ঢাকা শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

ইঞ্জিনিয়ারিং করে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে তারা: জামায়াত আমির


আরিফুর রহমান photo আরিফুর রহমান
প্রকাশিত: ৩১-১০-২০২৬ বিকাল ৫:৫

বিগত সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি, অর্থ পাচার ও বিচারহীনতার তীব্র সমালোচনা করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত সাড়ে ১৫ বছর এবং বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যাঁরা শহীদ হয়েছেন, তাঁদের রক্তের যথাযথ বিচার নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজনে দেশের গ্রামবাংলার প্রতিটি ঘর থেকে সাধারণ মানুষকে নিয়ে পুনরায় ঢাকা ঘেরাওয়ের কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) ঢাকা থেকে শুরু হওয়া ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনায় আয়োজিত এক বিশাল পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনি ব্যবস্থা ধ্বংসের তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ভোটের ইঞ্জিনিয়ারিং করে কৃত্রিম সংখ্যাগরিষ্ঠতা বাগিয়ে নিয়ে একসময় দাবি করা হয়েছিল ৭০ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছেন। ক্ষমতার মসনদে বসে জনগণের কোনো তোয়াক্কা না করে চরম কর্তৃত্ববাদী কায়দায় দেশ পরিচালনা করা হয়েছে এবং এখনও নানা কৌশলে ক্ষমতার অপব্যবহারের পাঁয়তারা চলছে।

সামাজিক নিরাপত্তা ও প্রণোদনা কর্মসূচির নামে হরিলুটের অভিযোগ তুলে জামায়াত আমির প্রশ্ন রাখেন, নারী ও কৃষকদের সহায়তার নামে যেসব কার্ড ইস্যু করা হয়েছিল, তার প্রকৃত সুফল সাধারণ মানুষ পায়নি। সেই বরাদ্দকৃত অর্থ কি লন্ডনে নাকি শ্রীলঙ্কায় পাচার হয়েছে? তিনি আরও বলেন, সহায়তার নামে এক-দুই হাজার টাকা দিয়ে মাস শেষে গ্যাস ও বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিলের নামে পাঁচ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে মানুষের পকেট কাটা হয়েছে; অথচ জনগণ নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ পায়নি। একইভাবে ২৫-৩০ লাখ থেকে শুরু করে কোটি টাকার বিনিময়ে দলীয় ডিলার নিয়োগ দেওয়ার কারণেই আজ সাধারণ কৃষকেরা সময়মতো ন্যায্য মূল্যে সার পাচ্ছেন না।

তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই এবং বিশেষ করে জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের রক্তের বদলা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দাবিতেই আজ দেশের মানুষ রাজপথে নেমেছে। রাষ্ট্রীয় মদদে চাঁদাবাজি ও জনগণের অর্থ বিদেশে পাচারের যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, তা চিরতরে বন্ধ করতেই এ আন্দোলন।

আগামী দিনের আন্দোলনের রূপরেখা তুলে ধরে তিনি ঘোষণা দেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত একের পর এক কর্মসূচি চলবে। আমরা ঢাকা থেকে লংমার্চ নিয়ে খুলনায় এসেছি; সময় এলে খুলনা থেকেই পুনরায় ঢাকা ঘেরাওয়ের ডাক দেওয়া হবে। তখন মেহনতি জনতা গ্রামবাংলার প্রতিটি ঘর থেকে রাজধানীতে ছুটে আসবে। এ লড়াই কেবল ১১ দলের নয়, বরং সমগ্র জাতির মুক্তির লড়াই। একটি শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন, সাম্যের ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত এ গণসংগ্রাম চলবে।

খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমির মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে পথসভাটি সঞ্চালনা করেন মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি ও খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল। সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এমএসএম / এমএসএম

লাকসামে মজলিশপুর ধর্মাংকুর বৌদ্ধ বিহারে কঠিন চীবর দানোৎসব অনুষ্ঠিত

ধামইরহাটে উপজেলা ও পৌর যুবদলের উদ্যোগে কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

রাজস্থলীতে এইচএসসিতে দুই সরকারি কলেজের চরম বিপর্যয়: পাসের হার ২৭ ও ২৬ শতাংশ, নেই কোনো জিপিএ-৫

কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৮.০৪ শতাংশ, ১৫ প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস

গাজীপুরে সাংবাদিক রিপনের ওপর হামলা ও অপহরণের প্রতিবাদে টঙ্গীতে মানববন্ধন

বাকেরগঞ্জে জামায়াত ছেড়ে শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে ইসলামী আন্দোলনে শাহিন শিকদারের যোগদান

রাজশাহীর বাঘায় আলোচিত রুমিয়া বেগম হত্যা মামলায় বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

উজিরপুরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত

ওসমানী মেডিকেলে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঐক্যবদ্ধ সাংবাদিক সমাজ, মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

ইউটিউব-ফেসবুক দেখে বাড়িতেই ইয়াবা তৈরির চেষ্টা, টঙ্গীতে গ্রেপ্তার যুবক

ভূরুঙ্গামারীতে এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফল প্রকাশ: জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে কলেজ গুলোর শীর্ষে মহিলা কলেজ

টাঙ্গাইলে বিচারিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

এআই দিয়ে ভুয়া ছবি তৈরি করে অপপ্রচার ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে সংবাদ সম্মেলন