ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬

সোনারগাঁয়ে দূর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবদল নেতা খুন


আনোয়ার হোসেন, সোনারগাঁও photo আনোয়ার হোসেন, সোনারগাঁও
প্রকাশিত: ২২-১০-২০২৬ দুপুর ৪:৬

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে দূর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জহির ফকির (৫০) নামে এক যুবদল নেতা খুন হয়েছেন। গত বুধবার রাত ১০ টায় উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরকিশোরগঞ্জ বালুরমাঠ এলাকায় এঘটনা ঘটে। তিনি তার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ওষুধের ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে দূর্বৃত্তদের হামলার শিকার হয়েছেন। সোনারগাঁ থানার ওসি আব্দুল বারিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত জহির ফকির আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের খালিয়ারচর এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
প্রাথমিক তদন্ত ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে সোনারগাঁ থানার ওসি বলেন, সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় জহির ফকিরের একটি ওষুধের ফার্মেসি রয়েছে। প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার রাতেও তিনি ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ি যাওয়ার পথে দূর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জে একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত জহির ফকির আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের খালিয়ারচর এলাকার বাসিন্দা হলেও তিনি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে পরিবার নিয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। নিহতের ভাগিনা ইসমাইল হোসেনের অভিযোগ, কালাপাহাড়িয়া এলাকার এক রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তার মামার বিরোধ ছিল। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে বেশি আলোচনায় থাকায় তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। কালাপাহাড়িয়া এলাকার মোবারক হোসেন ও তার লোকজন আমার মামাকে এ হত্যা করেছে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আমার মামা নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার প্রতিপক্ষ মোবারক হোসেনও চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দেন। এ কারণে প্রথম থেকেই মোবারক হোসেন আমার মামাকে হুমকি দিয়ে আসছে। এজন্য তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হলো। হত্যাকান্ডে জড়িতদের সনাক্ত করে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব খোরশেদ আলম জানান, জহির ফকির যুবদলের ত্যাগী একজন নেতা ছিল। তার বাড়ি কালাপাহাড়িয়ায় হলেও সে মুন্সীগঞ্জে বসবাস করতো। হঠাৎ খবর পেলাম ১৫-২০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল তাকে হত্যা করছে। ছেলেটা প্রায় সময় আমাকে বলতো যে তাকে মেরে ফেলবে। কিন্তু কে বা কার সঙ্গে ওর বিরোধ ছিল তা নিশ্চিত হতে পারিনি। 
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক জানান, জহির ফকিরের হত্যার কারণ ও হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের এখোনো পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। আইগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এমএসএম / এমএসএম

দুমকীতে ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ

প্রশাসনিক অযুহাতে লালমনিরহাটে নির্মাণ শ্রমিক ফেডারেশনের পরিচিতি সভা পণ্ড

সাভারে নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে বিআরটিএর জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালিত

বাঘায় হাফেজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়নে সুধী সমাবেশ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বোরকা পরে বোমা বিস্ফোরণ ও হামলা, গণপিটুনিতে নিহত ১

চিলমারীতে মাদক কারবারির ভাই কতৃক স্থানীয়দের হুমকি, পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে বড়লেখায় র‍্যালি ও আলোচনা সভা

সোনারগাঁয়ে দূর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবদল নেতা খুন

আদমদীঘি সদর ইউনিয়নে শিক্ষার্থিদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ

চারঘাট ভূমি অফিসে সরকারি বরাদ্দ তসরুপ

রৌমারী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ মোড়ে যাত্রী ছাউনির উদ্বোধন

​চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের উদ্যোগ

সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচারের দাবিতে নেত্রকোনায় আরজেএফ এর মানববন্ধন