ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হবেন জানা যাবে কখন?
দখলদার ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের ভোটগ্রহণ চলছে আজ। স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। যা রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে। ইসরায়েলের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, যদি মানুষের লাইন থাকে তাহলে ভোটগ্রহণের সময় রাত ১০টার পরও বৃদ্ধি করা হবে।
ইসরায়েলে যখন রাত ১০টা বাজবে তখন বাংলাদেশে ঘড়ির কাঁটা থাকবে রাত ২টার ঘরে।
ইসরায়েলের নির্বাচন কমিশন যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে পারে তাহলে বাংলাদেশ সময় রাত ২টার সময়ই জানা যাবে বুথ ফেরত জরিপের ফলাফল। যেগুলো মূলত বেসরকারি সংস্থা ও বিভিন্ন টেলিভিশনগুলো করে থাকে। এই বুথ ফেরত জরিপের মাধ্যমে ধারণা করা যায় কারা ক্ষমতায় আসতে যাচ্ছে।
নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হবে জানা যাবে কখন?
ইসরায়েলের সংসদের ভোটগ্রহণ হয় সংখ্যানুপাতিক হারে। যা পিআর পদ্ধতি নামে পরিচিত। বাংলাদেশের সর্বশেষ নির্বাচনের আগে এই পিআর পদ্ধতির কথা বেশ উ্চ্চারিত হয়েছিল।
যেহেতু পিআর পদ্ধতিতে ইসরায়েলে নির্বাচন হয় তাই ইসরায়েলিরা কোনো প্রার্থীকে ভোট দেন না। এর বদলে তারা দলকে ভোট দিয়ে থাকেন।
ভোটগ্রহণ যখন শেষ হয় তখন দেখা হয় কোন দল কত শতাংশ ভোট পেয়েছে। আর সেটির ওপর ভিত্তি করেই দলগুলোকে পার্লামেন্টে আসন ভাগ করে দেওয়া হয়।
ইসরায়েলি পার্লামেন্টে আসন আছে ১২০টি। যে দল যত ভোট পায় তাদের সেই হিসাব করে আসন দেওয়া হয়। তবে পার্লামেন্টে প্রবেশ করতে চাইলে একটি দলকে অবশ্যই মোট ভোটের সাড়ে ৩ শতাংশ ভোট পেতে হবে।
ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হবেন সেটি জানতে কয়েকদিন; এমনকি কয়েক সপ্তাহও সময় লাগতে পারে।
সংখ্যানুপাতিক বা পিআর পদ্ধতিতে ভোট হওয়ায় ইসরায়েলের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত কোনো দল এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে অন্তত ৬১টি আসন পেতে হবে।
এবারও কোনো দলের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে জোট করে সরকার গঠন করতে হবে। আর এই জোটটি হয় মূলত বড় দল ও ছোট দলগুলোর মধ্যে। তারা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে হিসাব-নিকাশ করে এরপর সরকার গঠনে সম্মত হয়। এরমধ্যে প্রধানমন্ত্রী পদটিও থাকে। এই দলগুলো মিলে ঠিক করে কাকে প্রধানমন্ত্রী করা হবে। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদটিকেও ভাগ করে নেয় তারা। যেমন— একটি জোট পাঁচ বছরের জন্য ক্ষমতায় আসল। তখন তারা নিজেদের মধ্যে চুক্তি করে আড়াই বছর করে তাদের দল থেকে একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবে।
ইসরায়েলের এবারের নির্বাচনে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে গাদি আইজেনকোতের ইয়াশার পার্টি। নির্বাচনের আগে চালানো জরিপে দেখা গেছে, ইসরায়েলের সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোতের দল এবারের নির্বাচনে ৫৪টি আসন পেতে পারে। অপরদিকে নেতানিয়াহুর লিকুদ পেতে পারে ৫০টি আসন। আর আরব দলগুলো পেতে পারে ১৩টি আসন।
সূত্র: আলজাজিরা
aliul / aliul
শান্তির বিনিময়ে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার প্রদানের প্রস্তাব সৌদির
ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হবেন জানা যাবে কখন?
সুদানে ড্রোন হামলায় নিহত ২১
ইসরায়েলের নির্বাচনে আরব ভোটারদের উপস্থিতি বেশি, উদ্বিগ্ন নেতানিয়াহু
গরিবের এক বছরের ‘নিঃশ্বাস’ আর ধনকুবেরের মাত্র একদিনের বিলাস!
অনুমতি দিলো পার্লামেন্ট, সৌদিতে সামরিক সহায়তা পাঠাচ্ছে মিসর
ব্রাজিলের নির্বাচন ‘কারচুপিপূর্ণ’, ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ : ট্রাম্প
ইসরায়েলে নির্বাচন : রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে নেতানিয়াহু
বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
ফ্রান্স থেকে স্পেন : ইউরোপজুড়ে কেন আন্দোলনে নামছে জেন-জি?
মালয়েশিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে ৪ বাংলাদেশি আটক
সানায় হুথিদের ২ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ধ্বংস করল সৌদি জোট