ঢাকা বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬

পাবনায় স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হত্যা মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার


পাবনা প্রতিনিধি  photo পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৩১-১-২০২২ দুপুর ৪:৫৫

পাবনায় স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ইয়াসিন আলম (৪০) হত্যা মামলার প্রধান আসামি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পাবনা সদরের ভাঁড়ারা ইউনিয়ন পরিষদের চেযারম্যান আবু সাঈদ খান (৫২)-সহ তিনজনকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। সোমবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে পাবনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আসাদুজ্জামান এ আদেশ দেন। পাবনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট আব্দুস  সামাদ খান রতন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- ভাঁড়ারা ইউনিয়নের নলদহ গ্রামের মৃত হাচেন খানের ছেলে ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ খান (৫২), বিজয়রামপুর গ্রামের মহির বিশ্বাসের ছেলে নাদের বিশ্বাস (৫৩), নলদহ গ্রামের জেলেমুদ্দিনের ছেলে সমো (৩১)। আদালত এইসময় দুজনকে জামিন দিয়েছে। জামিনপ্রাপ্তরা হলেন- ভাঁড়ারা ইউপির দিঘলকান্দি গ্রামের  মোহাম্মদ আলীর ছেলে আলম (৩৩),  চকভাড়ারা গ্রামের মৃত রানু শেখের ছেলে শামসুল হোসেন (৪০)।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভাঁড়ারা ইউনিয়নের ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ইয়াসিন আলম হত্যা মামলায় বর্তমান চেয়ারম্যান আবু সাঈদসহ ৩৪ জন আসামী তাদের মধ্যে ৫ আসামী জেলা দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পন করেন। এ সময় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে বর্তমান চেয়ারম্যানসহ তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।  দুজনের জামিন মঞ্জুর করে আদালত। এই মামলার বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছে।

মামলার এজহার সূত্রে জানা পগছে, ভাঁড়ারা ইউনিয়নের চতুর্থধাপের গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর  পাবনা সদর উপজেলার ১০ ইউনিয়নে পভাটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও চেয়ারম্যান প্রার্থীকে হত্যার কারনে ভাঁড়ারা ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ স্থগিত হওয়ায় বাকি ৯ টি ইউপিতে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউপি ভোটকে সামনে রেখে  গত ১১ ডিসেম্বর সকালে েেকালাদি গ্রামের চারাবটতলা এলাকায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী ( ঘোড়া মার্কা) সুলতান মাহমুদের ১৫-২০ জন সমর্থক ভোটের প্রচারণায় বের হন। 

এ সময় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আবু সাঈদ খানের লোকজনের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে । এতে সুলতান মাহমুদের চাচাতো ভাই স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ইয়াসিন আলমসহ দুই পক্ষের অন্তত ২৫ জন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাজশাহী  মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার সময় ইয়াসিন আলম মারা যান। এ ঘটনায় পরেরদিন ১২ ডিসেম্বর রাতে নিহত ইয়াসিন আলমের পিতা মোজাম্মেল হক বাদি হয়ে ৩৪ জনের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এদিন নির্বাচন কমিশন থেকে ইউপির সকল পদে নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

শাফিন / প্রীতি

‎এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়

শালিখায় ইটভাটার দেয়াল ধসে এক শ্রমিকের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে জামায়াতের নারী কর্মী লাঞ্ছিত: রাজপথে বিশাল বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

আক্কেলপুরে দেশীয় খেলার উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

চাঁদপুরে অস্ত্রসহ বিএনপি নেতা সৈয়দ গ্রেপ্তার

প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের ষড়যন্ত্র ও মানহানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুর ১ আসনে মুক্তিযোদ্ধা ও তার পরিবারের সদস্যরা ধানের শীষের প্রার্থী নাসিরকে সমর্থন

মোহনগঞ্জে সাধারণ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

২২ বছর পর ময়মনসিংহে তারেক রহমান: জনসমুদ্রে নির্বাচনি অঙ্গীকারে মুখর সার্কিট হাউজ মাঠ

জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে যুবকদেরকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করা হবে

টাঙ্গাইলে বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যা, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট

চা -শিল্প রক্ষার দাবিতে শ্রীমঙ্গলে শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন