ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬

মান্দায় হাটের উন্নয়নে পৌণে ১৯ লাখ টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ


মান্দা প্রতিনিধি photo মান্দা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০-১০-২০২৬ দুপুর ৩:৪৩

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় দুটি হাটের অভ্যন্তরীণ উন্নয়নকাজে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নামমাত্র কাজ করে প্রকল্পের পুরো বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। এতে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানরা অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অনুন্নত হাটের উন্নয়নের জন্য প্রাপ্ত ১০ শতাংশ অর্থ থেকে উপজেলার মৈনম ও কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের জন্য ৯ লাখ ৩৫ হাজার ৮৬২ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত ৯ জুলাই উপজেলা হাটবাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় মৈনম ইউনিয়নে চারটি এবং কাঁশোপাড়া ইউনিয়নে পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়।
মৈনম হাটে স্ট্রিট লাইট মেরামত ও স্থাপনের জন্য ৩ লাখ টাকা, পৃথক দুটি সেড নির্মাণে ৩ লাখ করে ৬ লাখ টাকা এবং হাটের অভ্যন্তরীণ নালা ও আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য ৩৫ হাজার ৮৬২ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। অন্যদিকে কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের সিংগীহাটে টয়লেট ও প্রস্রাবখানা নির্মাণে ২ লাখ টাকা, সিংগীহাট থেকে ফকিরপাড়া গ্রামের দুটি সড়ক নির্মাণে ২ লাখ করে ৪ লাখ টাকা, স্ট্রিট লাইট মেরামত ও স্থাপনে ৩ লাখ টাকা এবং নালা পরিষ্কারে ৩৫ হাজার ৮৬২ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
সরেজমিনে মৈনম হাট ঘুরে দেখা যায়, সেখানে আটটি খুঁটির ওপর একটি সেড নির্মাণ করা হয়েছে এবং দুটি নতুন স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে। হাটের অন্য কোথাও দৃশ্যমান উন্নয়নকাজ চোখে পড়েনি।
স্ট্রিট লাইট মেরামত ও স্থাপন প্রকল্পের সভাপতি মৈনম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান। দুটি সেড নির্মাণের পৃথক প্রকল্পের সভাপতি ইউপি সদস্য সুদেব চন্দ্র ও আমজাদ হোসেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বাসিন্দা দাবি করেন, দৃশ্যমান সেড নির্মাণ ও দুটি নতুন স্ট্রিট লাইট স্থাপনে সর্বোচ্চ আড়াই লাখ টাকা খরচ হয়েছে। বাকি টাকা চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা আত্মসাৎ করেছেন। তবে এই ব্যয়ের হিসাবের পক্ষে তিনি কোনো নথি বা প্রমাণপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি।
প্রকল্পের কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য সুদেব চন্দ্র বলেন, প্রকল্পের কাজ সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। শুধু কাগজপত্রে তাঁর কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এ জন্য চেয়ারম্যান তাঁকে ৩ হাজার টাকা দিয়েছেন। একই ধরনের অভিযোগ করেন আরেক প্রকল্পের সভাপতি আমজাদ হোসেন। তাঁর ভাষ্য, প্রকল্পের সভাপতি হওয়ায় তাঁকে ৪ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের সিংগীহাটে একটি টয়লেট ও প্রস্রাবখানা নির্মাণ, দুটি স্ট্রিট লাইট স্থাপন এবং গ্রামের ভেতরে নিম্নমানের ইট দিয়ে একটি সড়ক নির্মাণের কাজ দেখা গেছে। হাটের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ করা অর্থে গ্রামের ভেতরে সড়ক নির্মাণের যৌক্তিকতা ও কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অভিযোগের বিষয়ে মৈনম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান বলেন, অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। কোনো অনিয়ম হয়নি। কাঁশোপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সালামও একই দাবি করেন।
মান্দা উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল কাদের বলেন, হাট দুটির কাজ সঠিকভাবে শেষ হওয়ায় প্রকল্পের সভাপতিদের অনুকূলে অর্থ ছাড় দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ সঠিক নয়।

এমএসএম / এমএসএম

বিজিবি'র অভিযানে ১৬০ বোতল ভারতীয় কফ সিরাপ উদ্ধার

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে কেউ বিতর্কিত করবেন না : প্রধানমন্ত্রী

নেশার টাকা না পাওয়ায় মাকে জবাই করে হত্যা, অভিযুক্ত ছেলে আটক

দুর্গাপূজা সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করে: ব্রিটিশ হাইকমিশনার

চট্টগ্রামে সাংবাদিককে জিম্মি করে টাকা আদায়, গ্রেপ্তার আরও ১

চমেসাসের জমি বিক্রিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা

কালিয়া-নড়াগাতিতে পূজামন্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার

দুর্গাপুজা বাঙ্গালীর সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতির উৎসবঃ এসপি মির্জা সায়েম মাহমুদ

রুহিয়ায় বিএনপির নির্বাচনী জনসভা: ধানের শীষের বিজয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

দাউদকান্দিতে কচুরিপানায় ঢেকে গেছে খিড়াই নদী: স্বাভাবিক প্রবাহ ফেরাতে বাপার উদ্যোগ

দুর্গাপুরে সাংবাদিক আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে আটপাড়ায় মানববন্ধন

লক্ষ্মীছড়ির দুর্গম বর্মাছড়িতে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শ প্রদান

মান্দায় হাটের উন্নয়নে পৌণে ১৯ লাখ টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ