লাইভ সংবাদে বেতন না পাওয়ার কথা জানালেন সাংবাদিক
বেশ কয়েকমাস ধরে ঠিকমতো বেতন পাচ্ছিলেন না জাম্বিয়ার কেবিএন টেলিভিশনের কর্মীরা। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্টের ভয়ে প্রতিবাদও করতে পারছিলেন না। কিন্তু এর মধ্যেই জমে থাকা ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটান ওই প্রতিষ্ঠানের সংবাদ পাঠক কাবিন্দা কালিমিনা। লাইভ সম্প্রচারের মধ্যেই জানিয়ে দেন তিনিসহ অন্যান্য সহকর্মীদের ঠিকমতো বেতন না পাওয়ার কথা।
শনিবার সন্ধ্যায় সংবাদের টপ হেডলাইন পাঠের মাঝখানে এমন কাণ্ড ঘটান তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, স্বাভাবিকভাবেই শো শুরু করেন তিনি। এরপরই কেবিএন টিভির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেন।
কাবিন্দা কালিমিনা বলেন, লেডিস অ্যান্ড জেন্টেলম্যাল, সংবাদের বাইরে আমরা মানুষ। আমাদেরও বেতন দরকার। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, কেবিএন-এ আমরা বেতন পাচ্ছি না... শারন এবং এখানে থাকা কেউই বেতন পাননি, আমিও পাইনি। আমাদের বেতন দিতে হবে।
এই ঘটনার পরই কালিমিন্দার সম্প্রচার বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। পরে তিনি ভিডিওটি ফেসবুকে শেয়ার করে লিখেছেন, হ্যাঁ, আমি এটা টিভিতে সরাসরি করেছি, কারণ বেশিরভাগ সাংবাদিক কথা বলতে ভয় পায় এর অর্থ এই নয় যে সাংবাদিকেরা কথা বলবে না।
তবে কেবিএন টিভি কর্তৃপক্ষ ওই সাংবাদিককে মাতাল অভিযুক্ত করে তার আচরণকে ঘৃণ্য বলে মন্তব্য করেছে। টেলিভিশনটি প্রধান নির্বাহী কেনেডি মাম্বাওয়ে ফেসবুকে এক বিবৃতিতে বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যাওয়া এক ব্যক্তির মাতালের মতো আচরণে কেবিএন টিভি হিসেবে আমরা হতভম্ব। ওই প্রেজেন্টার সেখানে পার্ট-টাইম হিসেবে কাজ করতেন বলে জানান তিনি।
প্রীতি / প্রীতি
হরমুজ প্রণালি পার হলো ৯ জাহাজ, আটকা আরও ৮০০
লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলা, ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র‑ইরান যুদ্ধবিরতি
হাত এখনও ট্রিগারেই আছে: ইরানের হুঁশিয়ারি
চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরান ঘিরে সেনা মোতায়েন থাকবে : ট্রাম্প
সংলাপে যোগ দিতে ইসলামাবাদের পথে ইরানি প্রতিনিধি দল
লেবাননে হামলার পর বন্ধ হরমুজ প্রণালী, দাবি ইরানি সংবাদমাধ্যমের
সংলাপে যোগ দিতে ইসলামাবাদের পথে ইরানি প্রতিনিধি দল
লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলায় নিহত বেড়ে ২৫৪
লেবাননে ইসরায়েলি হামলার জবাব দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান
‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ করে তেল শোধনাগারে হামলা, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের
‘বড় বিজয় অর্জিত হয়েছে’, যুদ্ধবিরতির পর দাবি ইরানের
শেহবাজের এক্সবার্তা কি অন্য কেউ লিখে দেন, প্রশ্ন ফোর্বসের