কেয়া গ্রুপের নিট কম্পোজিট ডিভিশন, স্পিনিং ডিভিশন, কটন ডিভিশন ও কেয়া ইয়ার্ন মিলস লিমিটেড।

কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ব্যাংকিং জটিলতা, গ্যাস বিল বকেয়া থাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত জনবল থাকায় উৎপাদন ও প্রশাসনিক ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন সেকশন, বিভাগ ও ডিভিশনের পদ বিলুপ্ত করা হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ২০ ধারা অনুযায়ী অতিরিক্ত শ্রমিক-কর্মচারীদের মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) থেকে ছাঁটাই কার্যকর করা হয়েছে। ছাঁটাইকৃতদের সমুদয় আইনানুগ পাওনা পরিশোধের আশ্বাস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর আগে গত ৬ জুন থেকে কারখানাগুলোতে দফায় দফায় লে-অফ (সাময়িক কর্মবিরতি) ঘোষণা করা হচ্ছিল।

এদিকে মঙ্গলবার সকাল থেকেই কারখানার প্রধান ফটকে টানানো তালিকায় নাম দেখতে ভিড় জমান শত শত শ্রমিক। দীর্ঘদিনের কর্মস্থল হারিয়ে অনেকের মধ্যেই চাপা ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দেয়। সুইং সেকশনের অপারেটর ইয়াসমিন বেগম আক্ষেপ করে বলেন, ‘দীর্ঘ ১৮ বছর এ কারখানায় কাজ করে আসছি। এখন হঠাৎ চাকরি হারিয়ে পরিবার নিয়ে কীভাবে চলব, সেই দিশা পাচ্ছি না।’ প্রায় ১৯ বছর পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কর্মরত আবেদা বেগম ফটকের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, জীবনের একটি বড় অংশ এখানে শ্রম দিয়ে শেষ পর্যন্ত শূন্য হাতে অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে হলো।

কেয়া গ্রুপের মানবসম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক সাবিনা ইয়াসমিন জানান, শ্রম আইন অনুযায়ী ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের যাবতীয় আইনগত পাওনা পরিশোধ করা হবে। এ ছাড়া ভবিষ্যতে কারখানায় নতুন নিয়োগের সুযোগ এলে শ্রম আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী অভিজ্ঞ ও ছাঁটাইকৃত দক্ষ শ্রমিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বর্তমানে যাঁদের চাকরি বহাল রয়েছে, তাঁরা চলমান লে-অফের আওতাভুক্ত সুবিধাদি পাবেন।

এ সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক জোট বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, দফায় দফায় লে-অফের পর এক নোটিশে ৭৩৯ জন শ্রমিককে ছাঁটাইয়ের ঘটনা অত্যন্ত অমানবিক। তিনি অবিলম্বে ছাঁটাইকৃতদের সম্পূর্ণ বকেয়া ও ন্যায্য ক্ষতিপূরণ পরিশোধের জোর দাবি জানান।

গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান, কেয়া গ্রুপের চার প্রতিষ্ঠানে ৭৩৯ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছাঁটাইয়ের পর যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে কারখানার প্রধান ফটক ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এমএসএম / এমএসএম

পেকুয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার ২৫ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন

লামা বন বিভাগের তৈন রেঞ্জারের বিরুদ্ধে কাঠ ব্যবসায়ী ও স'মিলে দেনদরবারের অভিযোগ

তারাগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পথসভায় জনসমুদ্র, মানুষের ঢল

‎নাজিরপুরের শ্রীরামকাঠীতে ট্রলারডুবি, শিশুর মৃত্যু; নিখোঁজ মা

দ্বিতীয় দফায় কেয়া গ্রুপের চার প্রতিষ্ঠানে ৭ শতাধিক কর্মী ছাঁটাই

বিলাইছড়িতে শারদীয় দুর্গাপূজার মহাষ্টমী উদযাপন

পিডিবির ছেঁড়া তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারালেন পটিয়ার যুবক

মধুখালীতে সাবেক ও বর্তমান দুই এমপি'র পূজা মন্ডপ পরিদর্শন, শাড়ি ও অনুদান প্রদান

থানায় অভিযোগের মাস পেরিয়ে গেলেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ গৃহবধূ নাজমার

উলিপুরে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

বারহাট্টার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি আনোয়ারুল হক

রংপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুরে প্রধানমন্ত্রী